সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ওটস খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় শুরুর দিকেই থাকে ওটসের নাম। বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা পেতে এই খাবারের ওপর আস্থা রাখেন অনেকেই। ফাইবার সমৃদ্ধ এই খাবার খেলে মেলে প্রয়োজনীয় পুষ্টি। সেইসঙ্গে এতে থাকে অ্যাভিন্যানথ্রামাইড, যা সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। 

ফাইবার ও অ্যাভিন্যানথ্রামাইড ছাড়াও ওটস খেলে মিলবে পর্যাপ্ত আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন বি সহ আরো অনেক পুষ্টি উপাদান। বিশেষ করে এতে থাকা ভিটামিন বি কার্বোহাইড্রেট ভেঙে হজমপ্রক্রিয়াকে সহজ করে দেয়। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ওটস খেলে কী স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে-

আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ওটস। এতে থাকা বিটা গ্লুটেন নামক বিশেষ ধরনের ফাইবার এই কাজে সাহায্য করে। আপনি যদি প্রতিদিন তিন গ্রামের মতো ওটস খেয়ে থাকেন তবে তা প্রায় আট থেকে দশ শতাংশ পর্যন্ত কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করবে।

শরীরেরোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষভাবে কার্যকরী ওটস। এতে থাকা বিটা গ্লুটেন এই কাজে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ফলে শরীরে ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ সহজে বাসা বাঁধতে পারে না।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে

উচ্চ রক্তচাপ কিংবা নিম্ন রক্তচাপ দুটোই শরীরের জন্য ক্ষতিকার। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে ওটস। নিয়মিত ওটস খেলে তা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। সেইসঙ্গে কমে মানসিক চাপ ও হাইপার টেনশনের ঝুঁকিও।

হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

হার্ট ভালো রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে ওটস। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। যে কারণে কমে হার্টের অসুখের ঝুঁকি। তাই হার্ট ভালো রাখতে চাইলে নিয়মিত ওটস খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে উপকারী খাবার হতে পারে ওটস। কারণ এটি লো ক্যালোরি ও সুগার ফ্রি হওয়ায় ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বিশেষ উপকারী। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে নিয়মিত ওটস খেতে পারেন। সকালের নাস্তায় ওটস রাখলে উপকার পাবেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

ওটস খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

আপডেট সময় ০১:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩

স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় শুরুর দিকেই থাকে ওটসের নাম। বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা পেতে এই খাবারের ওপর আস্থা রাখেন অনেকেই। ফাইবার সমৃদ্ধ এই খাবার খেলে মেলে প্রয়োজনীয় পুষ্টি। সেইসঙ্গে এতে থাকে অ্যাভিন্যানথ্রামাইড, যা সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। 

ফাইবার ও অ্যাভিন্যানথ্রামাইড ছাড়াও ওটস খেলে মিলবে পর্যাপ্ত আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন বি সহ আরো অনেক পুষ্টি উপাদান। বিশেষ করে এতে থাকা ভিটামিন বি কার্বোহাইড্রেট ভেঙে হজমপ্রক্রিয়াকে সহজ করে দেয়। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ওটস খেলে কী স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে-

আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ওটস। এতে থাকা বিটা গ্লুটেন নামক বিশেষ ধরনের ফাইবার এই কাজে সাহায্য করে। আপনি যদি প্রতিদিন তিন গ্রামের মতো ওটস খেয়ে থাকেন তবে তা প্রায় আট থেকে দশ শতাংশ পর্যন্ত কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করবে।

শরীরেরোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষভাবে কার্যকরী ওটস। এতে থাকা বিটা গ্লুটেন এই কাজে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ফলে শরীরে ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ সহজে বাসা বাঁধতে পারে না।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে

উচ্চ রক্তচাপ কিংবা নিম্ন রক্তচাপ দুটোই শরীরের জন্য ক্ষতিকার। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে ওটস। নিয়মিত ওটস খেলে তা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। সেইসঙ্গে কমে মানসিক চাপ ও হাইপার টেনশনের ঝুঁকিও।

হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

হার্ট ভালো রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে ওটস। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। যে কারণে কমে হার্টের অসুখের ঝুঁকি। তাই হার্ট ভালো রাখতে চাইলে নিয়মিত ওটস খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে উপকারী খাবার হতে পারে ওটস। কারণ এটি লো ক্যালোরি ও সুগার ফ্রি হওয়ায় ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বিশেষ উপকারী। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে নিয়মিত ওটস খেতে পারেন। সকালের নাস্তায় ওটস রাখলে উপকার পাবেন।