ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমিয়ে আনার উদ্যোগ

নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃদেশীয় সংযোগ সম্প্রসারণ এবং উচ্চগতির রেল চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণের মাধ্যমে এ রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। দেশের ৫৫তম বাজেট এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদে এটি অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেট।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তঃদেশীয় সংযোগ সম্প্রসারণে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

একই সঙ্গে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে রেলপথকে অধিক কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা এবং সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোর সঙ্গে রেল সংযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আধুনিক লোকোমোটিভ, ক্যারেজ ও ওয়াগন সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, সৈয়দপুর ও পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কোচ ও লোকোমোটিভ সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ এবং আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় তিনি জানান, ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ও উচ্চগতির রেল সংযোগ চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণ করা হবে, যার ফলে এ রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে আসবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেলপথকে আরো কার্যকর করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে করিডোর প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

রেলপথ খাতে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে গতি বৃদ্ধি এবং দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমিয়ে আনার উদ্যোগ

আপডেট সময় ০৯:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃদেশীয় সংযোগ সম্প্রসারণ এবং উচ্চগতির রেল চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণের মাধ্যমে এ রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। দেশের ৫৫তম বাজেট এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদে এটি অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেট।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তঃদেশীয় সংযোগ সম্প্রসারণে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

একই সঙ্গে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে রেলপথকে অধিক কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা এবং সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোর সঙ্গে রেল সংযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আধুনিক লোকোমোটিভ, ক্যারেজ ও ওয়াগন সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, সৈয়দপুর ও পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কোচ ও লোকোমোটিভ সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ এবং আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় তিনি জানান, ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ও উচ্চগতির রেল সংযোগ চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণ করা হবে, যার ফলে এ রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে আসবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেলপথকে আরো কার্যকর করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে করিডোর প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

রেলপথ খাতে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে গতি বৃদ্ধি এবং দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।