ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে ৪৬ লাখ টাকার সড়ক উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন রিমঝিম বৃষ্টিতে বর্ষার আনন্দ, পটুয়াখালীতে প্রথমবার ‘বর্ষা উৎসব ১৪৩৩’ অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে নজর কাড়লেন মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন একটি চক্র জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিল স্ত্রী কনসার্টে বোতল ছুড়ে মারার ঘটনায় মুখ খুললেন হাসান রামপালে সংসার খরচ যোগাতে মাথার চুল বিক্রি করলেন এক নারী ছাত্রদলের রাজনীতিতে বৃহৎ পরিসরে ভূমিকা রাখতে চান জিসান ভালোবাসি গাইবান্ধা’ সংগঠনের ২০২৬-২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন রেলের টেন্ডারে শত কোটি টাকার কারসাজির অভিযোগের কেন্দ্রে ‘আফসার সিন্ডিকেট

শফিউলের নেতৃত্বে চলছে হরিলুট, আ. লীগের দোসরদের পুনর্বাসন ও কাজপাইয়ে দিতে মরিয়া

গনপুর্ত সম্পদ বিভাগের এর নিবাহী প্রকৌশলী আওয়ামীলীগের সুবিধাভোগী শফিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দুনীতি অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এর আস্থাভাজন, নিষিদ্ধ ঘষিত পতিত লীগ সরকারের আমলে ৭ নং ওয়ার্ড তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, মা এন্টারপ্রাইজ এর মালিক জামাল এখন বহাল তরিয়াতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন গনপুর্ত সম্পদ বিভাগে। তাঁর প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম ও সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম।
সুত্রে যানা জায়, গনপুর্ত সম্পদ বিভাগের নিবাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করে, তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তুলেছেন সু বিশাল সিন্ডিকেট বাহীনি, লীগের দোসর কথিত ঠিকাদার দের সাথে গোপনে আঁতাত করে ত্রুটি পুর্ন কাজ করে, ঠিকাদার দের সাথে গোপনে আঁতাত করে কমিশন বানিজ্য করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম। তাঁর সেকেন্ডইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত, সহকারী প্রকৌশলী ও স্টাফ অফিসার শরিফুল ইসলাম,উপ সহকারী প্রকৌশলী সুশান্ত দত্ত। এই তিন কর্মকর্তার নিকট জিম্মি হয়ে পরেছেন সাধারণ ঠিকাদার গন বলে একাধিক সুত্রে যানা গেছে। পতিত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো মহা দুনীতিবাজ নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম এখনো বহাল তরিয়াতে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে। তার দেশের বাড়ি পাবনাতে হওয়ার কারণে বিগত স্বৈরাচারী লীগের আমলে রাষ্ট্রপতির দাপটে দাপিয়ে বেড়িয়েছিল।
এখন আবার ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী দাবী করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শিমুল বিশ্বাসের নাম ভাঙ্গিয়ে দিনকে রাত আর রাত কে দিন বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ টাকা। রাজধানী ধানমন্ডিতে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট ক্রয় করে সেখানে তাঁর স্ত্রী সন্তান দেরকে নিয়ে বসবাস করেন। এলেন বাড়ী সম্পদ বিভাগের লীগের ঠিকাদার মা,ইন্টার প্রাইজ এর মালিক, জৈনক ঠিকাদার জামাল হোসেনের সাথে আঁতাত করে গোপনে তাঁর সাথে স্টিমেট,( প্রাক্কলন) করে এমন ভাবে যাতেকরে অন্য অন্য ঠিকাদার অংশ গ্রহণ না,করতে পারে সেই ভাবে টীকাদার কতৃক তাদের নথি পত্র চাওয়া হয়। নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম এর প্রতক্ষ পরক্ষ ভাবে সহোযোগিতায় করে যাচ্ছে তারই স্টাফ অফিসার শরিফুল ইসলাম। তেজগাঁও এলেনবাড়ি গণপূর্ত সম্পদ বিভাগে অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষোভ ঠিকাদারদের মাঝে চলছে চরম উত্তেজনা বিরাজমান আছে। সরকারি অর্থ লুটকারী নিবাহী প্রকৌশলী আওয়ামীলীগের সুবিধাভোগী শফিউল ইসলাম এখনও বহাল তবিয়তে আছেন।
একাধিক সুত্রে আরও জানা গেছে, ঢাকা তেজগাঁওয়ের এলেনবাড়ি এলাকায় অবস্থিত গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্পদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোঃ শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য শক্তি কারণে সেই সকল অভিযোগ ধামাচাপা পরে যাচ্ছে। প্রধান প্রকৌশলী নিরবতা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ এলেন বাড়ী সম্পদ বিভাগের সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে। অভিযোগ রয়েছে, সম্পদ বিভাগের কয়েকজন নিবন্ধিত ঠিকাদা রয়েছে, সেই সকল ঠিকাদার কতৃক তাঁর দাবী কৃত ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সেই সকল ঠিকাদার দের কপালে জোটে না কাজ, তাদের সঠিক কাগজ পত্র থাকা সর্তে ও । শুধু মাত্র তাঁর আর্থিক দুনীতি কারণে।
খোঁজ নিয়ে আরও যানা যায়, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন সরকারি বাসভবনের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের নামে প্রায় ৮ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বাস্তবে অনেক কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না হলেও বিল উত্তোলন করে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করে ভাগাভাগি করে নিয়েছে নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম ও সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম, উপ সহকারী প্রকৌশলী সুশান্ত দত্ত মিলে। এ বিষয়ে সম্পদ বিভাগের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগে তির, স্টাফ অফিসার, সহকারী প্রকৌশলী ও অফিস সহকারী-কাম-এস্টিমেটরদের নাম উল্লেখ আছে ।
এদিকে চলতি মাসে আহ্বান করা দুটি টেন্ডার নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একাধিক ঠিকাদার। তাদের অভিযোগ, টেন্ডারের শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে নির্দিষ্ট একজন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়। বঞ্চিত ঠিকাদারদের দাবি, প্রায় ২৫ জন ঠিকাদার এ প্রক্রিয়া থেকে কার্যত বাদ পড়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, চার ৪ মে যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে এই টেন্ডারে সুইমিং পুল মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া এলেনবাড়ি এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত ১ নং ও ২ নং ভবনের মেরামতের নামে প্রায় ৬০ লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম এর বিরুদ্ধে। ১নং ভবনে বসবাস কারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তারা এই প্রতিবেদককে জানান , গত দুই বছরে বিল্ডিংয়ে কোন সংস্কারের কাজ হয়নি।
অন্যদিকে ১২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত টেন্ডার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ করা হয়েছে, একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পূর্বনির্ধারিতভাবে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোঃ শফিকুল ইসলামের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মহল বলছে, অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক ঠিকাদার এই প্রতিবেদককে জানান, মা এন্টারপ্রাইজ এর মালিক লীগ সরকারের আমলে ৭ নং ওয়ার্ড এর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ বহনকরে দাপিয়ে বেড়িয়েছি, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এর ছত্র ছায়ায় থেকে। এখন আবার ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী হিসেবে নিজেকে জাহির করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন গনপুর্ত সম্পদ বিভাগের।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে ৪৬ লাখ টাকার সড়ক উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

শফিউলের নেতৃত্বে চলছে হরিলুট, আ. লীগের দোসরদের পুনর্বাসন ও কাজপাইয়ে দিতে মরিয়া

আপডেট সময় ০১:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

গনপুর্ত সম্পদ বিভাগের এর নিবাহী প্রকৌশলী আওয়ামীলীগের সুবিধাভোগী শফিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দুনীতি অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এর আস্থাভাজন, নিষিদ্ধ ঘষিত পতিত লীগ সরকারের আমলে ৭ নং ওয়ার্ড তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, মা এন্টারপ্রাইজ এর মালিক জামাল এখন বহাল তরিয়াতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন গনপুর্ত সম্পদ বিভাগে। তাঁর প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম ও সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম।
সুত্রে যানা জায়, গনপুর্ত সম্পদ বিভাগের নিবাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করে, তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তুলেছেন সু বিশাল সিন্ডিকেট বাহীনি, লীগের দোসর কথিত ঠিকাদার দের সাথে গোপনে আঁতাত করে ত্রুটি পুর্ন কাজ করে, ঠিকাদার দের সাথে গোপনে আঁতাত করে কমিশন বানিজ্য করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম। তাঁর সেকেন্ডইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত, সহকারী প্রকৌশলী ও স্টাফ অফিসার শরিফুল ইসলাম,উপ সহকারী প্রকৌশলী সুশান্ত দত্ত। এই তিন কর্মকর্তার নিকট জিম্মি হয়ে পরেছেন সাধারণ ঠিকাদার গন বলে একাধিক সুত্রে যানা গেছে। পতিত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো মহা দুনীতিবাজ নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম এখনো বহাল তরিয়াতে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে। তার দেশের বাড়ি পাবনাতে হওয়ার কারণে বিগত স্বৈরাচারী লীগের আমলে রাষ্ট্রপতির দাপটে দাপিয়ে বেড়িয়েছিল।
এখন আবার ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী দাবী করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শিমুল বিশ্বাসের নাম ভাঙ্গিয়ে দিনকে রাত আর রাত কে দিন বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ টাকা। রাজধানী ধানমন্ডিতে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট ক্রয় করে সেখানে তাঁর স্ত্রী সন্তান দেরকে নিয়ে বসবাস করেন। এলেন বাড়ী সম্পদ বিভাগের লীগের ঠিকাদার মা,ইন্টার প্রাইজ এর মালিক, জৈনক ঠিকাদার জামাল হোসেনের সাথে আঁতাত করে গোপনে তাঁর সাথে স্টিমেট,( প্রাক্কলন) করে এমন ভাবে যাতেকরে অন্য অন্য ঠিকাদার অংশ গ্রহণ না,করতে পারে সেই ভাবে টীকাদার কতৃক তাদের নথি পত্র চাওয়া হয়। নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম এর প্রতক্ষ পরক্ষ ভাবে সহোযোগিতায় করে যাচ্ছে তারই স্টাফ অফিসার শরিফুল ইসলাম। তেজগাঁও এলেনবাড়ি গণপূর্ত সম্পদ বিভাগে অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষোভ ঠিকাদারদের মাঝে চলছে চরম উত্তেজনা বিরাজমান আছে। সরকারি অর্থ লুটকারী নিবাহী প্রকৌশলী আওয়ামীলীগের সুবিধাভোগী শফিউল ইসলাম এখনও বহাল তবিয়তে আছেন।
একাধিক সুত্রে আরও জানা গেছে, ঢাকা তেজগাঁওয়ের এলেনবাড়ি এলাকায় অবস্থিত গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্পদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোঃ শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য শক্তি কারণে সেই সকল অভিযোগ ধামাচাপা পরে যাচ্ছে। প্রধান প্রকৌশলী নিরবতা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ এলেন বাড়ী সম্পদ বিভাগের সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে। অভিযোগ রয়েছে, সম্পদ বিভাগের কয়েকজন নিবন্ধিত ঠিকাদা রয়েছে, সেই সকল ঠিকাদার কতৃক তাঁর দাবী কৃত ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সেই সকল ঠিকাদার দের কপালে জোটে না কাজ, তাদের সঠিক কাগজ পত্র থাকা সর্তে ও । শুধু মাত্র তাঁর আর্থিক দুনীতি কারণে।
খোঁজ নিয়ে আরও যানা যায়, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন সরকারি বাসভবনের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের নামে প্রায় ৮ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বাস্তবে অনেক কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না হলেও বিল উত্তোলন করে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করে ভাগাভাগি করে নিয়েছে নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম ও সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম, উপ সহকারী প্রকৌশলী সুশান্ত দত্ত মিলে। এ বিষয়ে সম্পদ বিভাগের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগে তির, স্টাফ অফিসার, সহকারী প্রকৌশলী ও অফিস সহকারী-কাম-এস্টিমেটরদের নাম উল্লেখ আছে ।
এদিকে চলতি মাসে আহ্বান করা দুটি টেন্ডার নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একাধিক ঠিকাদার। তাদের অভিযোগ, টেন্ডারের শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে নির্দিষ্ট একজন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়। বঞ্চিত ঠিকাদারদের দাবি, প্রায় ২৫ জন ঠিকাদার এ প্রক্রিয়া থেকে কার্যত বাদ পড়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, চার ৪ মে যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে এই টেন্ডারে সুইমিং পুল মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া এলেনবাড়ি এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত ১ নং ও ২ নং ভবনের মেরামতের নামে প্রায় ৬০ লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম এর বিরুদ্ধে। ১নং ভবনে বসবাস কারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তারা এই প্রতিবেদককে জানান , গত দুই বছরে বিল্ডিংয়ে কোন সংস্কারের কাজ হয়নি।
অন্যদিকে ১২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত টেন্ডার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ করা হয়েছে, একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পূর্বনির্ধারিতভাবে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোঃ শফিকুল ইসলামের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মহল বলছে, অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক ঠিকাদার এই প্রতিবেদককে জানান, মা এন্টারপ্রাইজ এর মালিক লীগ সরকারের আমলে ৭ নং ওয়ার্ড এর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ বহনকরে দাপিয়ে বেড়িয়েছি, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এর ছত্র ছায়ায় থেকে। এখন আবার ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী হিসেবে নিজেকে জাহির করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন গনপুর্ত সম্পদ বিভাগের।