ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় কালিহাতীতে ২১৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারি গ্রেপ্তার বড়লেখায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন পবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার আ.লীগ ছেড়ে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে চলতে চান এই নেতা খুলনায় অস্ত্রসহ ধরা খেল আশিক বাহিনীর সদস্য হুথিদের হামলায় ইয়েমেনে ৩০ সৈন্য নিহত নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে আইন সংস্কারের সুপারিশ মহিলা পরিষদের

‘লোকে বলতো বুড়ি হয়ে গেছে, অদ্ভুত দেখতে লাগছে

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • ৬১১ বার পড়া হয়েছে

শোবিজ তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে শরীরের গঠন বা বয়স সবকিছু নিয়েই নেটপাড়ার একাংশের ট্রলিং যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। এবার সেই চেনা ট্রলিং ও বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে জবাব দিলেন জনপ্রিয় ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী রুবিনা দিলাইক। তাকে দেখতে নাকি ‘বুড়ি বুড়ি’ লাগে, আবার কখনো দাবি করা হয় কৃত্রিম উপায়ে যৌবন ধরে রাখতে প্লাস্টিক সার্জারির করেছেন তিনি।

নেটদুনিয়ার একাংশের ধারণা, রুবিনা নাকি ‘বোটক্স’ কিংবা ‘ফেসলিফট’-এর মতো কৃত্রিম প্রক্রিয়ার সাহায্যে নিজের সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন। এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলে অভিনেত্রী স্বীকার করেছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এসব মন্তব্য তাকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করত এবং তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়তেন।

বছরের পর বছর ধরে বডি শেমিংয়ের শিকার হওয়া রুবিনা বলেন, ‘আমি প্রচুর কটাক্ষ শুনেছি। লোকে বলতো বুড়ি হয়ে গেছে, অদ্ভুত দেখতে লাগছে, মনে হচ্ছে বোটক্স করিয়েছে। শরীরে ও মুখে নিশ্চয়ই কোনো সার্জারি করিয়েছে, আজব দেখতে লাগছে। একটা সময় এসব শুনে প্রচণ্ড কষ্ট হতো, নিজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ত।’

আসছে মৌয়ের ‘সারার সংসার’
১৫ বছর পর আসছে ‘টিনটিন’-এর সিক্যুয়েল
সন্তানের নাম জানালেন অ্যাটলি-প্রিয়া দম্পতি

‘তবে এখন আমি ধীরে ধীরে এই নেতিবাচকতাকে এড়িয়ে যেতে শিখেছি। বুঝতে পেরেছি যে, লোকে কী ভাবল তা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। বরং সেই সমস্ত কথায় আমি কী প্রতিক্রিয়া দেব, সেটা সম্পূর্ণ আমার হাতে।’

রুবিনা আরও বলেন, ‘আমি পরে বুঝলাম, আমার অনুভূতির চাবি অন্যদের হাতে দিলে তারা আমাকে আরও কোণঠাসা করে দেবে। তাই এগুলোর মুখোমুখি হওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নিজেকে বোঝানো যে, আমার যা আছে তা অন্যদের নেই। আর যা অন্যদের নেই, তা নিয়ে তারা কথা বলবেই।’

তার কথায়, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজকাল মোটা ঠোঁট, শার্প জ-লাইন বা টিকলো নাক নাহলে কাউকে দেখতে খারাপ এই চিন্তাভাবনাটা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। প্রত্যেক মেয়ে বা নারী চান তাদের একটি নির্দিষ্ট ছাচে দেখতে লাগুক। কিন্তু এতে তো সবাইকে একই রকমের দেখতে লাগে! যদি সবাই একই রকম হয়ে যায়, তবে ঈশ্বরের সৃষ্টির অভিনবত্ব কোথায় থাকবে?

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

‘লোকে বলতো বুড়ি হয়ে গেছে, অদ্ভুত দেখতে লাগছে

আপডেট সময় ০৪:০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

শোবিজ তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে শরীরের গঠন বা বয়স সবকিছু নিয়েই নেটপাড়ার একাংশের ট্রলিং যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। এবার সেই চেনা ট্রলিং ও বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে জবাব দিলেন জনপ্রিয় ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী রুবিনা দিলাইক। তাকে দেখতে নাকি ‘বুড়ি বুড়ি’ লাগে, আবার কখনো দাবি করা হয় কৃত্রিম উপায়ে যৌবন ধরে রাখতে প্লাস্টিক সার্জারির করেছেন তিনি।

নেটদুনিয়ার একাংশের ধারণা, রুবিনা নাকি ‘বোটক্স’ কিংবা ‘ফেসলিফট’-এর মতো কৃত্রিম প্রক্রিয়ার সাহায্যে নিজের সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন। এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলে অভিনেত্রী স্বীকার করেছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এসব মন্তব্য তাকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করত এবং তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়তেন।

বছরের পর বছর ধরে বডি শেমিংয়ের শিকার হওয়া রুবিনা বলেন, ‘আমি প্রচুর কটাক্ষ শুনেছি। লোকে বলতো বুড়ি হয়ে গেছে, অদ্ভুত দেখতে লাগছে, মনে হচ্ছে বোটক্স করিয়েছে। শরীরে ও মুখে নিশ্চয়ই কোনো সার্জারি করিয়েছে, আজব দেখতে লাগছে। একটা সময় এসব শুনে প্রচণ্ড কষ্ট হতো, নিজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ত।’

আসছে মৌয়ের ‘সারার সংসার’
১৫ বছর পর আসছে ‘টিনটিন’-এর সিক্যুয়েল
সন্তানের নাম জানালেন অ্যাটলি-প্রিয়া দম্পতি

‘তবে এখন আমি ধীরে ধীরে এই নেতিবাচকতাকে এড়িয়ে যেতে শিখেছি। বুঝতে পেরেছি যে, লোকে কী ভাবল তা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। বরং সেই সমস্ত কথায় আমি কী প্রতিক্রিয়া দেব, সেটা সম্পূর্ণ আমার হাতে।’

রুবিনা আরও বলেন, ‘আমি পরে বুঝলাম, আমার অনুভূতির চাবি অন্যদের হাতে দিলে তারা আমাকে আরও কোণঠাসা করে দেবে। তাই এগুলোর মুখোমুখি হওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নিজেকে বোঝানো যে, আমার যা আছে তা অন্যদের নেই। আর যা অন্যদের নেই, তা নিয়ে তারা কথা বলবেই।’

তার কথায়, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজকাল মোটা ঠোঁট, শার্প জ-লাইন বা টিকলো নাক নাহলে কাউকে দেখতে খারাপ এই চিন্তাভাবনাটা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। প্রত্যেক মেয়ে বা নারী চান তাদের একটি নির্দিষ্ট ছাচে দেখতে লাগুক। কিন্তু এতে তো সবাইকে একই রকমের দেখতে লাগে! যদি সবাই একই রকম হয়ে যায়, তবে ঈশ্বরের সৃষ্টির অভিনবত্ব কোথায় থাকবে?