সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ভুয়া পে-অর্ডারে বাড্ডা-ভাটারার গরুর হাট ইজারা, মিল্টনের ঘনিষ্ঠ আতাউর-তুহিনুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বাড্ডা ও ভাটারা এলাকার গরুর হাট ইজারা প্রক্রিয়ায় ভুয়া পে-অর্ডার, অস্বাভাবিক দর এবং পূর্বনির্ধারিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হাট বরাদ্দের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বিএনপি নেতা আতাউর রহমান ও তুহিনুর ইসলাম, যাদেরকে ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা শওকত ওসমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন ইজারায় অংশ নেওয়া একাধিক ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া পে-অর্ডার ব্যবহার করে এবং অভ্যন্তরীণ সমঝোতার মাধ্যমে কোটি টাকার হাট ইজারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে একটি প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় ছিল।

বৃহস্পতিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে হাট ইজারা জমা গ্রহণ শুরুর পর থেকেই নানা গুঞ্জনে সরব হয়ে ওঠে পুরো ভবন। ইজারায় অংশ নেওয়া কয়েকজন অভিযোগ করেন, সম্পদ শাখার একটি প্রভাবশালী চক্র আগেই নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে হাট পাইয়ে দেওয়ার ছক কষে রেখেছিল। তাদের ভাষ্য, তত্ত্বাবধায়ক শাসনামলে অর্জিত কালো টাকা বৈধ করার উদ্দেশ্যে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এবার বাড়তি দর দেখিয়ে হাটের ইজারা নেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

সূত্র জানায়, দুপুর ১টায় টেন্ডার জমা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের পরও টেন্ডার বাক্স খোলা হয়নি। এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাক্স খোলা হলে দেখা যায়, কয়েকটি হাটে নির্ধারিত মূল্যের কয়েকগুণ বেশি দর দেখানো হয়েছে। তখনই উন্মুক্ত টেন্ডারের নামে জালিয়াতির মাধ্যমে পছন্দের ব্যক্তিদের হাট পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তর সিটি করপোরেশনের চারটি হাটের মধ্যে বড় বেরাইদ এলাকায় বসুন্ধরা গ্রুপের খালি জায়গায় স্থাপিত একটি হাটের ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল এক কোটি টাকা। কিন্তু সেখানে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠান প্রায় পাঁচ কোটি টাকারও বেশি দর দেখিয়ে সবাইকে বিস্মিত করে। পরে জানা যায়, ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিএনপি নেতা আতাউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ইজারায় অংশ নেওয়া পুরোনো কয়েকজন ইজারাদার দাবি করেন, আতাউর রহমান প্রশাসক মিল্টন ও প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা শওকত ওসমানের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় শুরু থেকেই তাকে সুবিধা দিতে পরিকল্পনা করা হয়।

আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, যে পে-অর্ডারের মাধ্যমে আতাউর রহমানের প্রতিষ্ঠান হাটটির জন্য দরপত্র জমা দেয়, সেটি নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র দাবি করেছে, পে-অর্ডারটি ছিল সম্পূর্ণ ভুয়া। এমনকি সরকারিভাবে গেজেট বা অনলাইন যাচাই সম্পন্ন না করেই সেটি গ্রহণ করা হয়। পরে অভ্যন্তরীণ সমঝোতার মাধ্যমে দর কমিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল বলে অভিযোগ করেন কয়েকজন অংশগ্রহণকারী।

একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে বাড্ডা থানার অন্তর্গত স্বদেশ প্রোপার্টির খালি জায়গায় স্থাপিত আরেকটি হাট নিয়েও। ওই হাটের ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছিল ৫০ লাখ টাকা। কিন্তু সেখানে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি, অর্থাৎ ২ কোটি ৩০ লাখ টাকায় দর দেখানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ ক্ষেত্রেও ভুয়া পে-অর্ডার ব্যবহার করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী মোট দরমূল্যের ৩০ শতাংশ হিসেবে প্রায় ৬৯ লাখ টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে ৭০ লাখ টাকার একটি সন্দেহজনক পে-অর্ডার জমা দেওয়া হয়।

এই হাটের সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হন বিএনপি নেতা তুহিনুর ইসলাম। অভিযোগকারীরা বলছেন, তুহিনুর ইসলামও প্রশাসক মিল্টনের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত এবং তার প্রতিষ্ঠানকে হাট পাইয়ে দিতেই পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

ইজারায় অংশ নেওয়া একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, দুপুর আড়াইটায় হাট বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও এক ঘণ্টারও বেশি সময় বিলম্ব করা হয়। তাদের মতে, এই বিলম্ব ছিল ভেতরে সমন্বয় ও জালিয়াতির অংশ। টেন্ডার বাক্স খোলার আগে এবং পরে কয়েক দফা গোপন বৈঠকও হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

এদিকে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে উত্তর সিটি করপোরেশনের ভেতরেও চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অতিরিক্ত দর দেখিয়ে পরে সমঝোতার মাধ্যমে অর্থ কমিয়ে দেওয়া কিংবা ভুয়া ব্যাংক ডকুমেন্ট ব্যবহার করে হাট নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। তবে এবারের ঘটনা অত্যন্ত স্পষ্ট এবং প্রকাশ্যভাবে ঘটেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে জমা দেওয়া পে-অর্ডারগুলোর সত্যতা যাচাই করলে পুরো জালিয়াতি প্রকাশ্যে আসবে বলে তাদের দাবি।

এ ঘটনায় প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা শওকত ওসমান, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান ও তুহিনুর ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

ভুয়া পে-অর্ডারে বাড্ডা-ভাটারার গরুর হাট ইজারা, মিল্টনের ঘনিষ্ঠ আতাউর-তুহিনুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৩৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বাড্ডা ও ভাটারা এলাকার গরুর হাট ইজারা প্রক্রিয়ায় ভুয়া পে-অর্ডার, অস্বাভাবিক দর এবং পূর্বনির্ধারিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হাট বরাদ্দের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বিএনপি নেতা আতাউর রহমান ও তুহিনুর ইসলাম, যাদেরকে ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা শওকত ওসমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন ইজারায় অংশ নেওয়া একাধিক ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া পে-অর্ডার ব্যবহার করে এবং অভ্যন্তরীণ সমঝোতার মাধ্যমে কোটি টাকার হাট ইজারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে একটি প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় ছিল।

বৃহস্পতিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে হাট ইজারা জমা গ্রহণ শুরুর পর থেকেই নানা গুঞ্জনে সরব হয়ে ওঠে পুরো ভবন। ইজারায় অংশ নেওয়া কয়েকজন অভিযোগ করেন, সম্পদ শাখার একটি প্রভাবশালী চক্র আগেই নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে হাট পাইয়ে দেওয়ার ছক কষে রেখেছিল। তাদের ভাষ্য, তত্ত্বাবধায়ক শাসনামলে অর্জিত কালো টাকা বৈধ করার উদ্দেশ্যে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এবার বাড়তি দর দেখিয়ে হাটের ইজারা নেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

সূত্র জানায়, দুপুর ১টায় টেন্ডার জমা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের পরও টেন্ডার বাক্স খোলা হয়নি। এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাক্স খোলা হলে দেখা যায়, কয়েকটি হাটে নির্ধারিত মূল্যের কয়েকগুণ বেশি দর দেখানো হয়েছে। তখনই উন্মুক্ত টেন্ডারের নামে জালিয়াতির মাধ্যমে পছন্দের ব্যক্তিদের হাট পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তর সিটি করপোরেশনের চারটি হাটের মধ্যে বড় বেরাইদ এলাকায় বসুন্ধরা গ্রুপের খালি জায়গায় স্থাপিত একটি হাটের ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল এক কোটি টাকা। কিন্তু সেখানে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠান প্রায় পাঁচ কোটি টাকারও বেশি দর দেখিয়ে সবাইকে বিস্মিত করে। পরে জানা যায়, ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিএনপি নেতা আতাউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ইজারায় অংশ নেওয়া পুরোনো কয়েকজন ইজারাদার দাবি করেন, আতাউর রহমান প্রশাসক মিল্টন ও প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা শওকত ওসমানের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় শুরু থেকেই তাকে সুবিধা দিতে পরিকল্পনা করা হয়।

আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, যে পে-অর্ডারের মাধ্যমে আতাউর রহমানের প্রতিষ্ঠান হাটটির জন্য দরপত্র জমা দেয়, সেটি নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র দাবি করেছে, পে-অর্ডারটি ছিল সম্পূর্ণ ভুয়া। এমনকি সরকারিভাবে গেজেট বা অনলাইন যাচাই সম্পন্ন না করেই সেটি গ্রহণ করা হয়। পরে অভ্যন্তরীণ সমঝোতার মাধ্যমে দর কমিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল বলে অভিযোগ করেন কয়েকজন অংশগ্রহণকারী।

একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে বাড্ডা থানার অন্তর্গত স্বদেশ প্রোপার্টির খালি জায়গায় স্থাপিত আরেকটি হাট নিয়েও। ওই হাটের ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছিল ৫০ লাখ টাকা। কিন্তু সেখানে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি, অর্থাৎ ২ কোটি ৩০ লাখ টাকায় দর দেখানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ ক্ষেত্রেও ভুয়া পে-অর্ডার ব্যবহার করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী মোট দরমূল্যের ৩০ শতাংশ হিসেবে প্রায় ৬৯ লাখ টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে ৭০ লাখ টাকার একটি সন্দেহজনক পে-অর্ডার জমা দেওয়া হয়।

এই হাটের সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হন বিএনপি নেতা তুহিনুর ইসলাম। অভিযোগকারীরা বলছেন, তুহিনুর ইসলামও প্রশাসক মিল্টনের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত এবং তার প্রতিষ্ঠানকে হাট পাইয়ে দিতেই পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

ইজারায় অংশ নেওয়া একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, দুপুর আড়াইটায় হাট বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও এক ঘণ্টারও বেশি সময় বিলম্ব করা হয়। তাদের মতে, এই বিলম্ব ছিল ভেতরে সমন্বয় ও জালিয়াতির অংশ। টেন্ডার বাক্স খোলার আগে এবং পরে কয়েক দফা গোপন বৈঠকও হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

এদিকে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে উত্তর সিটি করপোরেশনের ভেতরেও চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অতিরিক্ত দর দেখিয়ে পরে সমঝোতার মাধ্যমে অর্থ কমিয়ে দেওয়া কিংবা ভুয়া ব্যাংক ডকুমেন্ট ব্যবহার করে হাট নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। তবে এবারের ঘটনা অত্যন্ত স্পষ্ট এবং প্রকাশ্যভাবে ঘটেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে জমা দেওয়া পে-অর্ডারগুলোর সত্যতা যাচাই করলে পুরো জালিয়াতি প্রকাশ্যে আসবে বলে তাদের দাবি।

এ ঘটনায় প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা শওকত ওসমান, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান ও তুহিনুর ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।