তাকে প্রথমবার টেস্ট দলে রাখা হয়েছে। কেন রাখা হয়েছে? গত সপ্তাহে একান্ত আলাপে সে ব্যাখ্যা দিয়েছেন হাবিবুল বাশার সুমন। প্রধান নির্বাচক জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি তানজিদ তামিমের মতো অ্যাটাকিং ব্যাটার পছন্দ করেন। এবং টেস্টে নিজেদের বলয় থেকে বেরিয়ে একটু আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে গেলে তানজিদ তামিমের মতো মারকুটে ওপেনারই প্রয়োজন।
প্রধান নির্বাচকের এ ব্যাখ্যা শুনে অনেকেই হয়তো ভাবছেন, তবে কি বাঁহাতি ও ড্যাশিং তানজিদ তামিমই বাংলাদেশের ওপেনিং ‘অপশন’? এ হাত খুলে খেলতে পছন্দ করা উইলোবাজকেই কি তাহলে পাকিস্তানের সাথে ঢাকার মিরপুরে প্রথম টেস্টে ওপেন করতে দেখা যাবে?
আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রথম টেস্টের আগের দিন আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে হয়তো অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত কথা বলতে আসবেন। তিনি কী বলেন, সেটাই দেখার। তবে সম্ভবত ঢাকা টেস্টের একাদশে তানজিদ তামিমকে খেলানোর বিষয়ে টাইগার ক্যাপ্টেনও কিছু বলবেন না।
অনেকেরই হয়তো চোখ এড়িয়ে গেছে। একটি ‘ক্লু’ আছে, যা ধরেই আগানো যায়—তানজিদ তামিম কি প্রথম টেস্ট দলে থাকবেন, কি থাকবেন না!
কি সেই ‘ক্লু’? তা হলো গত ৪ মে শুরু হয়েছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। কিন্তু সেই লিগের প্রথম ম্যাচে টেস্ট দলের কোনো ক্রিকেটারকে খেলতে দেওয়া হয়নি।
টেস্ট দলে থাকা কেউ ক্লাব ক্রিকেটে প্রথম ম্যাচ খেলার অনুমতি পাননি। শুধু প্রাইম ব্যাংকের হয়ে তানজিদ তামিমকে খেলার সুযোগ দেওয়া হলো কেন?
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যেহেতু তানজিদ তামিমকে মিরপুর টেস্টে খেলানো হবে না—ওই টেস্টের সম্ভাব্য লক্ষ্য, পরিকল্পনা, কম্বিনেশনের কোথাও তামিম নেই, তাই তাকে প্রিমিয়ার লিগ খেলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মানে, স্কোয়াডে থাকলেও তানজিদ তামিম ঢাকা টেস্টের অপশন নন। তাকে বাইরে রেখেই পরিকল্পনা আঁকা হয়েছে।
এখন তানজিদ তামিমকে সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টে নেওয়া হবে কিনা, সেই টেস্টের প্ল্যানিংয়ে তিনি আছেন কিনা—সেটাও নিশ্চিত নয়। তা জানতে অপেক্ষায় থাকতেই হবে।
স্পোর্টস ডেস্ক 
























