ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজনীতিকে কৃত্রিমভাবে সংসদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা কাজ করছে : তথ্যমন্ত্রী ইরানের কেশম দ্বীপের বেসামরিক ভবনে ৯০০ কেজির বো’মা ফেলেছে মার্কিন বাহিনী সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল সেনের ৯৬তম জন্মদিন  গোদাগাড়ীতে যুবককে পিটিয়ে জখম  পীরগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষককে তুলে এনে মারধরের অভিযোগ, অভিযুক্ত আ.লীগ নেতা প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রস্তুতিমূলক সভা  অপপ্রচার নয়-পুরো বক্তব্য শুনেই বিচার করুন-এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে প্রতিবাদ দেশ পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ
বন ও পরিবেশ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে যেনো দেখার কেউ নেই

পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ রেঞ্জ কমকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য অভিযোগ উঠেছে

কথায় আছে রক্ষক যখন ভক্ষক তখন বন রক্ষা করবে কে? রাতের আঁধারে অসৎ রেঞ্জ  কর্মকর্তা বাঘাইহাট

মাছালং লক্ষীছড়ি পূর্ব রেঞ্জ ও লক্ষীছড়ি পশ্চিম রেঞ্জ কমকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী  বিরুদ্ধে ঘুষ আর দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে

বন কেটে উজাড় করছে রেঞ্জ কমকর্তা  মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী    বনে থাকা বহু বছরের পুরোনো গাছ কাটা হচ্ছে নির্দ্বিধায়। টাকার লোভে এভাবে বন কাটায় হতবাক স্থানীয়রাও। বন উজাড়ের এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ সংবাদ সংগ্রহে গেলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি  দেন রেঞ্জ কমকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী

পার্বত্য  চট্টগ্রামে উত্তর  বন  বিভাগে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ, উঠেছে অনেক আগে থেকে 

বন  বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরকারি বনের গাছ কাটা এবং ঘুষ গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, রেঞ্জ মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী বিরুদ্ধে

 বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা বনের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করেছেন এবং বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বনের গাছ কেটে  পাচার করেছেন এবং এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। এছাড়াও, বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য তারা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন। রেঞ্জ কমকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে অভিযোগ করে আসছি, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এই দুর্নীতি চলছে।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী   কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে, বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে

এ বিষয়ে  দুর্নীতি দমন কমিশন সঠিক ভাবে তদন্ত করবে  এবং   ” অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে দেখবে  এবং দ্রুত তদন্ত শুরু করা হবে। দোষী প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশ থাকতে পারে। স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, বনভূমি রক্ষা এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বন মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা যায় এবং বনভূমি রক্ষার পাশাপাশি সরকারি সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরী বিস্তারিত আরও জানতে আমাদের সাথে থাকুন সারা বাংলাদেশের দুর্নীতি বাজ দের মুখোশ খুলে দিতে আমরা আছি আপনাদের মাঝে

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনীতিকে কৃত্রিমভাবে সংসদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা কাজ করছে : তথ্যমন্ত্রী

বন ও পরিবেশ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে যেনো দেখার কেউ নেই

পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ রেঞ্জ কমকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য অভিযোগ উঠেছে

আপডেট সময় ০১:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

কথায় আছে রক্ষক যখন ভক্ষক তখন বন রক্ষা করবে কে? রাতের আঁধারে অসৎ রেঞ্জ  কর্মকর্তা বাঘাইহাট

মাছালং লক্ষীছড়ি পূর্ব রেঞ্জ ও লক্ষীছড়ি পশ্চিম রেঞ্জ কমকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী  বিরুদ্ধে ঘুষ আর দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে

বন কেটে উজাড় করছে রেঞ্জ কমকর্তা  মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী    বনে থাকা বহু বছরের পুরোনো গাছ কাটা হচ্ছে নির্দ্বিধায়। টাকার লোভে এভাবে বন কাটায় হতবাক স্থানীয়রাও। বন উজাড়ের এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ সংবাদ সংগ্রহে গেলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি  দেন রেঞ্জ কমকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী

পার্বত্য  চট্টগ্রামে উত্তর  বন  বিভাগে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ, উঠেছে অনেক আগে থেকে 

বন  বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরকারি বনের গাছ কাটা এবং ঘুষ গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, রেঞ্জ মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী বিরুদ্ধে

 বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা বনের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করেছেন এবং বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বনের গাছ কেটে  পাচার করেছেন এবং এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। এছাড়াও, বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য তারা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন। রেঞ্জ কমকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে অভিযোগ করে আসছি, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এই দুর্নীতি চলছে।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী   কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে, বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে

এ বিষয়ে  দুর্নীতি দমন কমিশন সঠিক ভাবে তদন্ত করবে  এবং   ” অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে দেখবে  এবং দ্রুত তদন্ত শুরু করা হবে। দোষী প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশ থাকতে পারে। স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, বনভূমি রক্ষা এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বন মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা যায় এবং বনভূমি রক্ষার পাশাপাশি সরকারি সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরী বিস্তারিত আরও জানতে আমাদের সাথে থাকুন সারা বাংলাদেশের দুর্নীতি বাজ দের মুখোশ খুলে দিতে আমরা আছি আপনাদের মাঝে