সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়নি : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতি এখনও শেষ হয়ে যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। মঙ্গলবার পেন্টাগনে এ সংবাদ সম্মেলনে ওই মন্তব্য করেছেন তিনি। এ সময় তেহরানকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তিনি।

সোমবারের সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে কি না, সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‌‌‘‘না, যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে যায়নি।’’ ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয় বলেও জানিয়ে দেন।

হেগসেথ বলেন, ‘‘আমরা বলেছিলাম, নিজেদের রক্ষা করব এবং আগ্রাসীভাবেই রক্ষা করব। আমরা ঠিক সেটিই করেছি। ইরান তা জানে। শেষ পর্যন্ত কোনও সংঘাতের মাত্রা বেড়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর্যায়ে পৌঁছাবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট।’’

তিনি বলেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এখনও পূর্ণ শক্তিতে কার্যকর রয়েছে। ইরানকে সরাসরি ‘আগ্রাসী’ আখ্যা দিয়ে হেগসেথ বলেন, ইরান বেসামরিক জাহাজগুলোকে হয়রানি করছে, নির্বিচারে সব দেশের নাবিকদের হুমকি দিচ্ছে এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথকে নিজস্ব আর্থিক স্বার্থে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বা অন্তত করার চেষ্টা করছে।

‘‘এই আন্তর্জাতিক জলসীমা সব দেশের অধিকারভুক্ত; এটি কর আদায়, টোল নেওয়া বা নিয়ন্ত্রণের জন্য ইরানের একার কোনও জায়গা নয়।’’

‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি সাময়িক মিশন উল্লেখ করে হেগসেথ মিত্র দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের চেয়ে বিশ্বের কাছে এই জলপথের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করছি, যাতে বাণিজ্য আবার সচল হতে পারে। তবে আমরা আশা করি বিশ্ব যথাসময়ে এগিয়ে আসবে এবং শিগগিরই আমরা এই দায়িত্ব আপনাদের হাতে তুলে দেব।’’

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যের শুরুতেই তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সম্পর্কে কথা বলেন। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ থেকে এটি ‘সম্পূর্ণ আলাদা এবং স্বতন্ত্র’।

হেগসেথ বলেন, প্রজেক্ট ফ্রিডম মূলত আত্মরক্ষামূলক, এর পরিধি নির্দিষ্ট এবং স্থায়িত্ব সাময়িক। এর লক্ষ্য মাত্র একটি; ইরানি আগ্রাসন থেকে নিরীহ বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে রক্ষা করা। মার্কিন বাহিনীকে ইরানের জলসীমা বা আকাশসীমায় প্রবেশের প্রয়োজন নেই। এটি অপ্রয়োজনীয় এবং আমরা কোনও যুদ্ধ চাচ্ছি না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়নি : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতি এখনও শেষ হয়ে যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। মঙ্গলবার পেন্টাগনে এ সংবাদ সম্মেলনে ওই মন্তব্য করেছেন তিনি। এ সময় তেহরানকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তিনি।

সোমবারের সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে কি না, সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‌‌‘‘না, যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে যায়নি।’’ ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয় বলেও জানিয়ে দেন।

হেগসেথ বলেন, ‘‘আমরা বলেছিলাম, নিজেদের রক্ষা করব এবং আগ্রাসীভাবেই রক্ষা করব। আমরা ঠিক সেটিই করেছি। ইরান তা জানে। শেষ পর্যন্ত কোনও সংঘাতের মাত্রা বেড়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর্যায়ে পৌঁছাবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট।’’

তিনি বলেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এখনও পূর্ণ শক্তিতে কার্যকর রয়েছে। ইরানকে সরাসরি ‘আগ্রাসী’ আখ্যা দিয়ে হেগসেথ বলেন, ইরান বেসামরিক জাহাজগুলোকে হয়রানি করছে, নির্বিচারে সব দেশের নাবিকদের হুমকি দিচ্ছে এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথকে নিজস্ব আর্থিক স্বার্থে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বা অন্তত করার চেষ্টা করছে।

‘‘এই আন্তর্জাতিক জলসীমা সব দেশের অধিকারভুক্ত; এটি কর আদায়, টোল নেওয়া বা নিয়ন্ত্রণের জন্য ইরানের একার কোনও জায়গা নয়।’’

‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি সাময়িক মিশন উল্লেখ করে হেগসেথ মিত্র দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের চেয়ে বিশ্বের কাছে এই জলপথের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করছি, যাতে বাণিজ্য আবার সচল হতে পারে। তবে আমরা আশা করি বিশ্ব যথাসময়ে এগিয়ে আসবে এবং শিগগিরই আমরা এই দায়িত্ব আপনাদের হাতে তুলে দেব।’’

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যের শুরুতেই তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সম্পর্কে কথা বলেন। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ থেকে এটি ‘সম্পূর্ণ আলাদা এবং স্বতন্ত্র’।

হেগসেথ বলেন, প্রজেক্ট ফ্রিডম মূলত আত্মরক্ষামূলক, এর পরিধি নির্দিষ্ট এবং স্থায়িত্ব সাময়িক। এর লক্ষ্য মাত্র একটি; ইরানি আগ্রাসন থেকে নিরীহ বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে রক্ষা করা। মার্কিন বাহিনীকে ইরানের জলসীমা বা আকাশসীমায় প্রবেশের প্রয়োজন নেই। এটি অপ্রয়োজনীয় এবং আমরা কোনও যুদ্ধ চাচ্ছি না।