ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ৮ নং ওয়ার্ডে বাটামার ব্রিকফিল্ডের মাটি টানা ট্রাক্টরের অতিষ্ঠে ক্ষুব্ধ স্হানীয়রা প্রতিবাদ করেও মিলছেনা প্রতিকার।
স্হানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাটামার ব্রিকফিল্ডের মাটি টানার ট্রাক্টর এই পাকা রাস্তাটি ব্যবহার করে আসছে, মাটির ট্রাক্টর রাস্তা দিয়ে চলাচল করলে পাশ কেটে আরেকটি যানবাহন চলাচল করা খুবই অসুবিধা। অন্যদিকে মাটির ট্রাক্টর দিনরাত চলাচল করায় রাস্তাটির বেহাল অবস্থা। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা সহ ছোট বড় ও বৃদ্ধ সকল শ্রেণির মানুষ পায়ে হেটে চলাচল করে। যে কোন সময় ঘটতে পারে দূর্ঘটনা। এই দূর্ঘটনার দায় নিবে কে? এমন প্রশ্ন স্হানীয়দের তাদেরকে বাঁধা দিলেও কে শুনে কার কথা। তাই স্হানীয়রা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
স্হানীয় বাসিন্দারা জানান, পক্ষিয়া ৮ নং ওয়ার্ডের পাকা রাস্তাটি ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী না।বাটামারা ব্রিকফিল্ডের মালিক তারা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের মনগড়া ইচ্ছে অনুযায়ী ট্রাক্টর দিয়ে মাটি টানে, তাদের থামানোর মতে কেউ কি নাই? এমন প্রশ্ন স্হানীয় বাসিন্দাদের। আমরা এলাকাবাসী তাদের এমন আচরণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
বাটামারা ব্রিকফিল্ডের মাটি টানায় স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
ট্রাক্টর দিয়ে মাটি টানায়, ওই মাটি রোডে পড়ে ধূলা হয়। পথচারী থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন সহকারী কমিশন (ভূমি) রণজিৎ চন্দ্র দাস বলেন, অভিযোগ শুনে ঘটনাস্থলে আসতে আসতে এরা সবাই ট্রাক্টর নিয়ে দৌড়ে পালায়। আবার রাতের অন্ধকারে তারা গোপনে কর্মকান্ড পরিচালনা করে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রিয়াজ ফরাজী (ভোলা) 



















