উন্নতমানের লিফটের গুণগতমান যাচাইয়ে গ্রিস সফরে গেলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রধান প্রকৌশলী মো. জয়নাল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান এক হাজার কোটি টাকার ‘অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-২’-এর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শাবিপ্রবিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে বরাদ্দ পাওয়া অর্থায়নে নতুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের লিফট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘ক্লিমান হেলাস এস এ গ্রিস’ প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশনের (চালানের আগে গুণগতমান পরীক্ষা) জন্য চলতি মাসের ১৩ থেকে ১৯ এপ্রিল গ্রিস সফর করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. জয়নাল ইসলাম চৌধুরী।
সফরকালীন চলমান অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-২ সংক্রান্ত কাজের দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী বাধন চন্দ্র দাস।
এ বিষয়ে জানতে প্রধান প্রকৌশলী জয়নাল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেন, ‘গতকাল উপাচার্য স্যার আমাকে জানান—লিফটের বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলীকে এক্সপার্ট হিসেবে গ্রিসে পাঠিয়েছি। আমি জানতে চাইলাম কবে যাবে। তিনি জবাবে বললেন, কাল অথবা পরশু। সঙ্গে আর কেউ যাচ্ছে কি না সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।’
প্রকল্প পরিচালক থাকাকালীন বিদেশ সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি উপাচার্য ভালো বলতে পারবেন। তবে আমি যতটুকু জানি, নতুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের ডিপিপিতে আছে—যারা ওয়ার্ক ওয়ার্ডার পাবে তারা চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিনিধি নিয়ে যাবেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘লিফটের বিষয়টা খুবই সেন্সিটিভ। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকগুলো লিফট এনেছে। যেখানে লিখা ছিল লিফট ১৪/১৫ জন বহন করতে পারবে। কিন্তু আনার পর সে পরিমাণে বহন করতে পারেনি। তাই অভিজ্ঞতা বিবেচনায় উনাকে পাঠিয়েছি। এছাড়া লিফট বিক্রেতা কোম্পানি আমাদেরকে প্রস্তাব দিয়েছে আমরা যেন এক্সাপার্টিজ পাঠাই।’
তিনি বলেন, ‘এতে আহামরি টাকা খরচ হবে না। অল্প কিছু টাকা খরচ করেও যদি আমরা ভালো জিনিসটা আনতে পারি, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভালো।’
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















