ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তুলে ধরা হলো কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আয়-ব্যয় ও উন্নয়ন অগ্রগতি কীর্তনখোলায় ফুল ভাসিয়ে ববি’র চাকমা শিক্ষার্থীদের ‘ফুল বিজু’ উদযাপন এবার আ.লীগপন্থী দুই শিক্ষকের দখলে থাকছে বেরোবির বইমেলার দায়িত্ব ২০ দিনের ছুটি নিয়ে তিন মাস যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালক সিসি ক্যামেরায় ৫ লাখ টাকার ঘুষ গ্রহণের দৃশ্য, ঢাকায় কোটি টাকার ফ্ল্যাট সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, চট্টগ্রাম পতেঙ্গা মডেল থানায় জিডি ভয়ংকর জাকারিয়া, রাজউক যেন দুর্নীতির ‘সেফ জোন’ রাজউকের ইমারত পরিদর্শক শামীম রেজার ‘ঘুষের হাটে’ নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মান লেকশোর কর্তৃপক্ষের দাপট ১০০ কোটির প্লট কিনল এক কোটিতে নকল মালিক সাজিয়ে গুলশানে সরকারি প্লট দখলে

নকল মালিক সাজিয়ে গুলশানে সরকারি প্লট দখলে

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও প্রতারণার জগতে তিনি অর্জন করেছেন বিশেষ খ্যাতি। নিজেকে পরিচয় দেয় কখনো  দেশ সেরা পারটেক্স গ্রুপের পরিচালক, কখনো আবুল খায়ের গ্রুপের পরিচালক। আবার কখনো জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক প্রকাশক হিসেবে। গুলশান, বনানী,ধানমন্ডিসহ অভিজাত এলাকায় তার অবাধ বিচরণ। সেই  সাথে সুপ্রীম কোর্টের  একাধিক প্রভাবশালী ব্যারিস্টার ও খ্যাতনামা আইনজীবিদের সাথে রয়েছে তার দহরম মহরম সম্পর্ক।

নানামুখি প্রতারণার মাধ্যমে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। রাজউকের বৈশাখী প্রকল্পের আওতায় থাকা গুলশানের  প্লট নং-সি ডব্লিও এন (বি)৮ রোড নং ৩৫ বাড়ি নং ৮ গুলশান ২ মডেল টাউন এর  ৩২ কাঠা জমির মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিচ্ছেন তিনি। সেই সাথে  রাজউকের প্রকল্পে থাকা ভবনসহ জমি বিক্রি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন এই মোতালেব ভূইয়া। রাজউকের বৈশাখী এপার্টমেন্ট প্রকল্পের নানা বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে আমাদের অনুসন্ধ্যানে ধরা পড়ে মোতালের ভূঁইয়ার প্রতারণার কাহিনী। যা রীতিমত বিস্ময়কর এক প্রতারণার কাহিনী। নকল মহিলাকে মালিক সাজিয়ে রাষ্ট্রের হাজার কোটি টাকার জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন, সেই সাথে শিক্ষগত নকল সনদে তিনি জাতীয় দৈনিকের  ডিক্লারেশন নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। মডিয়াভূক্ত করে সেই পত্রিকার ব্যানারে  সুপ্রীম কোর্টে গড়েছেন প্রভাব বলয়। মোতালেব ভূঁইয়ায়ার প্রতারণার  সেই সব কাহিনী নিয়ে আমাদের অনুসন্ধ্যানী ৩ পর্বের প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব।

জহিরা ওসমান শেখ মৃত না জীবিত

রাজউকের বৈশাখী প্রকল্পের আওতায় থাকা গুলশানের  প্লট নং-সি ডব্লিও এন (বি)৮ রোড নং ৩৫ বাড়ি নং ৮ গুলশান ২ মডেল টাউন এর  ৩২ কাঠা জমির মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিচ্ছেন মোতালেব ভূঁইয়া। শুধু পরিচয়ই দিচ্ছেন না। এই হাজার কোটি টাকা দামের সম্পদ বিক্রি করে দিতে এখন তিনি রীতিমত মরিয়া হয়ে উঠেছেন।   রাজউকের ফাইল ও তথ্য ঘেটে দেখা যায়, কথিত জমিরটির মূল দাবিদার একজন পাকিস্তানী নাগরিক। ১৯৬৪ সালে ডি আইটি থেকে পাকিস্তানী নাগরিক ওসমান শেখ এই জমিটি বরাদ্ধ পান। পরবর্তিতে সেই জমির মালিক হিসেবে সামনে আনা হয়   ওসমান শেখের কথিত স্ত্রী জহিরা ওসমান শেখ নামের একজন রহস্যময়ী নারীকে।  যার কাছ থেকে বর্তমান জমির দাবিদার মোতালেব ভূইয়া অখন্ড আম মোক্তার নামা গ্রহণ করে আদালতে মামলা লড়তে  শুরু করেন।  প্রতারণা আর টাকার জোরে তিনি একের পর এক মামলার রায় নিজের কব্জায় আনতে থাকেন।

অনুসন্ধ্যান বলছে এই জমিকে মোতালেব ভ’ইয়ার হাতে তুলে দিতে রাজউকের একশ্রেণীর দূর্নীতিববাজ কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের দূর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট মিলে একাকার হযে গেছে। এ কারণে রাজউকের শত কোটি টাকা বিনিযোগে গড়ে ওঠা এপার্টমেন্ট প্রকল্পসহ সব কিছু এখন দাবি করে চলেছে মোতালেব ভূইয়া। আর রাজউকের সংশ্লিষ্ট শাখা রযেছে একেবারেই নীরব হয়ে। সব চেয়ে বড় প্রশ্ন  ডিআইটি  থেকে বরাদ্ধ পাওয়া ওসমান শেখের স্ত্রী হিসেবে দেখানো মোতালেব ভ’ইয়াকে আম মোক্তার নামা প্রদানকারি জহিরা ওসমান শেখ মৃত না জীবিত সেই প্রশ্নটি রহস্যের আবৃত্তে ঘুর পাক খাচ্ছে। জহিরা ওসমান শেখ জীবিত না মৃত সেই প্রশ্নে মুখ খুলতে নারাজ মোতালেব ভূঁইয়া। অনুসন্ধ্যানে জানা যায়, ফেসিস্ট হাসিনার মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের প্রভাব খাটিয়ে মোতালেব ভূইয়া গুলাশানের একাধিক জমি, পত্রিকাসহ নানা ব্যবসা দখলে নেয়। নোয়াখালী অঞ্চলে বাড়ী হওয়ায় ওবায়দুল কাদেরের সময়ে সড়ক বিভাগের সচিব বেলায়েত হোসেনসহ অনেকের মাধ্যমে প্রতারণার নেটওয়ার্ক শক্ত ভাবে এগিয়ে নেন। ওবায়দুল কাদের তাকে নানাভাবে সহযোগিতা করেন।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়া যাওয়ার পরে অবস্থান বদল করে প্রতারক মোতালেব ভূঁইয়া। সে এই সময় রাজউকের বিরুদ্ধে আসল ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিজের পক্ষে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আদালতকে প্রভাবিত করতে চেষ্টা করে । এসব প্রতিবেদনে চেষ্টা করতে থাকে যে তার সম্পত্তিতে রাজউক রুপসা পারমেন্ট প্রকল্প করে তাকে ঠকিয়েছে। অথচ কোন প্রতিবেদনেই মূল মালিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে মরলে তার মৃত্যু সনদ কোথায় আর বেঁচে থাকলে তিনি কোথায় আছেন কেমন আছেন সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়নি। আমাদের অনুসন্ধান বলছে জহিরা ওসমান শেখ নামে যে মহিলা কে মালিক সাজিয়ে সুদরপ্রাসারি প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে এই মোতালেব ভূঁইয়া তাতে কোন সন্দেহ নাই ।

এসব জাল জালিয়াতির কাজে সে ব্যবহার করেছে তার নিজের নামে ডিক্লারেশন থাকা দৈনিক ভোরের আলো পত্রিকা, এ পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক তিনি। অথচ সরকারের মিডিয়া ভুক্ত এই পত্রিকাটি নিজ নামে নিতে গ্রহণ করেছে এক ভয়াবহ প্রতারণার পদ্ধতি।  মোতালেব ভূঁইয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে যে শিক্ষা  সনদ ব্যবহার করেছেন সেটিও জাল সনদ। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা করে তার ব্যবহৃত সনদ জালিয়াতির সত্যতা পাওয়া গেছে। যার প্রমাণ গণমাধ্যমের হাতে রয়েছে।  এ ব্যাপারে তাকে  ফোন করা কলে তিনি সব প্রশ্নের উত্তর এরিয়ে যান। এক পর্যায়ে সে এই রিপোটারের সাথে রূঢ় আচারণ করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তুলে ধরা হলো কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আয়-ব্যয় ও উন্নয়ন অগ্রগতি

নকল মালিক সাজিয়ে গুলশানে সরকারি প্লট দখলে

আপডেট সময় ০১:০২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও প্রতারণার জগতে তিনি অর্জন করেছেন বিশেষ খ্যাতি। নিজেকে পরিচয় দেয় কখনো  দেশ সেরা পারটেক্স গ্রুপের পরিচালক, কখনো আবুল খায়ের গ্রুপের পরিচালক। আবার কখনো জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক প্রকাশক হিসেবে। গুলশান, বনানী,ধানমন্ডিসহ অভিজাত এলাকায় তার অবাধ বিচরণ। সেই  সাথে সুপ্রীম কোর্টের  একাধিক প্রভাবশালী ব্যারিস্টার ও খ্যাতনামা আইনজীবিদের সাথে রয়েছে তার দহরম মহরম সম্পর্ক।

নানামুখি প্রতারণার মাধ্যমে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। রাজউকের বৈশাখী প্রকল্পের আওতায় থাকা গুলশানের  প্লট নং-সি ডব্লিও এন (বি)৮ রোড নং ৩৫ বাড়ি নং ৮ গুলশান ২ মডেল টাউন এর  ৩২ কাঠা জমির মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিচ্ছেন তিনি। সেই সাথে  রাজউকের প্রকল্পে থাকা ভবনসহ জমি বিক্রি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন এই মোতালেব ভূইয়া। রাজউকের বৈশাখী এপার্টমেন্ট প্রকল্পের নানা বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে আমাদের অনুসন্ধ্যানে ধরা পড়ে মোতালের ভূঁইয়ার প্রতারণার কাহিনী। যা রীতিমত বিস্ময়কর এক প্রতারণার কাহিনী। নকল মহিলাকে মালিক সাজিয়ে রাষ্ট্রের হাজার কোটি টাকার জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন, সেই সাথে শিক্ষগত নকল সনদে তিনি জাতীয় দৈনিকের  ডিক্লারেশন নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। মডিয়াভূক্ত করে সেই পত্রিকার ব্যানারে  সুপ্রীম কোর্টে গড়েছেন প্রভাব বলয়। মোতালেব ভূঁইয়ায়ার প্রতারণার  সেই সব কাহিনী নিয়ে আমাদের অনুসন্ধ্যানী ৩ পর্বের প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব।

জহিরা ওসমান শেখ মৃত না জীবিত

রাজউকের বৈশাখী প্রকল্পের আওতায় থাকা গুলশানের  প্লট নং-সি ডব্লিও এন (বি)৮ রোড নং ৩৫ বাড়ি নং ৮ গুলশান ২ মডেল টাউন এর  ৩২ কাঠা জমির মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিচ্ছেন মোতালেব ভূঁইয়া। শুধু পরিচয়ই দিচ্ছেন না। এই হাজার কোটি টাকা দামের সম্পদ বিক্রি করে দিতে এখন তিনি রীতিমত মরিয়া হয়ে উঠেছেন।   রাজউকের ফাইল ও তথ্য ঘেটে দেখা যায়, কথিত জমিরটির মূল দাবিদার একজন পাকিস্তানী নাগরিক। ১৯৬৪ সালে ডি আইটি থেকে পাকিস্তানী নাগরিক ওসমান শেখ এই জমিটি বরাদ্ধ পান। পরবর্তিতে সেই জমির মালিক হিসেবে সামনে আনা হয়   ওসমান শেখের কথিত স্ত্রী জহিরা ওসমান শেখ নামের একজন রহস্যময়ী নারীকে।  যার কাছ থেকে বর্তমান জমির দাবিদার মোতালেব ভূইয়া অখন্ড আম মোক্তার নামা গ্রহণ করে আদালতে মামলা লড়তে  শুরু করেন।  প্রতারণা আর টাকার জোরে তিনি একের পর এক মামলার রায় নিজের কব্জায় আনতে থাকেন।

অনুসন্ধ্যান বলছে এই জমিকে মোতালেব ভ’ইয়ার হাতে তুলে দিতে রাজউকের একশ্রেণীর দূর্নীতিববাজ কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের দূর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট মিলে একাকার হযে গেছে। এ কারণে রাজউকের শত কোটি টাকা বিনিযোগে গড়ে ওঠা এপার্টমেন্ট প্রকল্পসহ সব কিছু এখন দাবি করে চলেছে মোতালেব ভূইয়া। আর রাজউকের সংশ্লিষ্ট শাখা রযেছে একেবারেই নীরব হয়ে। সব চেয়ে বড় প্রশ্ন  ডিআইটি  থেকে বরাদ্ধ পাওয়া ওসমান শেখের স্ত্রী হিসেবে দেখানো মোতালেব ভ’ইয়াকে আম মোক্তার নামা প্রদানকারি জহিরা ওসমান শেখ মৃত না জীবিত সেই প্রশ্নটি রহস্যের আবৃত্তে ঘুর পাক খাচ্ছে। জহিরা ওসমান শেখ জীবিত না মৃত সেই প্রশ্নে মুখ খুলতে নারাজ মোতালেব ভূঁইয়া। অনুসন্ধ্যানে জানা যায়, ফেসিস্ট হাসিনার মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের প্রভাব খাটিয়ে মোতালেব ভূইয়া গুলাশানের একাধিক জমি, পত্রিকাসহ নানা ব্যবসা দখলে নেয়। নোয়াখালী অঞ্চলে বাড়ী হওয়ায় ওবায়দুল কাদেরের সময়ে সড়ক বিভাগের সচিব বেলায়েত হোসেনসহ অনেকের মাধ্যমে প্রতারণার নেটওয়ার্ক শক্ত ভাবে এগিয়ে নেন। ওবায়দুল কাদের তাকে নানাভাবে সহযোগিতা করেন।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়া যাওয়ার পরে অবস্থান বদল করে প্রতারক মোতালেব ভূঁইয়া। সে এই সময় রাজউকের বিরুদ্ধে আসল ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিজের পক্ষে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আদালতকে প্রভাবিত করতে চেষ্টা করে । এসব প্রতিবেদনে চেষ্টা করতে থাকে যে তার সম্পত্তিতে রাজউক রুপসা পারমেন্ট প্রকল্প করে তাকে ঠকিয়েছে। অথচ কোন প্রতিবেদনেই মূল মালিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে মরলে তার মৃত্যু সনদ কোথায় আর বেঁচে থাকলে তিনি কোথায় আছেন কেমন আছেন সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়নি। আমাদের অনুসন্ধান বলছে জহিরা ওসমান শেখ নামে যে মহিলা কে মালিক সাজিয়ে সুদরপ্রাসারি প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে এই মোতালেব ভূঁইয়া তাতে কোন সন্দেহ নাই ।

এসব জাল জালিয়াতির কাজে সে ব্যবহার করেছে তার নিজের নামে ডিক্লারেশন থাকা দৈনিক ভোরের আলো পত্রিকা, এ পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক তিনি। অথচ সরকারের মিডিয়া ভুক্ত এই পত্রিকাটি নিজ নামে নিতে গ্রহণ করেছে এক ভয়াবহ প্রতারণার পদ্ধতি।  মোতালেব ভূঁইয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে যে শিক্ষা  সনদ ব্যবহার করেছেন সেটিও জাল সনদ। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা করে তার ব্যবহৃত সনদ জালিয়াতির সত্যতা পাওয়া গেছে। যার প্রমাণ গণমাধ্যমের হাতে রয়েছে।  এ ব্যাপারে তাকে  ফোন করা কলে তিনি সব প্রশ্নের উত্তর এরিয়ে যান। এক পর্যায়ে সে এই রিপোটারের সাথে রূঢ় আচারণ করেন।