ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জ্বালানি সংকটে দেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে : অর্থমন্ত্রী ঘাস কাটতে গিয়ে ভারতে বন্দী, ১১ মাস পরে ফিরলো লাশ হয়ে ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকান বসানো বন্ধে সরকারের কঠোর হুঁশিয়ারি মেঘনায় লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে গেল বালুবাহী বাল্কহেড চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন লক্ষ্মীপুরের মনির আহম্মদ রাজন এবার মিয়ানমারে পাচারের সময় ৬ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ বিএনপি জুলাইযুদ্ধকে স্বীকার করে না- এটা ডাহা মিথ্যা কথা বাবার চিকিৎসা করাতে যাওয়ার পথে সড়কে প্রাণ গেল ছেলের রোববার থেকে পুঁজিবাজারে লেনদেন ১০টা থেকে ২টা হামদর্দের নতুন পণ্য আমরূপালি কালোজিরা ম্যাংগো বার এবং আমরূপালি সুইট ম্যাংগো বারের লঞ্চিং অনুষ্ঠিত। 

স্ত্রীকে মৃত দেখিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে

রাজশাহী বাগমারার
জীবিত স্ত্রীকে মৃত বলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে দ্বিতীয় বিয়ে করেন প্রতারক এমরান আলী নামে এক আনসার ভিডিপি সদস্য। তার বাড়ি বাগমারার আউচপাড়া ইউনিয়নের তকিপুর গ্রামে। বাবার নাম আক্কাছ আলী। সে বগুড়ার শাজাহানপুরে আনসার ভিডিপি অফিসে কর্মরত। তার প্রতারিত দ্বিতীয় স্ত্রী আছমা বেগম স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে শ্বশুর বাড়িতে আসলে প্রতারক স্বামী, সতীন ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ির হাতে মারধরের শিকার হন। শুক্রবার বাগমারা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আছমা বেগম।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আছমা বেগম দাবি করেন, তিনি বগুড়া সদরে টিএমএসএস নামে একটি এনজিওতে চাকরি করেন। তার জন্মস্থান গাইবান্দার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম গ্রামে। পিতা  আফাজ উদ্দিন।
চাকরি করার সুবাদে বগুড়া সদরে আনসার ভিডিপি অফিসে কর্মরত আনসার ভিডিপি সদস্য এমরান আলীর সঙ্গে চার বছর আগে তার পরিচয় হয়। প্রথম স্ত্রী মারা গেছে বলে এমরান আলী মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। সেই প্রেমের সম্পর্ককে চিরস্থায়ী করতে দুই বছর আগে রাজশাহী নোটারী পাবলিকে এফিডেভিট করে তাদের বিয়ে হয়। এছাড়া হাটগাঙ্গোপাড়া কাজী অফিসে গিয়ে তিন লক্ষ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিবাহ রেজিস্ট্রি করা হয়। এরপর থেকেই তারা বগুড়া সদরে একটি ভাড়া বাসায় সংসার শুরু করেন।
এরপর এমরান আলী তার কাছে থেকে বেতন ও স্বর্ণ বিক্রয়ের সাত লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া তার (আছমা) নামে একটি এনজিও থেকে ৬০ হাজার টাকা লোন নিয়ে এমরান আলী ঈদের কয়েক দিন আগে তাকে কোনকিছু না জানিয়ে নিরুদ্ধেশ হয়ে যায়। এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়। এরপর স্বামীর খোঁজে গত বৃহস্পতিবার আছমা বেগম বাগমারার তকিপুর গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে এসে জানতে পারেন এমরানের প্রথম স্ত্রী জীবিত আছে এবং তার দুটি সন্তানও রয়েছে। এ সময় স্ত্রী অধিকার নিয়ে ভুক্তভোগী আছমা বেগম ঘরের মধ্যে প্রবেশের চেষ্টার করলে প্রতারক স্বামী, সতীন ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ি তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকটে দেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

স্ত্রীকে মৃত দেখিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে

আপডেট সময় ০৪:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজশাহী বাগমারার
জীবিত স্ত্রীকে মৃত বলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে দ্বিতীয় বিয়ে করেন প্রতারক এমরান আলী নামে এক আনসার ভিডিপি সদস্য। তার বাড়ি বাগমারার আউচপাড়া ইউনিয়নের তকিপুর গ্রামে। বাবার নাম আক্কাছ আলী। সে বগুড়ার শাজাহানপুরে আনসার ভিডিপি অফিসে কর্মরত। তার প্রতারিত দ্বিতীয় স্ত্রী আছমা বেগম স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে শ্বশুর বাড়িতে আসলে প্রতারক স্বামী, সতীন ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ির হাতে মারধরের শিকার হন। শুক্রবার বাগমারা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আছমা বেগম।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আছমা বেগম দাবি করেন, তিনি বগুড়া সদরে টিএমএসএস নামে একটি এনজিওতে চাকরি করেন। তার জন্মস্থান গাইবান্দার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম গ্রামে। পিতা  আফাজ উদ্দিন।
চাকরি করার সুবাদে বগুড়া সদরে আনসার ভিডিপি অফিসে কর্মরত আনসার ভিডিপি সদস্য এমরান আলীর সঙ্গে চার বছর আগে তার পরিচয় হয়। প্রথম স্ত্রী মারা গেছে বলে এমরান আলী মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। সেই প্রেমের সম্পর্ককে চিরস্থায়ী করতে দুই বছর আগে রাজশাহী নোটারী পাবলিকে এফিডেভিট করে তাদের বিয়ে হয়। এছাড়া হাটগাঙ্গোপাড়া কাজী অফিসে গিয়ে তিন লক্ষ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিবাহ রেজিস্ট্রি করা হয়। এরপর থেকেই তারা বগুড়া সদরে একটি ভাড়া বাসায় সংসার শুরু করেন।
এরপর এমরান আলী তার কাছে থেকে বেতন ও স্বর্ণ বিক্রয়ের সাত লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া তার (আছমা) নামে একটি এনজিও থেকে ৬০ হাজার টাকা লোন নিয়ে এমরান আলী ঈদের কয়েক দিন আগে তাকে কোনকিছু না জানিয়ে নিরুদ্ধেশ হয়ে যায়। এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়। এরপর স্বামীর খোঁজে গত বৃহস্পতিবার আছমা বেগম বাগমারার তকিপুর গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে এসে জানতে পারেন এমরানের প্রথম স্ত্রী জীবিত আছে এবং তার দুটি সন্তানও রয়েছে। এ সময় স্ত্রী অধিকার নিয়ে ভুক্তভোগী আছমা বেগম ঘরের মধ্যে প্রবেশের চেষ্টার করলে প্রতারক স্বামী, সতীন ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ি তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়।