ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায়  গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যা অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে বিদেশি পিস্তলসহ ২ জন গ্রেপ্তার ৩ কোটি টাকায় পরিচালক পদ বাগানোর দাবি উপসচিব আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে বালিয়াডাঙ্গীতে ৭ একর কবরস্থান দখলের অভিযোগে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ কুড়িগ্রামে গোপন নিলামের অভিযোগ: ২১টির বদলে কাটা হয়েছে ২৮টি গাছ বন কর্মকর্তা দেলোয়ার ও আবিরের বিরুদ্ধে সরকারি কাঠ পাচারে মাসে অর্ধ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদপুর–বসিলা রোডের ডিভাইডার নির্মাণে অনিয়মে উত্তাল এলাকাবাসী খাগড়াছড়িতে শতবর্ষী মাতৃবৃক্ষ পাচারের মহোৎসবে মেতেছে জামতলী চেক স্টেশন কর্মকর্তা তমিজ উদ্দিন জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব: গোয়াইনঘাটে প্রতিপক্ষের হামলায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু টাঙ্গাইলে পুকুরে ডুবে দুই মাদরাসা ছাত্রীর মৃত্যু

মোহাম্মদপুর–বসিলা রোডের ডিভাইডার নির্মাণে অনিয়মে উত্তাল এলাকাবাসী

সাইড ইঞ্জিনিয়ার “শুভ”-এর বিরুদ্ধে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ, তদন্তের দাবি এলাকাবাসী
রাজধানীর মোহাম্মদপুর–বসিলা রোডের ডিভাইডার নির্মাণকাজে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও নেতাকর্মীদের দাবি, সরকারি অর্থে নির্মিত এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবকাঠামোর কাজে যথাযথ মান বজায় রাখা হচ্ছে না, যার ফলে নির্মাণের কিছুদিনের মধ্যেই ডিভাইডারের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ভাঙন দেখা দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে দৈনিক দিনবদলের জাতীয় কাগজ আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার পক্ষ থেকে সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করতে দেখা যায়, ডিভাইডারের কিছু অংশে নির্মাণকাজের মান নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এবং অনেকের ধারণা রড ও সিমেন্ট সঠিকভাবে ব্যবহার না করার কারণেই কিছু অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একজন ব্যক্তি নিজেকে সাইড ইঞ্জিনিয়ার “শুভ” বলে পরিচয় দিয়েছেন এবং তিনিই মূলত এই নির্মাণকাজের তদারকি করছেন। তবে সাংবাদিকরা যখন তার কাছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা এবং মালিকের পরিচয় জানতে চায়, তখন তিনি তা প্রকাশ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। এমনকি কোম্পানির কোনো যোগাযোগ নম্বর বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির তথ্য দিতেও তিনি অস্বীকৃতি জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আপনারা চাইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজেরা খুঁজে নিতে পারেন, আমি কোনো যোগাযোগ নম্বর দিতে পারবো না। আমি যদি দিই, আমার চাকরি চলে যাবে।” তার এ ধরনের বক্তব্য এলাকাবাসীর মধ্যে আরও সন্দেহ ও প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, জনগণের করের টাকায় নির্মিত রাস্তা ও ডিভাইডারের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে যদি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না এবং এতে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় ঘটবে। তারা বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ গণমাধ্যমে উঠে এসেছে এবং বিগত সরকারের আমলে কিছু অসাধু ঠিকাদার রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করে অবকাঠামো নির্মাণের ঘটনাও দেশজুড়ে আলোচিত হয়েছিল। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই দুর্নীতির সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি এখনো কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে এবং গত প্রায় ১৭ বছরে যে ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠেছে তার প্রভাব এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে তারা মনে করেন।
এলাকাবাসী আরও বলেন, বর্তমানে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার পরও যদি এ ধরনের অনিয়ম চলতে থাকে তাহলে তা সরকারের ভাবমূর্তির জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। তাই তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সঠিকভাবে তদারকি করে যদি কাজের মান নিশ্চিত করা হয় তাহলে জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগও কমে আসবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়ার চেষ্টা করা হলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে উপস্থিত প্রতিবেদকের কাছে এলাকাবাসীর কয়েকজন জানান, কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের বিষয়টি তারা নিজের চোখে দেখেছেন। এ সংক্রান্ত কিছু ভিডিও ফুটেজ ও প্রাথমিক তথ্য প্রতিবেদকের কাছেও সংরক্ষিত রয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এছাড়াও স্থানীয়
বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ার ও সড়কের কাজ যারা করে থাকেন
তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় ভালো পরিমাণ অনেক বেশি সিমেন্ট কম দেওয়াই
এলাকাবাসী গুরুত্ব অভিযোগ করে গণমাধ্যম পুলিশ প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান
ষষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে এই কাজটি যাতে সফলভাবে সম্পূর্ণ করা হয় ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায়  গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যা অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

মোহাম্মদপুর–বসিলা রোডের ডিভাইডার নির্মাণে অনিয়মে উত্তাল এলাকাবাসী

আপডেট সময় ০১:২২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

সাইড ইঞ্জিনিয়ার “শুভ”-এর বিরুদ্ধে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ, তদন্তের দাবি এলাকাবাসী
রাজধানীর মোহাম্মদপুর–বসিলা রোডের ডিভাইডার নির্মাণকাজে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও নেতাকর্মীদের দাবি, সরকারি অর্থে নির্মিত এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবকাঠামোর কাজে যথাযথ মান বজায় রাখা হচ্ছে না, যার ফলে নির্মাণের কিছুদিনের মধ্যেই ডিভাইডারের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ভাঙন দেখা দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে দৈনিক দিনবদলের জাতীয় কাগজ আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার পক্ষ থেকে সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করতে দেখা যায়, ডিভাইডারের কিছু অংশে নির্মাণকাজের মান নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এবং অনেকের ধারণা রড ও সিমেন্ট সঠিকভাবে ব্যবহার না করার কারণেই কিছু অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একজন ব্যক্তি নিজেকে সাইড ইঞ্জিনিয়ার “শুভ” বলে পরিচয় দিয়েছেন এবং তিনিই মূলত এই নির্মাণকাজের তদারকি করছেন। তবে সাংবাদিকরা যখন তার কাছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা এবং মালিকের পরিচয় জানতে চায়, তখন তিনি তা প্রকাশ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। এমনকি কোম্পানির কোনো যোগাযোগ নম্বর বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির তথ্য দিতেও তিনি অস্বীকৃতি জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আপনারা চাইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজেরা খুঁজে নিতে পারেন, আমি কোনো যোগাযোগ নম্বর দিতে পারবো না। আমি যদি দিই, আমার চাকরি চলে যাবে।” তার এ ধরনের বক্তব্য এলাকাবাসীর মধ্যে আরও সন্দেহ ও প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, জনগণের করের টাকায় নির্মিত রাস্তা ও ডিভাইডারের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে যদি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না এবং এতে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় ঘটবে। তারা বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ গণমাধ্যমে উঠে এসেছে এবং বিগত সরকারের আমলে কিছু অসাধু ঠিকাদার রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করে অবকাঠামো নির্মাণের ঘটনাও দেশজুড়ে আলোচিত হয়েছিল। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই দুর্নীতির সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি এখনো কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে এবং গত প্রায় ১৭ বছরে যে ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠেছে তার প্রভাব এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে তারা মনে করেন।
এলাকাবাসী আরও বলেন, বর্তমানে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার পরও যদি এ ধরনের অনিয়ম চলতে থাকে তাহলে তা সরকারের ভাবমূর্তির জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। তাই তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সঠিকভাবে তদারকি করে যদি কাজের মান নিশ্চিত করা হয় তাহলে জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগও কমে আসবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়ার চেষ্টা করা হলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে উপস্থিত প্রতিবেদকের কাছে এলাকাবাসীর কয়েকজন জানান, কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের বিষয়টি তারা নিজের চোখে দেখেছেন। এ সংক্রান্ত কিছু ভিডিও ফুটেজ ও প্রাথমিক তথ্য প্রতিবেদকের কাছেও সংরক্ষিত রয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এছাড়াও স্থানীয়
বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ার ও সড়কের কাজ যারা করে থাকেন
তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় ভালো পরিমাণ অনেক বেশি সিমেন্ট কম দেওয়াই
এলাকাবাসী গুরুত্ব অভিযোগ করে গণমাধ্যম পুলিশ প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান
ষষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে এই কাজটি যাতে সফলভাবে সম্পূর্ণ করা হয় ।