সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

বিতর্কিত সেই নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেনের বদলি

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সাউন্ড সিস্টেম বিভ্রাট ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম-৭) মো. আনোয়ার হোসেনকে বদলি করা হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেনকে গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-১২, ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। তাকে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন। পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি নতুন কর্মস্থলেই দায়িত্ব পালন করবেন।

গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। উদ্বোধনী অধিবেশনেই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদসহ সংসদ সদস্যরা সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোনে মারাত্মক বিভ্রাটের সম্মুখীন হন। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একপর্যায়ে স্পিকার হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করে অধিবেশন মুলতবি করতে বাধ্য হন। নতুন সংসদের প্রথম দিনেই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় সংসদ সদস্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ নিয়ে গত ১৪ মার্চ দৈনিক কালবেলায় ‘অদক্ষ হাতে সংসদের সাউন্ড, মাইকে ফুটে উঠল লজ্জা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

সাউন্ড সিস্টেমের এই বিপর্যয় কোনো ‘সাবোটাজ’ বা অন্তর্ঘাতমূলক কি না, তা খতিয়ে দেখতে গত ২৮ মার্চ একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে সংসদীয় কমিটি। কমিটিকে আগামী ৩ এপ্রিলের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন এবং কমিটি গঠনের মাত্র চার দিনের মাথায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এই প্রকৌশলীকে বদলি করা হলো।

গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শব্দযন্ত্রের স্থায়ী সমাধান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের লজ্জাজনক পরিস্থিতি এড়াতে তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

বিতর্কিত সেই নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেনের বদলি

আপডেট সময় ০৮:০৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সাউন্ড সিস্টেম বিভ্রাট ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম-৭) মো. আনোয়ার হোসেনকে বদলি করা হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেনকে গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-১২, ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। তাকে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন। পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি নতুন কর্মস্থলেই দায়িত্ব পালন করবেন।

গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। উদ্বোধনী অধিবেশনেই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদসহ সংসদ সদস্যরা সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোনে মারাত্মক বিভ্রাটের সম্মুখীন হন। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একপর্যায়ে স্পিকার হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করে অধিবেশন মুলতবি করতে বাধ্য হন। নতুন সংসদের প্রথম দিনেই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় সংসদ সদস্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ নিয়ে গত ১৪ মার্চ দৈনিক কালবেলায় ‘অদক্ষ হাতে সংসদের সাউন্ড, মাইকে ফুটে উঠল লজ্জা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

সাউন্ড সিস্টেমের এই বিপর্যয় কোনো ‘সাবোটাজ’ বা অন্তর্ঘাতমূলক কি না, তা খতিয়ে দেখতে গত ২৮ মার্চ একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে সংসদীয় কমিটি। কমিটিকে আগামী ৩ এপ্রিলের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন এবং কমিটি গঠনের মাত্র চার দিনের মাথায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এই প্রকৌশলীকে বদলি করা হলো।

গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শব্দযন্ত্রের স্থায়ী সমাধান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের লজ্জাজনক পরিস্থিতি এড়াতে তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।