ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাতিরপুলে দোকানে আগুন, ৪ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে শাড়িতে রেট্রো লুকে মারিয়া শান্তর বাজিমাত মুলতবি সংসদ শুরু, মুখোমুখি সরকারি ও বিরোধী দল দুবাইয়ে কুয়েতের তেল ট্যাংকারে হামলা রংপুরে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও কাগজপত্র ছাড়া জ্বালানি তেল সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা ফুলবাড়ীতে সর্দি, জ্বর ও ডায়েরিয়ার প্রাদুর্ভাবে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে রোগীর চাপ বুকজুড়ে সবুজের সমারোহ কৃষকের মুখে হাসি  নোয়াখালী জেলা ক্রীড়া সংস্থার কারাতে কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে আশরাফুল আলম সুমনকে ফুলেল শুভেচ্ছা নির্বাচন কমিশন ও শ্রম অধিদপ্তরের বিধি-বিধান অমান্য করায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির ৮ সদস্যকে বহিষ্কার নওগাঁয় গ্যারেজে থাকা বাসের  ভেতর থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার

শার্শায় পিআইও’র বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ: তদন্তের দাবি

যশোরের শার্শা উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জুর বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিজের লোক দিয়ে বাস্তবায়ন করে মোটা অংকের বানিজ্য করছেন দীর্ঘদিন ধরে। ইউনিয়নের পরিষদের বেশ ক’জন জনপ্রতিনিধি এই প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন।

শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য রেহেনা খাতুন জানান, গত প্রায় এক বছর ধরে তাকে উপজেলা কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প সংক্রান্ত কাগজপত্রে শুধুমাত্র স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তবে এসব প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অভিযোগকারীর অভিযোগ ভিডিও আকারে এ প্রতিনিধির কাছে সংরক্ষিত আছে।

 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার জানামতে শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু এবং শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নুরুজ্জামান পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে টেন্ডারের আড়ালে প্রকল্পগুলো অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করেছেন। এ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

প্রকল্প কর্মকর্তা টিআর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্প গুলো থেকে ভূয়া সদস্য বানিয়ে তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। তার নিজের ত্বত্বাবধানে বেনাপোল পৌর গেট রং, ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্প, শার্শা উপজেলা পরিষদ পার্ক, সহ বেশ কছিু প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

প্রকল্প কর্মকর্তা একই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করায় এ ধরনের অনিয়ম করা সম্ভব হচ্ছে। তিনি উপরিমহলে দেনদরবার করে এ ধরনের দূর্নীতি করছেন অবাধে। যার নিরপেক্ষ তদন্ত প্রযোজন। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

শার্শা উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু জানান, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। আনেকই শত্রুতাবশত আমার বিরুদ্ধে সাংবাকিদদের কাছে ভূল তথ্য সরবরাহ করা করেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতিরপুলে দোকানে আগুন, ৪ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

শার্শায় পিআইও’র বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ: তদন্তের দাবি

আপডেট সময় ০২:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জুর বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিজের লোক দিয়ে বাস্তবায়ন করে মোটা অংকের বানিজ্য করছেন দীর্ঘদিন ধরে। ইউনিয়নের পরিষদের বেশ ক’জন জনপ্রতিনিধি এই প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন।

শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য রেহেনা খাতুন জানান, গত প্রায় এক বছর ধরে তাকে উপজেলা কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প সংক্রান্ত কাগজপত্রে শুধুমাত্র স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তবে এসব প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অভিযোগকারীর অভিযোগ ভিডিও আকারে এ প্রতিনিধির কাছে সংরক্ষিত আছে।

 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার জানামতে শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু এবং শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নুরুজ্জামান পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে টেন্ডারের আড়ালে প্রকল্পগুলো অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করেছেন। এ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

প্রকল্প কর্মকর্তা টিআর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্প গুলো থেকে ভূয়া সদস্য বানিয়ে তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। তার নিজের ত্বত্বাবধানে বেনাপোল পৌর গেট রং, ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্প, শার্শা উপজেলা পরিষদ পার্ক, সহ বেশ কছিু প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

প্রকল্প কর্মকর্তা একই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করায় এ ধরনের অনিয়ম করা সম্ভব হচ্ছে। তিনি উপরিমহলে দেনদরবার করে এ ধরনের দূর্নীতি করছেন অবাধে। যার নিরপেক্ষ তদন্ত প্রযোজন। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

শার্শা উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু জানান, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। আনেকই শত্রুতাবশত আমার বিরুদ্ধে সাংবাকিদদের কাছে ভূল তথ্য সরবরাহ করা করেছে।