ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর
২০ লক্ষ টাকা উৎকোচে শামীম রেজার ধূমঘাট পোস্টিং

বন বিভাগের দুর্নীতির নেপথ্যে বন সংরক্ষক ও ডিএফও সিন্ডিকেট

​চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের লোভনীয় ধূমঘাট বনজদ্রব্য চেক স্টেশনে বদলীকে কেন্দ্র করে বন সংরক্ষক মোল্যা রেজাউল করিম এবং ডেপুটি রেঞ্জার  মো. শামীম রেজার মধ্যে ২০ লক্ষ টাকার বিশাল অংকের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে বন বিভাগে কর্মরত থেকে শামীম রেজা বিভিন্ন রেঞ্জে উন্নয়নমূলক কাজের টাকা আত্মসাৎ করে এক বিতর্কিত নজির সৃষ্টি করেছেন। ইতিপূর্বে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের হাছনাবাদ রেঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এফসিভি সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও ঋণের টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন, যা পরবর্তীতে তৎকালীন ডিএফও এস এম কায়চার নিজের পকেট থেকে মেটাতে বাধ্য হন। এরপর উপকূলীয় বন বিভাগের কুতুবদিয়া রেঞ্জে থাকাকালীন ২০২১-২২ অর্থবছরে মাচাং টাইপ ব্যারাক মেরামতের নামে বরাদ্দকৃত ১৪ লক্ষ টাকা এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে মাটি ভরাট ও অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণের ১০ লক্ষ টাকা কোনো কাজ না করেই ভুয়া বিলের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন তিনি।

শামীম রেজাকে পরবর্তীতে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে বদলি করা হলে তার উত্তরসূরি মো. আব্দুর রাজ্জাক একাধিক অনিয়ম চিহ্নিত করে ডিএফওর কাছে প্রতিবেদন দাখিল করলেও রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অভিযোগ উঠেছে যে, বন সংরক্ষক মোল্যা রেজাউল করিম এবং ডিএফও এম এ হাসানের প্রত্যক্ষ মদতে শামীম রেজা পার পেয়ে যাচ্ছেন এবং উচ্চমূল্যে পদায়ন বাগিয়ে নিচ্ছেন।

এই বিষয়ে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলামের সাথে আলাপকালে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে জানান যে, মূলত বন সংরক্ষকের বিশেষ সুপারিশেই শামীম রেজাকে এই গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে পদায়ন করা হয়েছে, যা বন বিভাগে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ারই নামান্তর।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

২০ লক্ষ টাকা উৎকোচে শামীম রেজার ধূমঘাট পোস্টিং

বন বিভাগের দুর্নীতির নেপথ্যে বন সংরক্ষক ও ডিএফও সিন্ডিকেট

আপডেট সময় ০৩:১২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

​চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের লোভনীয় ধূমঘাট বনজদ্রব্য চেক স্টেশনে বদলীকে কেন্দ্র করে বন সংরক্ষক মোল্যা রেজাউল করিম এবং ডেপুটি রেঞ্জার  মো. শামীম রেজার মধ্যে ২০ লক্ষ টাকার বিশাল অংকের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে বন বিভাগে কর্মরত থেকে শামীম রেজা বিভিন্ন রেঞ্জে উন্নয়নমূলক কাজের টাকা আত্মসাৎ করে এক বিতর্কিত নজির সৃষ্টি করেছেন। ইতিপূর্বে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের হাছনাবাদ রেঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এফসিভি সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও ঋণের টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন, যা পরবর্তীতে তৎকালীন ডিএফও এস এম কায়চার নিজের পকেট থেকে মেটাতে বাধ্য হন। এরপর উপকূলীয় বন বিভাগের কুতুবদিয়া রেঞ্জে থাকাকালীন ২০২১-২২ অর্থবছরে মাচাং টাইপ ব্যারাক মেরামতের নামে বরাদ্দকৃত ১৪ লক্ষ টাকা এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে মাটি ভরাট ও অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণের ১০ লক্ষ টাকা কোনো কাজ না করেই ভুয়া বিলের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন তিনি।

শামীম রেজাকে পরবর্তীতে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে বদলি করা হলে তার উত্তরসূরি মো. আব্দুর রাজ্জাক একাধিক অনিয়ম চিহ্নিত করে ডিএফওর কাছে প্রতিবেদন দাখিল করলেও রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অভিযোগ উঠেছে যে, বন সংরক্ষক মোল্যা রেজাউল করিম এবং ডিএফও এম এ হাসানের প্রত্যক্ষ মদতে শামীম রেজা পার পেয়ে যাচ্ছেন এবং উচ্চমূল্যে পদায়ন বাগিয়ে নিচ্ছেন।

এই বিষয়ে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলামের সাথে আলাপকালে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে জানান যে, মূলত বন সংরক্ষকের বিশেষ সুপারিশেই শামীম রেজাকে এই গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে পদায়ন করা হয়েছে, যা বন বিভাগে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ারই নামান্তর।