ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে জেলা পুলিশের দুঃসাহসিক অভিযান দালালবিহীন কনস্টেবল নিয়োগে ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশি সতর্কতা মুরাদনগরের জিলানী সৌদি আরবে নিহত,দ্রুত লাশ পেতে পরিবারের আকুতি। বগুড়ার শেরপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দেবরের বিরুদ্ধে মামলা প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় নয় : কৃষিমন্ত্রী হরমুজের দায়িত্বে থাকা নৌ-কমান্ডার তাঙসিরির নিহতের তথ্য স্বীকার করল ইরান সংসদ ভবন এলাকায় ঘোলা পানি, পেটে সমস্যা হয়েছে চিফ হুইপের সখিপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু বোরহানউদ্দিনে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন-প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজ ঘরে ফিরতে চান নাজমা-নুরেআলম আত্রাইয়ে ছিনতাই ঘটনায় রাজশাহী থেকে দুই অপরাধী গ্রেফতার

বোরহানউদ্দিনে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন-প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজ ঘরে ফিরতে চান নাজমা-নুরেআলম

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে এক অমানবিক চিত্র ফুটে উঠেছে। নিজের পৈতৃক ভিটেমাটি থাকতেও আজ খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে এক অসহায় পরিবারকে। আপন ভাতিজা ও তার সহযোগীদের বাধার মুখে বসত ঘরে উঠতে পারছেন না ভুক্তভোগী নাজমা বেগম ও নুরে আলম।
গত (২৭ মার্চ ২০২৬) হইতে কয়েকদিন ধরে মশারী টানিয়ে রোদ-বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা, কিন্তু মেলেনি কোনো প্রতিকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মজিদ আলী রাড়ী বাড়ির বাসিন্দা নাজমা ও নুরে আলম তাদের দীর্ঘদিনের পাওনা জমি ও বসত ঘরে উঠতে গেলে বাধা প্রদান করেন তাদেরই আপন ভাতিজা নাজিমউদ্দীন ও তার দলবল। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তারা বারবার ঘরে ওঠার চেষ্টা করলেও নাজিমউদ্দীন গংরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং শারীরিক লাঞ্ছনা করছে।
আমাদের নিজেদের ঘর থাকতেও আজ রাস্তায় থাকতে হচ্ছে। জমি বা ঘর চাইলে উল্টো মারধর করা হয়। আমরা কার কাছে বিচার চাইব? প্রতিটা মূহুর্তে আতংকে থাকি, এই বুজি নাজিমউদ্দীন গংরা তার দলবল নিয়ে এসে আমাদের হামলা করলো এই আতংকে না ঘুমিয়ে রাত কটে। এলাকাট গন্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে কান্নাকাটি করেও কারও মন গলছে না।” > — কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন ভুক্তভোগী নাজমা বেগম।
ভুক্তভোগী পরিবারটি বোরহানউদ্দিন থানায় নাজিমউদ্দীন গংদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। খোলা আকাশের নিচে মানবেতর অবস্থায় থাকা পরিবারটি এখন প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের অপেক্ষায়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজসেবকদের কাছে তারা আকুল আবেদন জানিয়েছেন, যেন দ্রুত এই অন্যায়ের অবসান ঘটে এবং তারা নিরাপদে নিজ ঘরে ফিরতে পারেন।
বর্তমানে অসহায় পরিবারটি বাড়ির আঙিনায় মশারী টানিয়ে বসবাস করছেন। তীব্র গরম এবং মশার উপদ্রবের মধ্যে নারী ও শিশুদের নিয়ে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে অসহায় পরিবারটিকে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে জেলা পুলিশের দুঃসাহসিক অভিযান

বোরহানউদ্দিনে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন-প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজ ঘরে ফিরতে চান নাজমা-নুরেআলম

আপডেট সময় ০৪:০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে এক অমানবিক চিত্র ফুটে উঠেছে। নিজের পৈতৃক ভিটেমাটি থাকতেও আজ খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে এক অসহায় পরিবারকে। আপন ভাতিজা ও তার সহযোগীদের বাধার মুখে বসত ঘরে উঠতে পারছেন না ভুক্তভোগী নাজমা বেগম ও নুরে আলম।
গত (২৭ মার্চ ২০২৬) হইতে কয়েকদিন ধরে মশারী টানিয়ে রোদ-বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা, কিন্তু মেলেনি কোনো প্রতিকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মজিদ আলী রাড়ী বাড়ির বাসিন্দা নাজমা ও নুরে আলম তাদের দীর্ঘদিনের পাওনা জমি ও বসত ঘরে উঠতে গেলে বাধা প্রদান করেন তাদেরই আপন ভাতিজা নাজিমউদ্দীন ও তার দলবল। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তারা বারবার ঘরে ওঠার চেষ্টা করলেও নাজিমউদ্দীন গংরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং শারীরিক লাঞ্ছনা করছে।
আমাদের নিজেদের ঘর থাকতেও আজ রাস্তায় থাকতে হচ্ছে। জমি বা ঘর চাইলে উল্টো মারধর করা হয়। আমরা কার কাছে বিচার চাইব? প্রতিটা মূহুর্তে আতংকে থাকি, এই বুজি নাজিমউদ্দীন গংরা তার দলবল নিয়ে এসে আমাদের হামলা করলো এই আতংকে না ঘুমিয়ে রাত কটে। এলাকাট গন্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে কান্নাকাটি করেও কারও মন গলছে না।” > — কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন ভুক্তভোগী নাজমা বেগম।
ভুক্তভোগী পরিবারটি বোরহানউদ্দিন থানায় নাজিমউদ্দীন গংদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। খোলা আকাশের নিচে মানবেতর অবস্থায় থাকা পরিবারটি এখন প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের অপেক্ষায়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজসেবকদের কাছে তারা আকুল আবেদন জানিয়েছেন, যেন দ্রুত এই অন্যায়ের অবসান ঘটে এবং তারা নিরাপদে নিজ ঘরে ফিরতে পারেন।
বর্তমানে অসহায় পরিবারটি বাড়ির আঙিনায় মশারী টানিয়ে বসবাস করছেন। তীব্র গরম এবং মশার উপদ্রবের মধ্যে নারী ও শিশুদের নিয়ে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে অসহায় পরিবারটিকে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।