ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড়শো বছরের ব্রাহ্মণবাড়ির নবীনগর আদালত পুকুর বিলুপ্তপ্রায়! তার চোর’ আনোয়ার! যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ডের আড়ালে কোটি টাকার কারসাজি, সংসদে শব্দ বিভ্রাটে ফাঁস হলো অন্ধকার রহস্য রেলওয়েতে নাবিল সিন্ডিকেট এখনো দৃশ্যমান, নীরব রেল প্রশাসন গণপূর্তে ‘চার জনে’র বদলি বাণিজ্য সিন্ডিকেট, ভাঙতে চান মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বন বিভাগের দুর্নীতির নেপথ্যে বন সংরক্ষক ও ডিএফও সিন্ডিকেট বদলি ও টেন্ডার বাণিজ্যসহ আধিপত্য বিস্তারের ব্যাপক অভিযোগ গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামানের বিরুদ্ধে খাদ্য কর্মকর্তা আদমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ কাস্টমস কমিশনার ‘ঘুষ’ নেন ডলারে, অনুসন্ধানে দুদক সাতক্ষীরা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

৩০তম বিসিএসে অনিয়মের মাধ্যমে পরিবার ও পরিকল্পনা ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া ইন্দ্রানী দেবনাথ, নিরীক্ষা ইউনিটে বহাল তবিয়তে

৩০ বিসিএস অনিয়মের মাধ্যমে পরিবার ও পরিকল্পনা ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছেন ইন্দ্রানী দেবনাথ, সহকারী পরিচালক, নিরীক্ষা ইউনিট

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।
জালিয়াতি করে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন ১২ জন, উপসচিব পদসহ কর্মরত ৪ ।

চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হয়েছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথমে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলায় জামিন নিতে গেলে ৩৫তম বিসিএসের এই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।

দুদকের তথ্য বলছে, জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন এরকম একডজন ব্যক্তির তথ্য পেয়েছেন তারা। এর মধ্যে ২০০৮ সালের ২৯তম বিসিএসে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬ জন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে সংস্থাটি। মামলায় বলা হয়েছে, কোটা না থাকলেও ফল প্রকাশের ৬ মাস পরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পেয়েছেন।

তারা হলেন, উপ-সচিব নাহিদা বারিক, রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জেল হোসেন, পুলিশ সুপার খোরশেদ আলমসহ অন্যরা।

এছাড়া জাল সনদে ৩৮ ও ৪১তম বিসিএসে চাকরি নেয়ার অভিযোগে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, শুধু বিসিএস ক্যাডারদের টার্গেট করে নয়, বরং যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আসছে তাদের বিরুদ্ধেই নেয়া হচ্ছে পদক্ষেপ।

দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. শাহজাহান সাজু বলছেন, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হওয়া ব্যক্তিদের লক্ষ্যই থাকে দুর্নীতি করা। কাজেই তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে।

এছাড়া, পিএসসির সাবেক ড্রাইভার আবেদ আলীর সহায়তায় চাকরি নেয়ার অভিযোগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকুকে সম্প্রতি দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেড়শো বছরের ব্রাহ্মণবাড়ির নবীনগর আদালত পুকুর বিলুপ্তপ্রায়!

৩০তম বিসিএসে অনিয়মের মাধ্যমে পরিবার ও পরিকল্পনা ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া ইন্দ্রানী দেবনাথ, নিরীক্ষা ইউনিটে বহাল তবিয়তে

আপডেট সময় ১২:৪২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

৩০ বিসিএস অনিয়মের মাধ্যমে পরিবার ও পরিকল্পনা ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছেন ইন্দ্রানী দেবনাথ, সহকারী পরিচালক, নিরীক্ষা ইউনিট

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।
জালিয়াতি করে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন ১২ জন, উপসচিব পদসহ কর্মরত ৪ ।

চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হয়েছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথমে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলায় জামিন নিতে গেলে ৩৫তম বিসিএসের এই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।

দুদকের তথ্য বলছে, জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন এরকম একডজন ব্যক্তির তথ্য পেয়েছেন তারা। এর মধ্যে ২০০৮ সালের ২৯তম বিসিএসে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬ জন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে সংস্থাটি। মামলায় বলা হয়েছে, কোটা না থাকলেও ফল প্রকাশের ৬ মাস পরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পেয়েছেন।

তারা হলেন, উপ-সচিব নাহিদা বারিক, রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জেল হোসেন, পুলিশ সুপার খোরশেদ আলমসহ অন্যরা।

এছাড়া জাল সনদে ৩৮ ও ৪১তম বিসিএসে চাকরি নেয়ার অভিযোগে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, শুধু বিসিএস ক্যাডারদের টার্গেট করে নয়, বরং যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আসছে তাদের বিরুদ্ধেই নেয়া হচ্ছে পদক্ষেপ।

দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. শাহজাহান সাজু বলছেন, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হওয়া ব্যক্তিদের লক্ষ্যই থাকে দুর্নীতি করা। কাজেই তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে।

এছাড়া, পিএসসির সাবেক ড্রাইভার আবেদ আলীর সহায়তায় চাকরি নেয়ার অভিযোগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকুকে সম্প্রতি দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।