সংবাদ শিরোনাম ::
মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ কিশোর নিবিরের প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু  কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মুরাদকে অব্যাহতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গঙ্গাচড়ায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন ফরিদপুর এডুকেশন এনকারেজিং সোসাইটির আয়োজনে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা মুরাদনগরে কর্মরত এসি ল্যান্ড সাকিব হাসানের ওপর ডাকাত দলের বর্বরোচিত হামলা, দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ রংপুরে পাটক্ষেতে মিলল নিখোঁজ শিশুর মরদেহ, আতঙ্কে এলাকাবাসী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২০৭ পিস ভারতীয় যানবাহনের যন্ত্রাংশ আটক বড়লেখা হাজীগন্জ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন ফখরুল ইসলাম পারুল

৩০তম বিসিএসে অনিয়মের মাধ্যমে পরিবার ও পরিকল্পনা ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া ইন্দ্রানী দেবনাথ, নিরীক্ষা ইউনিটে বহাল তবিয়তে

৩০ বিসিএস অনিয়মের মাধ্যমে পরিবার ও পরিকল্পনা ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছেন ইন্দ্রানী দেবনাথ, সহকারী পরিচালক, নিরীক্ষা ইউনিট

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।
জালিয়াতি করে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন ১২ জন, উপসচিব পদসহ কর্মরত ৪ ।

চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হয়েছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথমে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলায় জামিন নিতে গেলে ৩৫তম বিসিএসের এই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।

দুদকের তথ্য বলছে, জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন এরকম একডজন ব্যক্তির তথ্য পেয়েছেন তারা। এর মধ্যে ২০০৮ সালের ২৯তম বিসিএসে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬ জন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে সংস্থাটি। মামলায় বলা হয়েছে, কোটা না থাকলেও ফল প্রকাশের ৬ মাস পরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পেয়েছেন।

তারা হলেন, উপ-সচিব নাহিদা বারিক, রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জেল হোসেন, পুলিশ সুপার খোরশেদ আলমসহ অন্যরা।

এছাড়া জাল সনদে ৩৮ ও ৪১তম বিসিএসে চাকরি নেয়ার অভিযোগে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, শুধু বিসিএস ক্যাডারদের টার্গেট করে নয়, বরং যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আসছে তাদের বিরুদ্ধেই নেয়া হচ্ছে পদক্ষেপ।

দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. শাহজাহান সাজু বলছেন, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হওয়া ব্যক্তিদের লক্ষ্যই থাকে দুর্নীতি করা। কাজেই তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে।

এছাড়া, পিএসসির সাবেক ড্রাইভার আবেদ আলীর সহায়তায় চাকরি নেয়ার অভিযোগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকুকে সম্প্রতি দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ

৩০তম বিসিএসে অনিয়মের মাধ্যমে পরিবার ও পরিকল্পনা ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া ইন্দ্রানী দেবনাথ, নিরীক্ষা ইউনিটে বহাল তবিয়তে

আপডেট সময় ১২:৪২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

৩০ বিসিএস অনিয়মের মাধ্যমে পরিবার ও পরিকল্পনা ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছেন ইন্দ্রানী দেবনাথ, সহকারী পরিচালক, নিরীক্ষা ইউনিট

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।
জালিয়াতি করে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন ১২ জন, উপসচিব পদসহ কর্মরত ৪ ।

চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হয়েছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথমে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলায় জামিন নিতে গেলে ৩৫তম বিসিএসের এই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।

দুদকের তথ্য বলছে, জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন এরকম একডজন ব্যক্তির তথ্য পেয়েছেন তারা। এর মধ্যে ২০০৮ সালের ২৯তম বিসিএসে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬ জন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে সংস্থাটি। মামলায় বলা হয়েছে, কোটা না থাকলেও ফল প্রকাশের ৬ মাস পরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পেয়েছেন।

তারা হলেন, উপ-সচিব নাহিদা বারিক, রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জেল হোসেন, পুলিশ সুপার খোরশেদ আলমসহ অন্যরা।

এছাড়া জাল সনদে ৩৮ ও ৪১তম বিসিএসে চাকরি নেয়ার অভিযোগে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, শুধু বিসিএস ক্যাডারদের টার্গেট করে নয়, বরং যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আসছে তাদের বিরুদ্ধেই নেয়া হচ্ছে পদক্ষেপ।

দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. শাহজাহান সাজু বলছেন, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হওয়া ব্যক্তিদের লক্ষ্যই থাকে দুর্নীতি করা। কাজেই তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে।

এছাড়া, পিএসসির সাবেক ড্রাইভার আবেদ আলীর সহায়তায় চাকরি নেয়ার অভিযোগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকুকে সম্প্রতি দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।