ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগ

ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ক্যাশিয়ার মোঃ ইমরান মেহেদী হাসান আরিফ ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ ফয়সাল আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশন-এর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনকারী মোঃ জুবায়ের হোসেন অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, মোঃ ইমরান মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা রুজু হয়। পরবর্তীতে তদন্ত বোর্ডের প্রতিবেদনে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় তাকে অন্য জেলায় বদলি করা হয় হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, বদলি বাতিলের প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে এবং এ সংক্রান্ত ঘটনায় র‍্যাব-৩-এর অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগকারী দাবি করেন, ওই সময় অবৈধ সম্পদ অর্জন ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে স্বীকারোক্তি পাওয়া যায়। আউটসোর্সিং নিয়োগ, বেসরকারি ক্লিনিকের লাইসেন্স প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে বিপুল অংকের অর্থ লেনদেনের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পরবর্তীতে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং সেগুলো বিচারাধীন থাকা অবস্থায় জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে নিষ্পত্তি দেখানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে। এছাড়া যোগদানপত্র গ্রহণ, বদলি প্রক্রিয়া ও কর্মচারীদের কাছে অর্থ দাবির অভিযোগও আবেদনপত্রে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর আগে সরকারি কাগজপত্র জালিয়াতের অভিযোগে ছয় মাস কারাগারে ছিলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ক্যাশিয়ার মোঃ ইমরান মেহেদী হাসান আরিফ ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ ফয়সাল আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশন-এর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনকারী মোঃ জুবায়ের হোসেন অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, মোঃ ইমরান মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা রুজু হয়। পরবর্তীতে তদন্ত বোর্ডের প্রতিবেদনে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় তাকে অন্য জেলায় বদলি করা হয় হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, বদলি বাতিলের প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে এবং এ সংক্রান্ত ঘটনায় র‍্যাব-৩-এর অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগকারী দাবি করেন, ওই সময় অবৈধ সম্পদ অর্জন ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে স্বীকারোক্তি পাওয়া যায়। আউটসোর্সিং নিয়োগ, বেসরকারি ক্লিনিকের লাইসেন্স প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে বিপুল অংকের অর্থ লেনদেনের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পরবর্তীতে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং সেগুলো বিচারাধীন থাকা অবস্থায় জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে নিষ্পত্তি দেখানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে। এছাড়া যোগদানপত্র গ্রহণ, বদলি প্রক্রিয়া ও কর্মচারীদের কাছে অর্থ দাবির অভিযোগও আবেদনপত্রে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর আগে সরকারি কাগজপত্র জালিয়াতের অভিযোগে ছয় মাস কারাগারে ছিলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।