ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

“গরিবের বন্ধু” আল-আমিন ইসলামকে আবারও কাউন্সিলর হিসেবে চান ১২ নম্বর ওয়ার্ডবাসী

গোপালগঞ্জ পৌরসভা-এর ১২ নম্বর ওয়ার্ডে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সাবেক দুইবারের কাউন্সিলর মোহাম্মদ আল-আমিন ইসলাম। সরেজমিনে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় কথা বলে জানা যায়, আসন্ন নির্বাচনে তাকে পুনরায় কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান অধিকাংশ বাসিন্দা।
ওয়ার্ডবাসীর ভাষ্য, “গরিবের বন্ধু” খ্যাত আল-আমিন ইসলাম সুখে-দুঃখে সবসময় মানুষের পাশে থেকেছেন। রক্তদানের মতো মানবিক উদ্যোগ থেকে শুরু করে গভীর রাতেও কারও বিপদের খবর পেলে ছুটে গেছেন তিনি। দুর্ঘটনা, অসুস্থতা কিংবা সামাজিক সংকটে দ্রুত উপস্থিত হয়ে সহায়তার হাত বাড়ানোয় এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন এই তরুণ জনপ্রতিনিধি।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটার বলেন,
“আমাদের কাউন্সিলর আল-আমিনের কাছে আলাদা করে চাওয়ার কিছু নেই। তিনি দেখা হলে হেসে কথা বলেন, আন্তরিকতার সঙ্গে বুকে জড়িয়ে ধরেন, ভালো-মন্দ খোঁজ নেন। বিপদে-আপদে, সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন—সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেন। এর চেয়ে বড় চাওয়া আর কী হতে পারে!”
তাদের মতে, দায়িত্বকালেও তিনি ওয়ার্ডের সড়ক ও নালা সংস্কার, অসহায়দের চিকিৎসা সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহজ-সরল আচরণই তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রেখেছে।
এ বিষয়ে মোহাম্মদ আল-আমিন ইসলামকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
“আমি কাউন্সিলর আল-আমিন ইসলাম হিসেবে ১২ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর কাছ থেকে সবসময় ভালোবাসা পেয়েছি। ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকতে চাই। ১২ নম্বর ওয়ার্ডবাসী শুধু আমার ভোটার নন—তারা আমার আত্মার সঙ্গে মিশে আছেন। আমি মনে করি, ওয়ার্ডের সবাই আমার পরিবারের সদস্য।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, আগামীতেও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন তিনি। এখন দেখার বিষয়—নির্বাচনী মাঠে ওয়ার্ডবাসীর এই সমর্থন কতটা প্রতিফলিত হয় ব্যালটের ফলাফলে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

“গরিবের বন্ধু” আল-আমিন ইসলামকে আবারও কাউন্সিলর হিসেবে চান ১২ নম্বর ওয়ার্ডবাসী

আপডেট সময় ০২:০০:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জ পৌরসভা-এর ১২ নম্বর ওয়ার্ডে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সাবেক দুইবারের কাউন্সিলর মোহাম্মদ আল-আমিন ইসলাম। সরেজমিনে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় কথা বলে জানা যায়, আসন্ন নির্বাচনে তাকে পুনরায় কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান অধিকাংশ বাসিন্দা।
ওয়ার্ডবাসীর ভাষ্য, “গরিবের বন্ধু” খ্যাত আল-আমিন ইসলাম সুখে-দুঃখে সবসময় মানুষের পাশে থেকেছেন। রক্তদানের মতো মানবিক উদ্যোগ থেকে শুরু করে গভীর রাতেও কারও বিপদের খবর পেলে ছুটে গেছেন তিনি। দুর্ঘটনা, অসুস্থতা কিংবা সামাজিক সংকটে দ্রুত উপস্থিত হয়ে সহায়তার হাত বাড়ানোয় এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন এই তরুণ জনপ্রতিনিধি।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটার বলেন,
“আমাদের কাউন্সিলর আল-আমিনের কাছে আলাদা করে চাওয়ার কিছু নেই। তিনি দেখা হলে হেসে কথা বলেন, আন্তরিকতার সঙ্গে বুকে জড়িয়ে ধরেন, ভালো-মন্দ খোঁজ নেন। বিপদে-আপদে, সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন—সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেন। এর চেয়ে বড় চাওয়া আর কী হতে পারে!”
তাদের মতে, দায়িত্বকালেও তিনি ওয়ার্ডের সড়ক ও নালা সংস্কার, অসহায়দের চিকিৎসা সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহজ-সরল আচরণই তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রেখেছে।
এ বিষয়ে মোহাম্মদ আল-আমিন ইসলামকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
“আমি কাউন্সিলর আল-আমিন ইসলাম হিসেবে ১২ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর কাছ থেকে সবসময় ভালোবাসা পেয়েছি। ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকতে চাই। ১২ নম্বর ওয়ার্ডবাসী শুধু আমার ভোটার নন—তারা আমার আত্মার সঙ্গে মিশে আছেন। আমি মনে করি, ওয়ার্ডের সবাই আমার পরিবারের সদস্য।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, আগামীতেও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন তিনি। এখন দেখার বিষয়—নির্বাচনী মাঠে ওয়ার্ডবাসীর এই সমর্থন কতটা প্রতিফলিত হয় ব্যালটের ফলাফলে।