ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

বিচারপতি মইনুল ইসলামের সঙ্গে ইইউর মানবাধিকার বিশ্লেষকের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী মানবাধিকার পরিস্থিতি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মানবাধিকার বিশ্লেষক অ্যান মার্লবোরো। বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী প্রাথমিক বিবৃতি উপস্থাপনের পাশাপাশি দেশের মানবাধিকার সুরক্ষায় নতুন আইনি কাঠামোর সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

সাক্ষাৎকালে মিস অ্যান মার্লবোরো ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে কমিশনকে অবহিত করেন। কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইউশা রহমান জানান, আলোচনায় বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে নির্বাচনকালীন সহিংসতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণতন্ত্রের ওপর সম্ভাব্য হুমকির বিষয়গুলো উঠে আসে। বিশেষ করে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারী, তৃতীয় লিঙ্গ এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভোটাধিকার সুরক্ষার বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পায়।

কমিশনের চেয়ারপার্সন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী এ সময় ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর মাধ্যমে কমিশনের এখতিয়ার ও কর্মপরিধি সম্প্রসারণের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন এই আইনি কাঠামোর অধীনে মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে কমিশনার এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও দৃঢ় ও সাহসী ভূমিকা পালনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সরকার দ্রুতই এই অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এটি কার্যকর হলে দেশে মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রটি আরও সুসংহত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বৈঠকে কমিশন তাদের আইনি দায়িত্ব ও কর্তৃত্বের সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের সকল নাগরিকের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

বিচারপতি মইনুল ইসলামের সঙ্গে ইইউর মানবাধিকার বিশ্লেষকের সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৩:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী মানবাধিকার পরিস্থিতি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মানবাধিকার বিশ্লেষক অ্যান মার্লবোরো। বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী প্রাথমিক বিবৃতি উপস্থাপনের পাশাপাশি দেশের মানবাধিকার সুরক্ষায় নতুন আইনি কাঠামোর সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

সাক্ষাৎকালে মিস অ্যান মার্লবোরো ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে কমিশনকে অবহিত করেন। কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইউশা রহমান জানান, আলোচনায় বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে নির্বাচনকালীন সহিংসতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণতন্ত্রের ওপর সম্ভাব্য হুমকির বিষয়গুলো উঠে আসে। বিশেষ করে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারী, তৃতীয় লিঙ্গ এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভোটাধিকার সুরক্ষার বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পায়।

কমিশনের চেয়ারপার্সন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী এ সময় ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর মাধ্যমে কমিশনের এখতিয়ার ও কর্মপরিধি সম্প্রসারণের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন এই আইনি কাঠামোর অধীনে মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে কমিশনার এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও দৃঢ় ও সাহসী ভূমিকা পালনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সরকার দ্রুতই এই অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এটি কার্যকর হলে দেশে মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রটি আরও সুসংহত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বৈঠকে কমিশন তাদের আইনি দায়িত্ব ও কর্তৃত্বের সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের সকল নাগরিকের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।