ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপে ম্যাচসেরা হলে কি কোনো অর্থ পান ফুটবলাররা? তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে টাঙ্গাইলে জলাবদ্ধতা, স্থবির জনজীবন টানা বৃষ্টিতে বগুড়ার সবজির বাজারে ক্রেতা সংকট, বিপাকে কৃষক-ব্যবসায়ীরা ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন সাদিক কায়েম ৭ জেলায় বন্যা : ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু বেড়ে ৫৪ ৪৫০ কোটির ‘কিং’ নিয়ে আসছেন বাবা-মেয়ে আওয়ামী লীগ আমলের অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায় বন্যায় প্রাণহানি : রিজভী যে কারণে আর্জেন্টিনার চেয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে রাখছেন বিশ্লেষকরা ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছেন বুশরা খান নিদ্রা প্রতারণা মামলায় বিএসবি গ্লোবালের খায়রুল বাশারের আরও ৩৩ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক
বিমান প্রতিমন্ত্রী

‘একজন যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করতে করতেই যাতে তার লাগেজ বেল্টে পেয়ে যান’

প্রবাসীরা যাতে লাগেজের জন্য এক-দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে না হয়, যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করতে করতেই যাতে তার লাগেজ বেল্টে পেয়ে যান-এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন নতুন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকার গঠনের পর প্রথম কর্মদিবসে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা তো পরিকল্পনা শুরু করেছি। শুধু টিকিটিং নয়, আমাদের সঙ্গে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এবং সচিবও আছেন। আমরা বিমানবন্দরকে এমনভাবে ঢেলে সাজাতে চাই যাতে শুধু টিকিটিং নয়—সিন্ডিকেট তো রয়েছেই—লাগেজ হ্যান্ডেলিং থেকে শুরু করে প্রবাসী যাত্রীরা এসে যে ভোগান্তিতে পড়েন, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, এরইমধ্যে আমরা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি এবং একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছি। বিশেষ করে প্রবাসীরা এলে যাতে লাগেজের জন্য এক-দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে না হয় এবং কোনো দুর্নীতির শিকার না হতে হয়, সেটি আমাদের লক্ষ্য। আমাদের পরিকল্পনা হলো একজন যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করতে করতেই যাতে তার লাগেজ বেল্টে পেয়ে যান। সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে বসে আমরা এমন এক পরিবর্তন আনবো যাতে মানুষ একটি নতুন ভাইব পায়।

টিকিটিংয়ের ক্ষেত্রেও সিন্ডিকেটের যে বিষয়টি আছে, সেটি ভাঙতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি অনেক ক্ষেত্রে শুনেছি যে বিমান খালি যাচ্ছে কিন্তু মানুষ টিকিট পাচ্ছে না। এগুলোর পেছনেও সিন্ডিকেট রয়েছে। আমরা কেবল দায়িত্ব গ্রহণ করলাম, তবে সমস্যাগুলো সম্পর্কে আমরা অবগত এবং এগুলো নিরসনে পরিকল্পনা তৈরি করেছি। খুব শিগগিরই আপনারা একদম রেডিক্যাল না হলেও ধীরে ধীরে বড় পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমরা চেষ্টা করবো আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যেই যেন মানুষ পরিবর্তনের একটি আভাস পায়।

গত ১৫ বছরে যে দুর্নীতিগুলো হয়েছে, সেগুলো কি আপনারা তদন্ত করবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডেফিনেটলি, দুর্নীতি হলে তো তদন্ত হবেই। দুর্নীতির দায়ে অনেকেই তো এখন জেলেও আছে। এখনো পুরো সেক্টর দুর্নীতিমুক্ত হয়নি, আর সেটি ঠিক করার জন্যই আমাদের চেষ্টা চলছে। আমরা এখন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসবো এবং আলোচনা করবো। বিশেষ করে পর্যটন নিয়ে আমাদের সুদূরপ্রসারী চিন্তা রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে ম্যাচসেরা হলে কি কোনো অর্থ পান ফুটবলাররা?

বিমান প্রতিমন্ত্রী

‘একজন যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করতে করতেই যাতে তার লাগেজ বেল্টে পেয়ে যান’

আপডেট সময় ০১:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রবাসীরা যাতে লাগেজের জন্য এক-দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে না হয়, যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করতে করতেই যাতে তার লাগেজ বেল্টে পেয়ে যান-এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন নতুন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকার গঠনের পর প্রথম কর্মদিবসে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা তো পরিকল্পনা শুরু করেছি। শুধু টিকিটিং নয়, আমাদের সঙ্গে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এবং সচিবও আছেন। আমরা বিমানবন্দরকে এমনভাবে ঢেলে সাজাতে চাই যাতে শুধু টিকিটিং নয়—সিন্ডিকেট তো রয়েছেই—লাগেজ হ্যান্ডেলিং থেকে শুরু করে প্রবাসী যাত্রীরা এসে যে ভোগান্তিতে পড়েন, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, এরইমধ্যে আমরা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি এবং একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছি। বিশেষ করে প্রবাসীরা এলে যাতে লাগেজের জন্য এক-দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে না হয় এবং কোনো দুর্নীতির শিকার না হতে হয়, সেটি আমাদের লক্ষ্য। আমাদের পরিকল্পনা হলো একজন যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করতে করতেই যাতে তার লাগেজ বেল্টে পেয়ে যান। সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে বসে আমরা এমন এক পরিবর্তন আনবো যাতে মানুষ একটি নতুন ভাইব পায়।

টিকিটিংয়ের ক্ষেত্রেও সিন্ডিকেটের যে বিষয়টি আছে, সেটি ভাঙতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি অনেক ক্ষেত্রে শুনেছি যে বিমান খালি যাচ্ছে কিন্তু মানুষ টিকিট পাচ্ছে না। এগুলোর পেছনেও সিন্ডিকেট রয়েছে। আমরা কেবল দায়িত্ব গ্রহণ করলাম, তবে সমস্যাগুলো সম্পর্কে আমরা অবগত এবং এগুলো নিরসনে পরিকল্পনা তৈরি করেছি। খুব শিগগিরই আপনারা একদম রেডিক্যাল না হলেও ধীরে ধীরে বড় পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমরা চেষ্টা করবো আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যেই যেন মানুষ পরিবর্তনের একটি আভাস পায়।

গত ১৫ বছরে যে দুর্নীতিগুলো হয়েছে, সেগুলো কি আপনারা তদন্ত করবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডেফিনেটলি, দুর্নীতি হলে তো তদন্ত হবেই। দুর্নীতির দায়ে অনেকেই তো এখন জেলেও আছে। এখনো পুরো সেক্টর দুর্নীতিমুক্ত হয়নি, আর সেটি ঠিক করার জন্যই আমাদের চেষ্টা চলছে। আমরা এখন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসবো এবং আলোচনা করবো। বিশেষ করে পর্যটন নিয়ে আমাদের সুদূরপ্রসারী চিন্তা রয়েছে।