ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী “পীরগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ: কলেজ-মসজিদের রাস্তা বন্ধ, এলাকায় উত্তেজনা” পদ্মা নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে মিলল ৬ হাজার ইয়াবা যুক্তরাজ্যে ৬ ঘণ্টা সোশ্যাল মিডিয়া ‘কারফিউ’ বরগুনার পাথরঘাটায় বলেশ্বর নদীতে ট্রলার ডুবি, শ্রমিকের ম’র’দে’হ উদ্ধার টাকা ধার না দেওয়ায় গৃহশিক্ষিকার মাথায় ১০ কোপ দিলেন ছাত্রীর মা পাচার ও প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খাগড়াছড়িতে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। নির্বাচনে কাস্ট হওয়া মোট ভোটের আট শতাংশের (১/৮ অংশ) কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়। এই আসনে বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা সাত প্রার্থীর সম্মিলিত প্রাপ্ত ভোটের চেয়েও বেশি।

নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে এবার মোট ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৯টি ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটারের ৬২ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ হাজার ৮০টি ভোট বাতিল বলে গণ্য হয়েছে। জামানত হারানো সাত প্রার্থীর সম্মিলিত প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা মাত্র ৭ হাজার ৬৬৯। অর্থাৎ, বাতিল ভোটের সংখ্যা সাত প্রার্থীর মোট প্রাপ্ত ভোটের চেয়েও বেশি।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন– জাতীয় পার্টির মিথিলা রওয়াজা (লাঙ্গল: ১ হাজার ২৪ ভোট), বিএমজেপির উশ্যেপ্রু মারমা (রকেট: ১ হাজার ৩০ ভোট), জিরুনা ত্রিপুরা (কলস: ৯০৪ ভোট), গণঅধিকার পরিষদের দীনময় রওয়াজা (ট্রাক: ৭৫৫ ভোট), ইসলামি আন্দোলনের মো. কাউসার (হাতপাখা: ৩ হাজার ৮৯ ভোট), নুর ইসলাম (আপেল: ৬৮৩ ভোট) এবং নির্বাচন বয়কট করা মো. মোস্তফা (হারিকেন: ১৮৪ ভোট)।

খাগড়াছড়ি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন জানান, বিধি অনুযায়ী কাস্ট হওয়া ভোটের ৮ শতাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসেবে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ জনের মধ্যে সাতজনই জামানত হারাচ্ছেন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে উশ্যেপ্রু মারমা, মো. মোস্তফা ও মিথিলা রওয়াজা ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নিয়েছিলেন। সেবারও তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। তবে গতবারের তুলনায় এবার তাদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে; গত নির্বাচনে তারা প্রত্যেকেই ১০ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছিলেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

খাগড়াছড়িতে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় ০৭:৩৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। নির্বাচনে কাস্ট হওয়া মোট ভোটের আট শতাংশের (১/৮ অংশ) কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়। এই আসনে বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা সাত প্রার্থীর সম্মিলিত প্রাপ্ত ভোটের চেয়েও বেশি।

নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে এবার মোট ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৯টি ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটারের ৬২ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ হাজার ৮০টি ভোট বাতিল বলে গণ্য হয়েছে। জামানত হারানো সাত প্রার্থীর সম্মিলিত প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা মাত্র ৭ হাজার ৬৬৯। অর্থাৎ, বাতিল ভোটের সংখ্যা সাত প্রার্থীর মোট প্রাপ্ত ভোটের চেয়েও বেশি।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন– জাতীয় পার্টির মিথিলা রওয়াজা (লাঙ্গল: ১ হাজার ২৪ ভোট), বিএমজেপির উশ্যেপ্রু মারমা (রকেট: ১ হাজার ৩০ ভোট), জিরুনা ত্রিপুরা (কলস: ৯০৪ ভোট), গণঅধিকার পরিষদের দীনময় রওয়াজা (ট্রাক: ৭৫৫ ভোট), ইসলামি আন্দোলনের মো. কাউসার (হাতপাখা: ৩ হাজার ৮৯ ভোট), নুর ইসলাম (আপেল: ৬৮৩ ভোট) এবং নির্বাচন বয়কট করা মো. মোস্তফা (হারিকেন: ১৮৪ ভোট)।

খাগড়াছড়ি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন জানান, বিধি অনুযায়ী কাস্ট হওয়া ভোটের ৮ শতাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসেবে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ জনের মধ্যে সাতজনই জামানত হারাচ্ছেন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে উশ্যেপ্রু মারমা, মো. মোস্তফা ও মিথিলা রওয়াজা ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নিয়েছিলেন। সেবারও তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। তবে গতবারের তুলনায় এবার তাদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে; গত নির্বাচনে তারা প্রত্যেকেই ১০ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছিলেন।