ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৫ প্লট, ৪ ফ্ল্যাট ও একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: কালুখালীর সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে বৃক্ষরোপণ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নিয়ম তৃতীয় বিয়ে নিয়ে ‘মহাবিপদে’ আমির খান! খেলা শুরুর আগে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল মারামারি, আটক ৩ সমগ্র উত্তরবঙ্গের ইয়াবার ডিলার শা আপেল কে নিয়ে নানান বিতর্কের গুণজন যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বাংলাদেশে বিয়ের ব্যাপারে নাগরিকদের সতর্ক করল চীন বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নোয়াখালী-২ আসনে ৬ষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জয়নুল আবেদিন ফারুক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী আংশিক) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছেন জয়নুল আবেদিন ফারুক। এর মাধ্যমে তিনি টানা ৬ষ্ঠবারের মতো জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে নিজের জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে আবারও বিজয়ের মালা পরলেন।
বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে জানা যায়, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবেদিন ফারুক পেয়েছেন ৮২,৩১১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত–এনসিপি সমর্থিত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া পেয়েছেন ৬৭,০৫৪ ভোট।
ঐতিহাসিক জয়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন,
“এই বিজয় আমার ব্যক্তিগত নয়—এই বিজয় সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আপামর জনসাধারণের। এই বিজয় আমাদের নেতা তারেক রহমান-এর দীর্ঘ সংগ্রামী নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থার বহিঃপ্রকাশ। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমি এ অঞ্চলের মানুষের সেবা করে যাব।”
জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী জুড়ে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও আতশবাজির মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিজয় উদযাপন করেন। তারা একে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই ‘ডাবল হ্যাটট্রিক’ জয়। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমর্থকরা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসিয়ে দিচ্ছেন তাদের প্রিয় নেতাকে।
উল্লেখ্য, জয়নুল আবেদিন ফারুক একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক চৌমুহনী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ নেতা। এর আগেও তিনি পাঁচবার এই অঞ্চলের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সংসদীয় ইস্যুতে তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা দেশবাসীর কাছে সুপরিচিত।
বিএনপির কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রাজপথে আপসহীন এই লড়াকু সৈনিক ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। শেখ হাসিনা সরকারের সময় জাতীয় সংসদ প্লাজার সামনে পুলিশ হারুনর হাতে চরম নির্যাতনের ঘটনাও আজো জনগণের স্মৃতিতে অম্লান।
এবারের জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি নোয়াখালী থেকে সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন—এমন প্রত্যাশাই করছেন স্থানীয় জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ প্লট, ৪ ফ্ল্যাট ও একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

নোয়াখালী-২ আসনে ৬ষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জয়নুল আবেদিন ফারুক

আপডেট সময় ০১:০১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী আংশিক) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছেন জয়নুল আবেদিন ফারুক। এর মাধ্যমে তিনি টানা ৬ষ্ঠবারের মতো জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে নিজের জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে আবারও বিজয়ের মালা পরলেন।
বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে জানা যায়, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবেদিন ফারুক পেয়েছেন ৮২,৩১১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত–এনসিপি সমর্থিত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া পেয়েছেন ৬৭,০৫৪ ভোট।
ঐতিহাসিক জয়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন,
“এই বিজয় আমার ব্যক্তিগত নয়—এই বিজয় সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আপামর জনসাধারণের। এই বিজয় আমাদের নেতা তারেক রহমান-এর দীর্ঘ সংগ্রামী নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থার বহিঃপ্রকাশ। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমি এ অঞ্চলের মানুষের সেবা করে যাব।”
জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী জুড়ে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও আতশবাজির মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিজয় উদযাপন করেন। তারা একে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই ‘ডাবল হ্যাটট্রিক’ জয়। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমর্থকরা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসিয়ে দিচ্ছেন তাদের প্রিয় নেতাকে।
উল্লেখ্য, জয়নুল আবেদিন ফারুক একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক চৌমুহনী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ নেতা। এর আগেও তিনি পাঁচবার এই অঞ্চলের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সংসদীয় ইস্যুতে তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা দেশবাসীর কাছে সুপরিচিত।
বিএনপির কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রাজপথে আপসহীন এই লড়াকু সৈনিক ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। শেখ হাসিনা সরকারের সময় জাতীয় সংসদ প্লাজার সামনে পুলিশ হারুনর হাতে চরম নির্যাতনের ঘটনাও আজো জনগণের স্মৃতিতে অম্লান।
এবারের জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি নোয়াখালী থেকে সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন—এমন প্রত্যাশাই করছেন স্থানীয় জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীরা।