সংবাদ শিরোনাম ::
স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে দুই বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে চুক্তি করায় ইসরায়েলের তোপের মুখে ট্রাম্প বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক দুদকের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী চার দিনের রিমান্ড বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন : বিমানমন্ত্রী জামিন পেলেন অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর সেই ২০ জনকে আবারও পুশ-ইনের চেষ্টা, এবার লাঠি নিয়ে পাহারায় জনগণ নাফরিজা শ্যামার সিদ্ধান্তে কাজ ছাড়াই ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন

বাংলাদেশের সম্মান নিশ্চিত করাই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: নাকভি

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৮:০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬০৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের সম্মান অর্জন করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি মহসিন নাকভি। আজ মঙ্গলবার পাকিস্তানের পেশোয়ারে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কথা বলার সময় এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

পিসিবি সভাপতি বলেন, ‘‘আমরা আইসিসি’র সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে কথা বলিনি। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের সম্মান নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, তা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা।’’ তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইসিসি-র কাছে যেসব দাবি রাখা হয়েছিল, তার সবই গৃহীত হয়েছে।

নাকভি জানান, যখন আইসিসি বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা স্বীকার করে নিয়েছে এবং তাদের ওপর কোনো জরিমানা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তখনই পাকিস্তান সরকার ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচটি খেলার অনুমতি দিয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। তবে আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ নাকচ করে দেয় এবং তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে। তাতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে পাকিস্তান। বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয় তারা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে আইসিসি। শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যস্থতার ভূমিকা রাখে। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নিজেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলামও পাকিস্তানকে ম্যাচ খেলতে অনুরোধ জানান। পরে বিসিবি ও পিসিবির সঙ্গে বৈঠক করে আইসিসির প্রতিনিধি দল।

এদিকে আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশের ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত বা প্রশাসনিক শাস্তি দেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্ব পাবে বাংলাদেশ।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ

বাংলাদেশের সম্মান নিশ্চিত করাই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: নাকভি

আপডেট সময় ০৮:০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের সম্মান অর্জন করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি মহসিন নাকভি। আজ মঙ্গলবার পাকিস্তানের পেশোয়ারে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কথা বলার সময় এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

পিসিবি সভাপতি বলেন, ‘‘আমরা আইসিসি’র সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে কথা বলিনি। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের সম্মান নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, তা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা।’’ তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইসিসি-র কাছে যেসব দাবি রাখা হয়েছিল, তার সবই গৃহীত হয়েছে।

নাকভি জানান, যখন আইসিসি বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা স্বীকার করে নিয়েছে এবং তাদের ওপর কোনো জরিমানা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তখনই পাকিস্তান সরকার ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচটি খেলার অনুমতি দিয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। তবে আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ নাকচ করে দেয় এবং তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে। তাতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে পাকিস্তান। বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয় তারা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে আইসিসি। শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যস্থতার ভূমিকা রাখে। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নিজেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলামও পাকিস্তানকে ম্যাচ খেলতে অনুরোধ জানান। পরে বিসিবি ও পিসিবির সঙ্গে বৈঠক করে আইসিসির প্রতিনিধি দল।

এদিকে আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশের ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত বা প্রশাসনিক শাস্তি দেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্ব পাবে বাংলাদেশ।