ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসলামী মূল্যবোধের বিশ্বাস নিয়েই এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই: ​ শেখ রেজাউল ইসলাম এমপি আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, এক প্রবাসী নিহত কর্মজীবী ভোটারদের ঢাকায় ফেরাতে নুরের ফ্রি লঞ্চ সার্ভিস ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ছাত্রশক্তির অন্তত একজন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টি চাইছেন রাজশাহীতে জানানত হারালেন ২০ জন প্রার্থী ইরানে শাসক পরিবর্তনই সেরা সমাধান, বললেন ট্রাম্প বিজয়ী হয়ে জামায়াত প্রার্থীর বাসায় গেলেন বিএনপির এরশাদ উল্লাহ নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছে : কমনওয়েলথ

‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে সংবিধান ইচ্ছেমতো বদলানো যাবে না: রিজওয়ানা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আসন্ন গণভোটকে ঘিরে যত ধরনের বাধাই আসুক না কেন, সব বাধা মোকাবিলা করতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

তিনি বলেন, এখন থেকেই জনগণকে চিন্তা-ভাবনা শুরু করতে হবে-কাকে ভোট দেবেন এবং কেন দেবেন। সচেতন সিদ্ধান্তই পারে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের পথ সুগম করতে।

রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত গণভোট প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পরিবর্তন আনতে হলে একই ব্যবস্থা, একই আইন-কানুন এবং একই মানুষ দিয়ে আর এগোনো সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন ধরে যেভাবে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে, সেই কাঠামোর মধ্যেই যদি আমরা ঘুরপাক খাই, তাহলে প্রকৃত পরিবর্তন আসবে না। রাজনৈতিক দল, সরকার, ব্যবসায়ী ও সর্বস্তরের মানুষ একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে জমে ওঠা জনআকাঙ্ক্ষা ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই মাসের ঐতিহাসিক গণঅভ্যর্থন ও গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে।

এই গণঅভ্যুত্থানের কেন্দ্রীয় ও প্রধান দাবি ছিল-রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন।
তিনি বলেন, এই পরিবর্তনের সূচনা ঘটেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে। শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলনের ওপর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন, বর্বরতা ও নিপীড়নের ঘটনায় ছাত্র-জনতা এক অভূতপূর্ব ঐক্যে রাজপথে নেমে আসে। সেই আন্দোলন আর কেবল কোটা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তা রূপ নেয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার দাবিতে গণঅভ্যুত্থানে।

এই প্রেক্ষাপটে তিনটি বড় এজেন্ডা সামনে রেখে কাজ করা হচ্ছে- সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করেই দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্কার প্রশ্নে একটি ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকার বা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরে না রেখে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তিদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। মোট ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হলেও এর মধ্যে ৬টি কমিশন সরাসরি ভোট ও নির্বাচন ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।

এসব কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতেই প্রস্তুত করা হয় বহুল আলোচিত জুলাই সনদ। এই জুলাই সনদে রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ও কাঠামোগত পরিবর্তনের সুস্পষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সপ্তাহের পর সপ্তাহ, মাসের পর মাস—দেশের প্রায় সব বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এই সনদ নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়েছে। মতৈক্য ও ভিন্নমত—দুটিই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নেওয়া হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গণভোটের প্রশ্নগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই সনদে থাকা বড় বড় সুপারিশগুলোকে পৃথক করে, সহজ ও স্পষ্টভাবে গণভোটের প্রশ্ন আকারে জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। লক্ষ্য একটাই-রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে সরাসরি জনগণের মতামত নেওয়া।

উদ্যোক্তারা বলছেন, এই গণভোটে যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হয়, তাহলে সেটিই হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত সাফল্য ও বৈধতা। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হবে যে ছাত্র-জনতার রক্ত, ত্যাগ ও আন্দোলন বৃথা যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে এই ধরনের গণভোট রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। এটি শুধু একটি ভোট নয়; এটি একটি প্রজন্মের প্রত্যাশা, একটি আন্দোলনের ফসল এবং একটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ পথনির্দেশ। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচনের এই সমন্বিত উদ্যোগ দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখন সিদ্ধান্ত জনগণের—জুলাইয়ের পরিবর্তন বাস্তবায়িত হবে কি না, তার রায় আসবে ব্যালট বাক্সেই।

তিনি আরো স্পষ্ট করেন, সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটে উদ্বুদ্ধ করলেও এটি কোনো চাপ প্রয়োগ নয়। কারো ভিন্নমত থাকলে সেটি প্রকাশ করার অধিকার সবার আছে। তবে আমরা কেন ‘হ্যাঁ’ ভোট চাচ্ছি, তার যুক্তি জনগণের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছি।

তিনি বলেন, এখন যদি জনগণ ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন, তাহলে ভবিষ্যতে আর এভাবে সংবিধান ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করা যাবে না। তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক হবে। এটি গণতন্ত্রের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

তিনি স্বীকার করেন, কোনো পরিবর্তন রাতারাতি আসে না, তবে এখনই যদি ভিত্তি স্থাপন করা যায়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো পাবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী ও রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী মূল্যবোধের বিশ্বাস নিয়েই এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই: ​ শেখ রেজাউল ইসলাম এমপি

‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে সংবিধান ইচ্ছেমতো বদলানো যাবে না: রিজওয়ানা

আপডেট সময় ০৮:১৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আসন্ন গণভোটকে ঘিরে যত ধরনের বাধাই আসুক না কেন, সব বাধা মোকাবিলা করতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

তিনি বলেন, এখন থেকেই জনগণকে চিন্তা-ভাবনা শুরু করতে হবে-কাকে ভোট দেবেন এবং কেন দেবেন। সচেতন সিদ্ধান্তই পারে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের পথ সুগম করতে।

রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত গণভোট প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পরিবর্তন আনতে হলে একই ব্যবস্থা, একই আইন-কানুন এবং একই মানুষ দিয়ে আর এগোনো সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন ধরে যেভাবে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে, সেই কাঠামোর মধ্যেই যদি আমরা ঘুরপাক খাই, তাহলে প্রকৃত পরিবর্তন আসবে না। রাজনৈতিক দল, সরকার, ব্যবসায়ী ও সর্বস্তরের মানুষ একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে জমে ওঠা জনআকাঙ্ক্ষা ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই মাসের ঐতিহাসিক গণঅভ্যর্থন ও গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে।

এই গণঅভ্যুত্থানের কেন্দ্রীয় ও প্রধান দাবি ছিল-রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন।
তিনি বলেন, এই পরিবর্তনের সূচনা ঘটেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে। শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলনের ওপর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন, বর্বরতা ও নিপীড়নের ঘটনায় ছাত্র-জনতা এক অভূতপূর্ব ঐক্যে রাজপথে নেমে আসে। সেই আন্দোলন আর কেবল কোটা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তা রূপ নেয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার দাবিতে গণঅভ্যুত্থানে।

এই প্রেক্ষাপটে তিনটি বড় এজেন্ডা সামনে রেখে কাজ করা হচ্ছে- সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করেই দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্কার প্রশ্নে একটি ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকার বা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরে না রেখে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তিদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। মোট ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হলেও এর মধ্যে ৬টি কমিশন সরাসরি ভোট ও নির্বাচন ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।

এসব কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতেই প্রস্তুত করা হয় বহুল আলোচিত জুলাই সনদ। এই জুলাই সনদে রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ও কাঠামোগত পরিবর্তনের সুস্পষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সপ্তাহের পর সপ্তাহ, মাসের পর মাস—দেশের প্রায় সব বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এই সনদ নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়েছে। মতৈক্য ও ভিন্নমত—দুটিই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নেওয়া হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গণভোটের প্রশ্নগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই সনদে থাকা বড় বড় সুপারিশগুলোকে পৃথক করে, সহজ ও স্পষ্টভাবে গণভোটের প্রশ্ন আকারে জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। লক্ষ্য একটাই-রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে সরাসরি জনগণের মতামত নেওয়া।

উদ্যোক্তারা বলছেন, এই গণভোটে যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হয়, তাহলে সেটিই হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত সাফল্য ও বৈধতা। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হবে যে ছাত্র-জনতার রক্ত, ত্যাগ ও আন্দোলন বৃথা যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে এই ধরনের গণভোট রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। এটি শুধু একটি ভোট নয়; এটি একটি প্রজন্মের প্রত্যাশা, একটি আন্দোলনের ফসল এবং একটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ পথনির্দেশ। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচনের এই সমন্বিত উদ্যোগ দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখন সিদ্ধান্ত জনগণের—জুলাইয়ের পরিবর্তন বাস্তবায়িত হবে কি না, তার রায় আসবে ব্যালট বাক্সেই।

তিনি আরো স্পষ্ট করেন, সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটে উদ্বুদ্ধ করলেও এটি কোনো চাপ প্রয়োগ নয়। কারো ভিন্নমত থাকলে সেটি প্রকাশ করার অধিকার সবার আছে। তবে আমরা কেন ‘হ্যাঁ’ ভোট চাচ্ছি, তার যুক্তি জনগণের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছি।

তিনি বলেন, এখন যদি জনগণ ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন, তাহলে ভবিষ্যতে আর এভাবে সংবিধান ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করা যাবে না। তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক হবে। এটি গণতন্ত্রের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

তিনি স্বীকার করেন, কোনো পরিবর্তন রাতারাতি আসে না, তবে এখনই যদি ভিত্তি স্থাপন করা যায়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো পাবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী ও রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।