ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকিটের অগ্নিমূল্যে যাত্রীদের নাভিশ্বাস ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পোর্টেবল সিগন্যাল লাইট ব্যবহার শুরু পুলিশের ঈদযাত্রায় ‘তেলের টেনশনে’ শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা সালমান আগার রান আউট বিতর্কে যা বলছে এমসিসি ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে নোয়াখালীতে র‍্যাবের কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঈদযাত্রায় সাভারে সড়কে মানুষের ঢল, বেড়েছে গণপরিবহনের চাপ কক্সবাজার সৈকতে বারুণী স্নান ও গঙ্গাপূজায় পুণ্যার্থীর ঢল মতিঝিলে চোর-পুলিশ খেলা, গুলিস্তানে পুলিশের সামনে নতুন নোট বিক্রি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, দুই পরিবহনকে জরিমানা

সুন্দরী না হওয়ায় সিনেমা থেকে বাদ পড়েন লরেন্স

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫২ বার পড়া হয়েছে

হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স সম্প্রতি জানিয়েছেন, নিজের চেহারা নিয়ে নেটদুনিয়ায় সমালোচনার কারণেই কুয়েন্টিন ট্যারান্টিনো পরিচালিত আলোচিত ছবি ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন হলিউড’-এ তিনি সুযোগ পাননি।

৩৫ বছর বয়সী ‘ডাই মাই লাভ’খ্যাত এ অভিনেত্রী ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড উইথ জোশ হোরোভিটজ’ পডকাস্টে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটিতে ব্র্যাড পিট, লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও মার্গট রবির মতো তারকারা অভিনয় করেন।

পডকাস্টে হোরোভিটজ লরেন্সের উদ্দেশ্যে বলেন, ট্যারান্টিনো একাধিকবার তোমাকে নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। ‘দ্য হেটফুল এইট’ ছবির জেনিফার জেসন লেই অভিনীত চরিত্রটি মূলত তোমাকে মাথায় রেখেই লেখা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে লরেন্স স্বীকার করেন যে, ছবিটির প্রস্তাব তিনি নিজেই ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, সেটা করা উচিত হয়নি।

তবে ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন হলিউড’-এ তাকে কেন দেখা যায়নি এই প্রশ্নের জবাবে লরেন্স জানান, ট্যারান্টিনোর আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও অনলাইনে সমালোচনা শুরু হয় যে তিনি শ্যারন টেট চরিত্রে অভিনয়ের জন্য যথেষ্ট সুন্দরী নন।

লরেন্স বলেন, ‘পরিচালক আমাকে নিতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত দর্শকেরা বলতে শুরু করে, আমি শ্যারন টেট হওয়ার মতো সুন্দরী নই। নেটদুনিয়া যেন আমাকে কুৎসিত বলার জন্যই উঠে-পড়ে লেগেছিল। তাই পরে ছবির নির্মাতারাও আমাকে আর চায়নি।’

পরে শ্যারন টেটের ভূমিকায় অভিনয় করেন মার্গট রবি। শ্যারন টেট ছিলেন একজন বাস্তব জীবনের অভিনেত্রী ও মডেল, যিনি ১৯৬৯ সালে কুখ্যাত ম্যানসন পরিবারের হামলায় নিহত হন।

উল্লেখ্য, ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন হলিউড’ ছবিটি ১৯৬৯ সালের লস অ্যাঞ্জেলেসের পটভূমিতে নির্মিত। এতে এক অভিনেতা ও তার স্টান্ট ডাবলের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে, যারা নিজেদের ম্লান হয়ে আসা ক্যারিয়ার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। শ্যারন টেট হত্যাকাণ্ডের আলোকে ছবিটির গল্প আবর্তিত হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিকিটের অগ্নিমূল্যে যাত্রীদের নাভিশ্বাস

সুন্দরী না হওয়ায় সিনেমা থেকে বাদ পড়েন লরেন্স

আপডেট সময় ০৭:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স সম্প্রতি জানিয়েছেন, নিজের চেহারা নিয়ে নেটদুনিয়ায় সমালোচনার কারণেই কুয়েন্টিন ট্যারান্টিনো পরিচালিত আলোচিত ছবি ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন হলিউড’-এ তিনি সুযোগ পাননি।

৩৫ বছর বয়সী ‘ডাই মাই লাভ’খ্যাত এ অভিনেত্রী ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড উইথ জোশ হোরোভিটজ’ পডকাস্টে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটিতে ব্র্যাড পিট, লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও মার্গট রবির মতো তারকারা অভিনয় করেন।

পডকাস্টে হোরোভিটজ লরেন্সের উদ্দেশ্যে বলেন, ট্যারান্টিনো একাধিকবার তোমাকে নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। ‘দ্য হেটফুল এইট’ ছবির জেনিফার জেসন লেই অভিনীত চরিত্রটি মূলত তোমাকে মাথায় রেখেই লেখা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে লরেন্স স্বীকার করেন যে, ছবিটির প্রস্তাব তিনি নিজেই ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, সেটা করা উচিত হয়নি।

তবে ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন হলিউড’-এ তাকে কেন দেখা যায়নি এই প্রশ্নের জবাবে লরেন্স জানান, ট্যারান্টিনোর আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও অনলাইনে সমালোচনা শুরু হয় যে তিনি শ্যারন টেট চরিত্রে অভিনয়ের জন্য যথেষ্ট সুন্দরী নন।

লরেন্স বলেন, ‘পরিচালক আমাকে নিতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত দর্শকেরা বলতে শুরু করে, আমি শ্যারন টেট হওয়ার মতো সুন্দরী নই। নেটদুনিয়া যেন আমাকে কুৎসিত বলার জন্যই উঠে-পড়ে লেগেছিল। তাই পরে ছবির নির্মাতারাও আমাকে আর চায়নি।’

পরে শ্যারন টেটের ভূমিকায় অভিনয় করেন মার্গট রবি। শ্যারন টেট ছিলেন একজন বাস্তব জীবনের অভিনেত্রী ও মডেল, যিনি ১৯৬৯ সালে কুখ্যাত ম্যানসন পরিবারের হামলায় নিহত হন।

উল্লেখ্য, ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন হলিউড’ ছবিটি ১৯৬৯ সালের লস অ্যাঞ্জেলেসের পটভূমিতে নির্মিত। এতে এক অভিনেতা ও তার স্টান্ট ডাবলের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে, যারা নিজেদের ম্লান হয়ে আসা ক্যারিয়ার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। শ্যারন টেট হত্যাকাণ্ডের আলোকে ছবিটির গল্প আবর্তিত হয়েছে।