ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপপুরে বালিশ-কাণ্ডের চেয়েও বড় দুর্নীতির তথ্য ফাঁস ৮০০ কোটি টাকায় বেঙ্গল গ্রুপের ২৬ তলা ‘সুইস টাওয়ার’ কিনছে পূবালী ব্যাংক ৫০ হাজার টাকার বেতনে কোটি টাকার সম্পদ-শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীকে ঘিরে অনুসন্ধান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে স্ত্রী-সন্তানসহ জালিয়াতি, হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি ও দুর্নীতির অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ প্রকল্পে ২৫৪ কোটি টাকার টেন্ডার জালিয়াতির অভিযোগ ঢামেকে কোটি টাকার অর্থ লোপাটের অভিযোগে তোলপাড়, অভিযুক্ত ৩ কর্মকর্তা থার্ড টার্মিনালে অনুমোদন ছাড়াই ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন রাজউকের পলাশ

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্দিরগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম আপিলে তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে হলফনামা ও মনোনয়ন ফর্মে তথ্যগত ঘাটতির অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।

অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম বলেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞ। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় এই রায় গুরুত্বপূর্ণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের জনগণই আমার শক্তি। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটে আমি জয়যুক্ত হবো। শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণের রায় প্রতিফলিত হবে- এটাই আমার প্রত্যাশা।

অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯১ সালের পঞ্চম, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ,১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এ ছাড়াও তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিউর রহমান নানু মুফতি, গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস, বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী, খেলাফত মজলিসের শাহজাহান, জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া, জনতার দলের প্রার্থী আব্দুল করিম মুফতি, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রায়হান কবির।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপপুরে বালিশ-কাণ্ডের চেয়েও বড় দুর্নীতির তথ্য ফাঁস

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম

আপডেট সময় ০৭:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্দিরগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম আপিলে তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে হলফনামা ও মনোনয়ন ফর্মে তথ্যগত ঘাটতির অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।

অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম বলেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞ। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় এই রায় গুরুত্বপূর্ণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের জনগণই আমার শক্তি। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটে আমি জয়যুক্ত হবো। শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণের রায় প্রতিফলিত হবে- এটাই আমার প্রত্যাশা।

অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯১ সালের পঞ্চম, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ,১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এ ছাড়াও তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিউর রহমান নানু মুফতি, গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস, বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী, খেলাফত মজলিসের শাহজাহান, জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া, জনতার দলের প্রার্থী আব্দুল করিম মুফতি, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রায়হান কবির।