ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৯ বছরেই বাবা হচ্ছেন এনদ্রিক, জন্মের আগেই ছেলের নাম রাখা হলো ‘কেন্দ্রিক’ রাষ্ট্রপতি দলীয় নাকি বাইরে থেকে সিদ্ধান্ত বিএনপির বৈঠকে : মির্জা ফখরুল বিগত সরকারের সীমাহীন অনিয়মে স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়েছিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ গেল বাবার নীলফামারীতে দুই মাস পর আবারও জ্বালানি তেলের সংকট নওগাঁর ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নীলফামারী ডোমারে ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদ গ্রেফতার টানা বৃষ্টির প্রভাবে বাড়ল পেঁয়াজের দাম ডুগডুগী বড়গাছা বাজারে বিকাশ দোকানে ১ লাখ টাকা চুরি ক্ষুব্ধ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা

পিপিপি থেকে বাদ দেওয়া হলো নিউ মডার্ন মেডিকেল কলেজ প্রকল্প

খুলনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবহৃত জমিতে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এক যুগেরও বেশি সময় আগে। তবে দীর্ঘ ১৩ বছর পার হলেও প্রয়োজনীয় জমির সংকটে আলোর মুখ দেখেনি প্রকল্পটি।

শেষ পর্যন্ত সেই ‘নিউ মডার্ন মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল অব ২৫০ বেডস অন দ্য আনইউজড ল্যান্ড ইন খুলনা’ শীর্ষক প্রকল্পটি পিপিপি তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৫ দশমিক ৫২ একর জমির ওপর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ছিল। তবে প্রকল্পের জন্য এই জমি প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় রেলপথ মন্ত্রণালয় এটি পিপিপি তালিকা থেকে প্রত্যাহারের প্রস্তাব নিয়ে আসে। উপদেষ্টা পরিষদ প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

জানা গেছে, ২০১২ সালে খুলনায় রেলওয়ের অব্যবহৃত ১৫ দশমিক ৫২ একর জমির ওপর ২৫০ শয্যার এই হাসপাতাল তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১৪ আগস্ট অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির বৈঠকে প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছিল।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত জায়গা পর্যাপ্ত না হওয়ায় সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য কোনো ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজর (টিএ) নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে প্রকল্পের কার্যক্রম স্থবির হয়ে থাকায় এটি পিপিপি তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয় এবং উপদেষ্টা পরিষদ তা অনুমোদন করে। ৮০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের এই প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত বাতিলের খাতায় চলে গেল।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৯ বছরেই বাবা হচ্ছেন এনদ্রিক, জন্মের আগেই ছেলের নাম রাখা হলো ‘কেন্দ্রিক’

পিপিপি থেকে বাদ দেওয়া হলো নিউ মডার্ন মেডিকেল কলেজ প্রকল্প

আপডেট সময় ০৫:২১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

খুলনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবহৃত জমিতে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এক যুগেরও বেশি সময় আগে। তবে দীর্ঘ ১৩ বছর পার হলেও প্রয়োজনীয় জমির সংকটে আলোর মুখ দেখেনি প্রকল্পটি।

শেষ পর্যন্ত সেই ‘নিউ মডার্ন মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল অব ২৫০ বেডস অন দ্য আনইউজড ল্যান্ড ইন খুলনা’ শীর্ষক প্রকল্পটি পিপিপি তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৫ দশমিক ৫২ একর জমির ওপর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ছিল। তবে প্রকল্পের জন্য এই জমি প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় রেলপথ মন্ত্রণালয় এটি পিপিপি তালিকা থেকে প্রত্যাহারের প্রস্তাব নিয়ে আসে। উপদেষ্টা পরিষদ প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

জানা গেছে, ২০১২ সালে খুলনায় রেলওয়ের অব্যবহৃত ১৫ দশমিক ৫২ একর জমির ওপর ২৫০ শয্যার এই হাসপাতাল তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১৪ আগস্ট অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির বৈঠকে প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছিল।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত জায়গা পর্যাপ্ত না হওয়ায় সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য কোনো ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজর (টিএ) নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে প্রকল্পের কার্যক্রম স্থবির হয়ে থাকায় এটি পিপিপি তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয় এবং উপদেষ্টা পরিষদ তা অনুমোদন করে। ৮০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের এই প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত বাতিলের খাতায় চলে গেল।