বান্দরবানের লামা উপজেলায় কাঠ,লাকরি বিক্রির পাওনা টাকা চাওয়ায় ওসমান গণি (২৮) নামের এক ব্যবসায়ীকে অতর্কিত হামলা চালিয়ে পিটিয়ে জখম ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১২:০০ ঘটিকায় লামা পৌরসভার চাম্পাতলী মোড় সংলগ্ন কিরণের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ওসমান গণি লামা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের নয়া পাড়া এলাকার মৃত মোঃ সোলাইমানের ছেলে। ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদী মোঃ আবু মুছা (২৭)-এর নিকট কাঠ বিক্রির বাবদ ৬৮,১৮০/- (আটষট্টি হাজার একশত আশি) টাকা পাওনা ছিলেন ওসমান গণি। দীর্ঘদিন ধরে উক্ত টাকা পরিশোধ না করে টালবাহানা ও হয়রানি করে আসছিলেন আবু মুছা। ২৫ জুলাই দুপুরে আবু মুছা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় ওসমান গণি তাঁকে থামান এবং পাওনা টাকা দাবি করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আবু মুছা গালিগালাজ শুরু করেন এবং মুঠোফোনে খবর দিয়ে অন্যান্য সহযোগীদের ঘটনাস্থলে ডেকে আনেন।
খবর পেয়ে অন্য বিবাদীরা স্টিলের পাইপ ও মোটা গাছের বাটাম নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওসমান গণির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁর বুক, পিঠ, কোমর, পা, হাত ও কাঁধসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর নীলাফুলা জখম করে।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মারধরের একপর্যায়ে ১নং বিবাদী মাহফুজ (২২) ভুক্তভোগীর পকেটে থাকা ৩৫,২৩০/- (পঁয়ত্রিশ হাজার দুইশত ত্রিশ) টাকা ছিনিয়ে নেয়।
এই ঘটনায় মাহফুজ (২২) মোঃ নাছির (৪৮), মাছুম (২৪), মোঃ আবু মুছা (২৭) মোঃ সোহেল (২১)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৭ জনকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওসমান গণি।
স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করলে বিবাদীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে ফেরার পথে লামা বাজারে পুনরায় ভুক্তভোগীকে দেখতে পেয়ে বিবাদীরা গালিগালাজ ও মারধরের চেষ্টা চালায়।
লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান,বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বান্দরবান প্রতিনিধি 


















