ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের শাসনব্যবস্থার অন্তিম লগ্ন দেখছে জার্মানি

ইরানে বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানের জেরে সরকারের ওপর ক্রমেই চাপ বাড়ছে। এ বিক্ষোভে শত শত মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মেৎস মঙ্গলবার বলেছেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা কার্যত শেষের পথে।

ভারত সফরকালে বেঙ্গালুরুতে সাংবাদিকদের মেৎস বলেন, ‘যখন কোনো শাসনব্যবস্থা কেবল সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকে, তখন তা কার্যত শেষ হয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, আমরা এখন এই শাসনব্যবস্থার শেষ দিন ও সপ্তাহগুলো প্রত্যক্ষ করছি।’

মেৎসের মতে, ইরানের নেতাদের ‘কোনো বৈধতা নেই’, কারণ তারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নন এবং জনগণ এখন ‘জেগে উঠছে’।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি আশা করি, এই সংঘাত শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করার একটি পথ থাকবে।’

তিনি জানান, বার্লিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য ইউরোপীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, যাতে ‘ইরানে একটি গণতান্ত্রিক সরকারের দিকে শান্তিপূর্ণ রূপান্তর নিশ্চিত করা যায়’।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া দেশব্যাপী এই বিক্ষোভ ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে ইরান শাসন করে আসা ধর্মতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।

একটি মানবাধিকার সংগঠনের মতে, বিক্ষোভ দমনের অভিযানে অন্তত ৬০০ মানুষ নিহত হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের শাসনব্যবস্থার অন্তিম লগ্ন দেখছে জার্মানি

আপডেট সময় ০৩:৫৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানের জেরে সরকারের ওপর ক্রমেই চাপ বাড়ছে। এ বিক্ষোভে শত শত মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মেৎস মঙ্গলবার বলেছেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা কার্যত শেষের পথে।

ভারত সফরকালে বেঙ্গালুরুতে সাংবাদিকদের মেৎস বলেন, ‘যখন কোনো শাসনব্যবস্থা কেবল সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকে, তখন তা কার্যত শেষ হয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, আমরা এখন এই শাসনব্যবস্থার শেষ দিন ও সপ্তাহগুলো প্রত্যক্ষ করছি।’

মেৎসের মতে, ইরানের নেতাদের ‘কোনো বৈধতা নেই’, কারণ তারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নন এবং জনগণ এখন ‘জেগে উঠছে’।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি আশা করি, এই সংঘাত শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করার একটি পথ থাকবে।’

তিনি জানান, বার্লিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য ইউরোপীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, যাতে ‘ইরানে একটি গণতান্ত্রিক সরকারের দিকে শান্তিপূর্ণ রূপান্তর নিশ্চিত করা যায়’।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া দেশব্যাপী এই বিক্ষোভ ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে ইরান শাসন করে আসা ধর্মতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।

একটি মানবাধিকার সংগঠনের মতে, বিক্ষোভ দমনের অভিযানে অন্তত ৬০০ মানুষ নিহত হয়েছে।