ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানে হামলা: স্টারমারকে নিয়ে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের ওপর মার্কিন হামলায় স্টারমারের বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য সান’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী স্টারমার আদৌ সহায়ক ছিলেন না। আমি ভাবতেও পারিনি যে আমাকে এমন কিছু দেখতে হবে। যুক্তরাজ্যের কাছে থেকে আমি এমনটা কখনোই আশা করিনি।’ টেলিফোনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এটা দেখে খুব খারাপ লাগছে। আমাদের সম্পর্ক স্পষ্টতই আগের মতো নেই।’

এর আগে সোমবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে স্টারমার বলেছিলেন, তাঁর সরকার আকাশ থেকে হামলা চালিয়ে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে বিশ্বাসী না।

শুরুতে যুক্তরাজ্য ইরানে আক্রমণের জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমতি দেয়নি। তবে পরে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিরক্ষামূলক হামলার জন্য ঘাঁটিগুলো উন্মুক্ত করে দেয়। দ্য সানকে ট্রাম্প বলেন, ফ্রান্স চমৎকার ভূমিকা পালন করেছে। অন্যরাও দারুণ। কিন্তু যুক্তরাজ্য অন্যদের তুলনায় একেবারেই ভিন্ন আচরণ করেছে।

এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব ড্যারেন জোন্স বিবিসিকে বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক এখনো গুরুত্বপূর্ণ। আমি বুঝতে পারছি যে প্রথম দফার হামলায় আমরা জড়িত না থাকায় প্রেসিডেন্ট (ট্রাম্প) অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

ড্যারেন জোন্স স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাজ্য কেবল তখনই ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়োজিত করবে যখন এটি করার আইনি ভিত্তি থাকবে। দেশেরও স্বার্থ থাকতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের আভিযানিক সম্পর্ক আগের মতোই আছে। কারণ দুই দেশের সামরিক বাহিনী এই মুহূর্তেই একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে হামলা: স্টারমারকে নিয়ে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় ০২:৪৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের ওপর মার্কিন হামলায় স্টারমারের বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য সান’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী স্টারমার আদৌ সহায়ক ছিলেন না। আমি ভাবতেও পারিনি যে আমাকে এমন কিছু দেখতে হবে। যুক্তরাজ্যের কাছে থেকে আমি এমনটা কখনোই আশা করিনি।’ টেলিফোনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এটা দেখে খুব খারাপ লাগছে। আমাদের সম্পর্ক স্পষ্টতই আগের মতো নেই।’

এর আগে সোমবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে স্টারমার বলেছিলেন, তাঁর সরকার আকাশ থেকে হামলা চালিয়ে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে বিশ্বাসী না।

শুরুতে যুক্তরাজ্য ইরানে আক্রমণের জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমতি দেয়নি। তবে পরে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিরক্ষামূলক হামলার জন্য ঘাঁটিগুলো উন্মুক্ত করে দেয়। দ্য সানকে ট্রাম্প বলেন, ফ্রান্স চমৎকার ভূমিকা পালন করেছে। অন্যরাও দারুণ। কিন্তু যুক্তরাজ্য অন্যদের তুলনায় একেবারেই ভিন্ন আচরণ করেছে।

এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব ড্যারেন জোন্স বিবিসিকে বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক এখনো গুরুত্বপূর্ণ। আমি বুঝতে পারছি যে প্রথম দফার হামলায় আমরা জড়িত না থাকায় প্রেসিডেন্ট (ট্রাম্প) অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

ড্যারেন জোন্স স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাজ্য কেবল তখনই ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়োজিত করবে যখন এটি করার আইনি ভিত্তি থাকবে। দেশেরও স্বার্থ থাকতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের আভিযানিক সম্পর্ক আগের মতোই আছে। কারণ দুই দেশের সামরিক বাহিনী এই মুহূর্তেই একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।