ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপপুরে বালিশ-কাণ্ডের চেয়েও বড় দুর্নীতির তথ্য ফাঁস ৮০০ কোটি টাকায় বেঙ্গল গ্রুপের ২৬ তলা ‘সুইস টাওয়ার’ কিনছে পূবালী ব্যাংক ৫০ হাজার টাকার বেতনে কোটি টাকার সম্পদ-শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীকে ঘিরে অনুসন্ধান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে স্ত্রী-সন্তানসহ জালিয়াতি, হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি ও দুর্নীতির অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ প্রকল্পে ২৫৪ কোটি টাকার টেন্ডার জালিয়াতির অভিযোগ ঢামেকে কোটি টাকার অর্থ লোপাটের অভিযোগে তোলপাড়, অভিযুক্ত ৩ কর্মকর্তা থার্ড টার্মিনালে অনুমোদন ছাড়াই ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন রাজউকের পলাশ

তেঁতুলিয়ায় টানা চার দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টানা চার দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের পর আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আজ সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। ভোরে ঘন কুয়াশা না থাকায় সকাল থেকেই ঝলমলে রোদের দেখা মিলেছে, যা জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে।

এর আগে রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সেদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। ওই দিন বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার।

চলতি শীত মৌসুমে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমের সর্বনিম্ন। ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েক দিন ধরে ঘন কুয়াশা ও টানা শীতের কারণে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন ছিল বিপর্যস্ত। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা। কুয়াশার কারণে সড়ক-মহাসড়কে দৃশ্যমানতা কমে গিয়ে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। অনেক চালককে ধীরগতিতে যানবাহন চালাতে দেখা গেছে।

শীতের তীব্রতায় জেলার বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ কাজে বের হতে পারছিলেন না। শীত নিবারণের জন্য ভোর থেকেই গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো, শুকনো পাতা ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা করছে। রোববার পর্যন্ত জেলায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেলেও আজ তা মৃদু শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিয়েছে। তবে আগামী কয়েক দিন শীতের এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপপুরে বালিশ-কাণ্ডের চেয়েও বড় দুর্নীতির তথ্য ফাঁস

তেঁতুলিয়ায় টানা চার দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

আপডেট সময় ০১:৩৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টানা চার দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের পর আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আজ সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। ভোরে ঘন কুয়াশা না থাকায় সকাল থেকেই ঝলমলে রোদের দেখা মিলেছে, যা জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে।

এর আগে রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সেদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। ওই দিন বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার।

চলতি শীত মৌসুমে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমের সর্বনিম্ন। ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েক দিন ধরে ঘন কুয়াশা ও টানা শীতের কারণে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন ছিল বিপর্যস্ত। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা। কুয়াশার কারণে সড়ক-মহাসড়কে দৃশ্যমানতা কমে গিয়ে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। অনেক চালককে ধীরগতিতে যানবাহন চালাতে দেখা গেছে।

শীতের তীব্রতায় জেলার বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ কাজে বের হতে পারছিলেন না। শীত নিবারণের জন্য ভোর থেকেই গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো, শুকনো পাতা ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা করছে। রোববার পর্যন্ত জেলায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেলেও আজ তা মৃদু শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিয়েছে। তবে আগামী কয়েক দিন শীতের এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।