ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী ব্যর্থ জ্বালানি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম রোজার চার মাস আগেই কারসাজি, ছয় পণ্যের দামে সিন্ডিকেটের অভিযোগ লালপুরে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘প্রেমিকের সঙ্গে কক্সবাজারের হোটেলে উঠতে পারবে না অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরা’ ভাড়া বাসায় মাদক সেবনরত অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবলসহ দুইজন আটক নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্লোব শপিং সেন্টারে হামলা-লুটের অভিযোগ, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশের দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন এসেনশিয়াল ড্রাগসে জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ, নেপথ্যে শামীম আহমেদের স্বজনপ্রীতি হুথি হামলার জেরে তেলের দাম গত ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

পেশি গঠনে অপরিহার্য প্রোটিন, কোন খাবারে বেশি পাবেন

  • লাইফস্টাইল
  • আপডেট সময় ০৫:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৫১ বার পড়া হয়েছে

পেশি গঠন ও মেরামতের জন্য প্রোটিনকে অপরিহার্য হিসেবে ধরা হয়। বিশেষ করে যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা শক্তি প্রশিক্ষণ করেন তাদের জন্য বেশি প্রয়োজন। আমিষভোজীদের জন্য মাছ ও মুরগির মাংস প্রোটিনের চমৎকার উৎস। উভয়ই কম চর্বিযুক্ত এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, পেশি বৃদ্ধির জন্য কোনটা বেশি ভালো এবং কেন? সে উত্তর জানাতেই আজকের প্রতিবেদন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক—

প্রোটিনের পরিমাণ

মুরগির বুকের মাংসকে চর্বিহীন প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০০ গ্রাম মুরগির মাংসে প্রায় ২৫-২৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এতে সব প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা পেশি মেরামত ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

মাছেও ভালো মানের প্রোটিন থাকে। বিভিন্ন ধরনের মাছে প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ২০-২৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। মুরগির মতো মাছও প্রোটিনের একটি ভালো উৎস এবং পেশি গঠনে সাহায্য করে।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড

মাছের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড।

এগুলো পেশি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, ব্যায়ামের পরের ব্যথা কমায় এবং জয়েন্টের স্বাস্থ্য উন্নত করে। এটি দীর্ঘক্ষণ প্রশিক্ষণ নেওয়া সহজ করে তোলে। অন্যদিকে, মুরগিতে প্রাকৃতিকভাবে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে না, যতক্ষণ না এটি বিশেষভাবে যোগ করা হয়।
হজম ও শোষণ

মাছের নরম ফাইবারের কারণে এটি সাধারণত দ্রুত হজম হয়, যা দ্রুত প্রোটিন গ্রহণের জন্য এটিকে একটি স্বাস্থ্যকর পছন্দ করে তোলে। মুরগি মাংস হজম হতে কিছুটা বেশি সময় নেয়, তবে এটি ধীরে ধীরে অ্যামিনো এসিড নির্গত করে, যা দীর্ঘমেয়াদি পেশি মেরামতকে উৎসাহিত করে।

ক্যালরি ও ওজন নিয়ন্ত্রণ

ত্বকবিহীন মুরগির বুকের মাংসে ক্যালরি কম থাকে, যা চর্বি না বাড়িয়ে পেশি গঠনের জন্য এটিকে আদর্শ করে তোলে। চর্বিযুক্ত মাছে স্বাস্থ্যকর চর্বি থাকার কারণে ক্যালরি কিছুটা বেশি থাকে। তবে এটি পুনরুদ্ধার এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, বিশেষ করে কঠোর প্রশিক্ষণের সময়।

অ্যামিনো এসিড

মাছ ও মুরগির মাংস উভয়টিতেই লিউসিনসহ প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিড রয়েছে। লিউসিন পেশি বৃদ্ধি শুরু করতে একটি মূল ভূমিকা পালন করে। মুরগিতে লিউসিনের পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকে, যা ব্যায়ামের পরে পুনরুদ্ধারের জন্য এটিকে আরো কার্যকর করে তোলে। মাছে লিউসিনের পরিমাণ কিছুটা কম থাকে।

পেশি বৃদ্ধির জন্য কোনটি ভালো?

পেশি গঠনের জন্য মাছ ও মুরগির মাংস উভয়ই প্রোটিনের চমৎকার উৎস। যদি আপনার লক্ষ্য কম চর্বিসহ চর্বিহীন পেশি তৈরি করা হয়, তবে মুরগি একটি ভালো বিকল্প। তবে, আপনি যদি উন্নত পুনরুদ্ধার, জয়েন্টের স্বাস্থ্য এবং প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি পেশি বৃদ্ধি চান, তবে মাছ বেশি উপকারী।

খাদ্যাভ্যাসে উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করা সবচেয়ে ভালো। মুরগির মাংস খেলে চর্বিহীন প্রোটিন পাওয়া যাবে, আর মাছ খেলে পেশি পুনরুদ্ধার দ্রুত হবে।

সূত্র : আজতক বাংলা

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

পেশি গঠনে অপরিহার্য প্রোটিন, কোন খাবারে বেশি পাবেন

আপডেট সময় ০৫:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

পেশি গঠন ও মেরামতের জন্য প্রোটিনকে অপরিহার্য হিসেবে ধরা হয়। বিশেষ করে যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা শক্তি প্রশিক্ষণ করেন তাদের জন্য বেশি প্রয়োজন। আমিষভোজীদের জন্য মাছ ও মুরগির মাংস প্রোটিনের চমৎকার উৎস। উভয়ই কম চর্বিযুক্ত এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, পেশি বৃদ্ধির জন্য কোনটা বেশি ভালো এবং কেন? সে উত্তর জানাতেই আজকের প্রতিবেদন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক—

প্রোটিনের পরিমাণ

মুরগির বুকের মাংসকে চর্বিহীন প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০০ গ্রাম মুরগির মাংসে প্রায় ২৫-২৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এতে সব প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা পেশি মেরামত ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

মাছেও ভালো মানের প্রোটিন থাকে। বিভিন্ন ধরনের মাছে প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ২০-২৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। মুরগির মতো মাছও প্রোটিনের একটি ভালো উৎস এবং পেশি গঠনে সাহায্য করে।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড

মাছের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড।

এগুলো পেশি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, ব্যায়ামের পরের ব্যথা কমায় এবং জয়েন্টের স্বাস্থ্য উন্নত করে। এটি দীর্ঘক্ষণ প্রশিক্ষণ নেওয়া সহজ করে তোলে। অন্যদিকে, মুরগিতে প্রাকৃতিকভাবে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে না, যতক্ষণ না এটি বিশেষভাবে যোগ করা হয়।
হজম ও শোষণ

মাছের নরম ফাইবারের কারণে এটি সাধারণত দ্রুত হজম হয়, যা দ্রুত প্রোটিন গ্রহণের জন্য এটিকে একটি স্বাস্থ্যকর পছন্দ করে তোলে। মুরগি মাংস হজম হতে কিছুটা বেশি সময় নেয়, তবে এটি ধীরে ধীরে অ্যামিনো এসিড নির্গত করে, যা দীর্ঘমেয়াদি পেশি মেরামতকে উৎসাহিত করে।

ক্যালরি ও ওজন নিয়ন্ত্রণ

ত্বকবিহীন মুরগির বুকের মাংসে ক্যালরি কম থাকে, যা চর্বি না বাড়িয়ে পেশি গঠনের জন্য এটিকে আদর্শ করে তোলে। চর্বিযুক্ত মাছে স্বাস্থ্যকর চর্বি থাকার কারণে ক্যালরি কিছুটা বেশি থাকে। তবে এটি পুনরুদ্ধার এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, বিশেষ করে কঠোর প্রশিক্ষণের সময়।

অ্যামিনো এসিড

মাছ ও মুরগির মাংস উভয়টিতেই লিউসিনসহ প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিড রয়েছে। লিউসিন পেশি বৃদ্ধি শুরু করতে একটি মূল ভূমিকা পালন করে। মুরগিতে লিউসিনের পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকে, যা ব্যায়ামের পরে পুনরুদ্ধারের জন্য এটিকে আরো কার্যকর করে তোলে। মাছে লিউসিনের পরিমাণ কিছুটা কম থাকে।

পেশি বৃদ্ধির জন্য কোনটি ভালো?

পেশি গঠনের জন্য মাছ ও মুরগির মাংস উভয়ই প্রোটিনের চমৎকার উৎস। যদি আপনার লক্ষ্য কম চর্বিসহ চর্বিহীন পেশি তৈরি করা হয়, তবে মুরগি একটি ভালো বিকল্প। তবে, আপনি যদি উন্নত পুনরুদ্ধার, জয়েন্টের স্বাস্থ্য এবং প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি পেশি বৃদ্ধি চান, তবে মাছ বেশি উপকারী।

খাদ্যাভ্যাসে উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করা সবচেয়ে ভালো। মুরগির মাংস খেলে চর্বিহীন প্রোটিন পাওয়া যাবে, আর মাছ খেলে পেশি পুনরুদ্ধার দ্রুত হবে।

সূত্র : আজতক বাংলা