ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে নীলফামারীর শিক্ষার্থীদের সমর্থন বরগুনার পাথরঘাটায় লেমুয়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক বন্যায় দেশে ৫৬ জনের মৃত্যু, ১০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে এক দেশ, এক কিউআর’ বাস্তবায়নে কুঞ্জেরহাটে পূবালী ব্যাংকের বর্ণাঢ্য আয়োজন ত্বকের চুলকানি দূর করবে যেসব ঘরোয়া উপায় থাইল্যান্ডের বারে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মির্জা ফখরুলের সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৩ দাবি ঘোষণা শিক্ষার্থীদের জুয়ার নেশা মেটাতে একসঙ্গে ১৪ জনকে বিয়ে করলেন চীনা নারী বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চের তারকা সঞ্জয় এবার মাতাবেন ঢাকা

ত্বকের চুলকানি দূর করবে যেসব ঘরোয়া উপায়

ত্বকে চুলকানি খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। কখনও শুষ্ক ত্বক, কখনও অ্যালার্জি, কখনও জলাবদ্ধতার পচা পানি, আবার কখনও কোনো রোগের কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকেই চুলকানি কমাতে বারবার ত্বক চুলকান, কিন্তু এতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কারণ বুঝে সঠিক যত্ন নিলে অনেক ক্ষেত্রেই ঘরোয়া উপায়ে চুলকানি থেকে স্বস্তি পাওয়া সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা জানান, শুষ্ক ত্বক, একজিমা, সোরিয়াসিস, পোকামাকড়ের কামড়, অ্যালার্জি, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যকৃত ও কিডনির রোগ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা, বয়সজনিত পরিবর্তন, এমনকি মানসিক চাপও ত্বকে চুলকানির কারণ হতে পারে।

চুলকানি কমাতে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আক্রান্ত স্থানে কয়েক মিনিট ঠান্ডা ভেজা তোয়ালে বা বরফে মোড়ানো কাপড় ব্যবহার করা। এতে ত্বকের জ্বালা ও অস্বস্তি অনেকটাই কমে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে শুষ্কতা কমে এবং চুলকানিও কমতে পারে। চাইলে ঠান্ডা করে রাখা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে আরও বেশি আরাম পাওয়া যায়।

ওটস দিয়ে গোসল বা ওটস মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলেও চুলকানি ও শুষ্কতা কমতে পারে। একইভাবে বেকিং সোডা মিশিয়ে গোসল বা পেস্ট তৈরি করে ব্যবহার করলে অনেকের ক্ষেত্রে উপকার মিলতে পারে। মাথার ত্বকে চুলকানি হলে আপেলের ভিনেগার ও পানি সমান পরিমাণে মিশিয়ে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যবহার শেষে অবশ্যই হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

এছাড়া চুলকানির জায়গায় ভেজা কাপড় পেঁচিয়ে রাখা, ত্বক শান্ত রাখার লোশন ব্যবহার এবং মানসিক চাপ কমানোর মতো অভ্যাসও উপকার করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলকানি এড়াতে কিছু নিয়ম মেনে চলাও জরুরি। বেশি সময় গরম পানিতে গোসল না করা, সুগন্ধিবিহীন সাবান ও লোশন ব্যবহার করা, ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা এবং ঘরের পরিবেশ ঠান্ডা ও আরামদায়ক রাখা ত্বকের জন্য উপকারী।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি চুলকানি দীর্ঘদিন থাকে, খুব বেশি বেড়ে যায় বা এর সঙ্গে অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে শুধু ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ অনেক সময় ত্বকের চুলকানি শরীরের অন্য কোনো রোগেরও লক্ষণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক যত্ন, নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যা এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শই ত্বকের চুলকানি থেকে স্থায়ীভাবে স্বস্তি পাওয়ার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে নীলফামারীর শিক্ষার্থীদের সমর্থন

ত্বকের চুলকানি দূর করবে যেসব ঘরোয়া উপায়

আপডেট সময় ০৬:০৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ত্বকে চুলকানি খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। কখনও শুষ্ক ত্বক, কখনও অ্যালার্জি, কখনও জলাবদ্ধতার পচা পানি, আবার কখনও কোনো রোগের কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকেই চুলকানি কমাতে বারবার ত্বক চুলকান, কিন্তু এতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কারণ বুঝে সঠিক যত্ন নিলে অনেক ক্ষেত্রেই ঘরোয়া উপায়ে চুলকানি থেকে স্বস্তি পাওয়া সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা জানান, শুষ্ক ত্বক, একজিমা, সোরিয়াসিস, পোকামাকড়ের কামড়, অ্যালার্জি, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যকৃত ও কিডনির রোগ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা, বয়সজনিত পরিবর্তন, এমনকি মানসিক চাপও ত্বকে চুলকানির কারণ হতে পারে।

চুলকানি কমাতে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আক্রান্ত স্থানে কয়েক মিনিট ঠান্ডা ভেজা তোয়ালে বা বরফে মোড়ানো কাপড় ব্যবহার করা। এতে ত্বকের জ্বালা ও অস্বস্তি অনেকটাই কমে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে শুষ্কতা কমে এবং চুলকানিও কমতে পারে। চাইলে ঠান্ডা করে রাখা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে আরও বেশি আরাম পাওয়া যায়।

ওটস দিয়ে গোসল বা ওটস মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলেও চুলকানি ও শুষ্কতা কমতে পারে। একইভাবে বেকিং সোডা মিশিয়ে গোসল বা পেস্ট তৈরি করে ব্যবহার করলে অনেকের ক্ষেত্রে উপকার মিলতে পারে। মাথার ত্বকে চুলকানি হলে আপেলের ভিনেগার ও পানি সমান পরিমাণে মিশিয়ে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যবহার শেষে অবশ্যই হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

এছাড়া চুলকানির জায়গায় ভেজা কাপড় পেঁচিয়ে রাখা, ত্বক শান্ত রাখার লোশন ব্যবহার এবং মানসিক চাপ কমানোর মতো অভ্যাসও উপকার করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলকানি এড়াতে কিছু নিয়ম মেনে চলাও জরুরি। বেশি সময় গরম পানিতে গোসল না করা, সুগন্ধিবিহীন সাবান ও লোশন ব্যবহার করা, ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা এবং ঘরের পরিবেশ ঠান্ডা ও আরামদায়ক রাখা ত্বকের জন্য উপকারী।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি চুলকানি দীর্ঘদিন থাকে, খুব বেশি বেড়ে যায় বা এর সঙ্গে অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে শুধু ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ অনেক সময় ত্বকের চুলকানি শরীরের অন্য কোনো রোগেরও লক্ষণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক যত্ন, নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যা এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শই ত্বকের চুলকানি থেকে স্থায়ীভাবে স্বস্তি পাওয়ার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।