রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ময়দান থেকে পাল্টাপাল্টি হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে উভয় পক্ষ। ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ দাবি করেছে, বিদায়ী ২০২৫ সালে ইউক্রেনের মাত্র ০.৮ শতাংশ ভূখণ্ড দখল করতে গিয়ে রাশিয়ার চার লাখেরও বেশি সেনা হতাহত (নিহত ও আহত) হয়েছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিপুল এই ক্ষয়ক্ষতির পরও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শান্তি আলোচনার পথে না হেঁটে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কৌশলেই অনড় রয়েছেন। কিয়েভের অভিযোগ, বছরের শেষ দিকে শান্তি আলোচনা এড়াতে মস্কো তথ্যগত বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
অন্যদিকে, নববর্ষ উদযাপনের সময় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রুশ-নিয়ন্ত্রিত খেরসন অঞ্চলে ব্যাপক প্রাণহানির দাবি করেছে রাশিয়া। রুশ কর্তৃপক্ষের দাবি, এই হামলায় এক শিশুসহ অন্তত ২৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
খেরসন অঞ্চলে রাশিয়ার নিয়োগ করা গভর্নর ভ্লাদিমির সালদো জানান, কৃষ্ণসাগরের উপকূলীয় গ্রাম খোরলিতে নববর্ষের উৎসবে মেতে থাকা মানুষের ওপর তিনটি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন হামলা চালায়। ড্রোনগুলো দাহ্য পদার্থ বহন করায় একটি হোটেল ও ক্যাফেতে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। এতে দগ্ধ হয়ে ও বিস্ফোরণে ২৪ জনের মৃত্যু হয়। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা জানিয়েছেন, হামলায় আহত পাঁচ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রাশিয়া এই ঘটনাকে ‘বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ’ বলে অভিহিত করলেও, ইউক্রেন তা প্রত্যাখ্যান করেছে। কিয়েভ জানিয়েছে, তাদের বাহিনী কেবল রুশ সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনাকেই লক্ষ্যবস্তু করে থাকে।
এদিকে মস্কো দাবি করেছে, বছরের প্রথম দিনে ইউক্রেন রাশিয়ার রাজধানী লক্ষ্য করে টানা ছয় ঘণ্টাব্যাপী ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























