সংবাদ শিরোনাম ::
আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে সাড়ে ৭ কোটি টাকার টেন্ডারে নয়ছয়ের অভিযোগ তিন মহাদেশে স্মার্ট টেকনোলজির ব্যবসা, আড়ালে অর্থপাচারের অভিযোগ দুই মাসের বকেয়াসহ জুলাই থেকেই নিয়মিত বেতন পাবেন মাদরাসাশিক্ষকরা : শিক্ষামন্ত্রী রাষ্ট্রের টাকায় নিজের ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! পছন্দের ঠিকাদারকে মাল বুঝে না পেয়েই বিল দিতে তড়িঘড়ি শাহীনের রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে সন্ধ্যার মধ্যে দেশের নয় জেলায় ঝড়ের শঙ্কা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে রায় আজ ভোলাহাট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ ড্যাপের নিয়ম ভেঙে প্রথমে হোটেল, এবার হচ্ছে বাণিজ্যিক ভবন

২০৩০ সালে ঢাকা ঢাকবে মেট্রোরেল ‘মাকড়শা’য়

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক বলেছেন, ছয়টি মেট্রোরেলের সমন্বয়ে একটি সংঘবদ্ধ মহাকর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ২১ দশমিক ২৬ কিমি ও ১৭ স্টেশন বিশিষ্ট মেট্রোরেলের নির্মাণ কর্মযজ্ঞ চলছে। আজ মেট্রোরেল লাইন-৬ এর একাংশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৩০ সালে ঢাকা মহানগরীতে মেট্রোরেলের একটা মাকড়শার জাল তৈরি করা সম্ভব হবে। এতে এক স্থান থেকে ঢাকার আরেক স্থানে যাতায়াত করতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের মেট্রোরেলের শুভ উদ্বোধনের পর উত্তরা উত্তর মেট্রো স্টেশনের পাশে আয়োজিত সুধী-সমাবেশে একথা বলেন তিনি।

 

এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, আরও তিনটি মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নাধীন আছে। মেট্রোরেল লাইন-১ বাংলাদেশে প্রথম পাতাল মেট্রোরেল। এর কাজ ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন বলে প্রত্যাশা করছি। এমআরটি লাইন-৫ এর কাজ ২০২৩ সালের জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন বলে আশা করছি।

তিনি বলেন, মেট্রোরেলের মূল একটা অনুষঙ্গ হচ্ছে ট্রানজিট ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট (পিওডি)। প্রধানমন্ত্রী উত্তরা উত্তর সেন্ট্রাল মেট্রো স্টেশনের পাশে ২৮ দশমিক ৬১ একর জায়গায় সংস্থান করে দিয়েছেন। সেখানে পিওডি জোন নির্মাণের জন্য নকশার কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, প্রত্যেকটি এমআরটি লাইনে যেন আমরা স্টেশন প্লাজা করি। এমআরটি লাইন-৬ অধীনে চারটি স্টেশন প্লাজা নির্মাণ কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে বাস্তবায়নাধীন।

ডিএমটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ঢাকা হচ্ছে প্রাণকেন্দ্র। কিন্তু এখানে গাড়ি চলার যে ঘনত্ব, গাড়ি যেভাবে চলাচল করে তা ছয় কিমির বেশি চলতে পারে না। আরও কম চলতে পারে। এমআরটি চালুর পরে, এই যে পরিবেশ তার উন্নয়ন হবে।

বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে আসা তথ্যের বরাতে ডিএমটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, শুধু যানজটের কারণে ও তার ফলশ্রুতিতে ৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতি হচ্ছে। এমআরটি নেটওয়ার্ক পুরোপুরি চালু হলে প্রতি বছর ৪০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

এমআরটি লাইন-৬ চালু হয়ে গেলে, ট্রাভেল টাইম কস্ট বাবদ আট কোটি ৩৮ লাখ টাকা প্রতিদিন সাশ্রয় হবে। সঙ্গে সঙ্গে ভেহিকেল অপারেশনস কস্ট বাবদ প্রায় সোয়া কোটি টাকা প্রতিদিন সাশ্রয় হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে সাড়ে ৭ কোটি টাকার টেন্ডারে নয়ছয়ের অভিযোগ

২০৩০ সালে ঢাকা ঢাকবে মেট্রোরেল ‘মাকড়শা’য়

আপডেট সময় ০১:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক বলেছেন, ছয়টি মেট্রোরেলের সমন্বয়ে একটি সংঘবদ্ধ মহাকর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ২১ দশমিক ২৬ কিমি ও ১৭ স্টেশন বিশিষ্ট মেট্রোরেলের নির্মাণ কর্মযজ্ঞ চলছে। আজ মেট্রোরেল লাইন-৬ এর একাংশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৩০ সালে ঢাকা মহানগরীতে মেট্রোরেলের একটা মাকড়শার জাল তৈরি করা সম্ভব হবে। এতে এক স্থান থেকে ঢাকার আরেক স্থানে যাতায়াত করতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের মেট্রোরেলের শুভ উদ্বোধনের পর উত্তরা উত্তর মেট্রো স্টেশনের পাশে আয়োজিত সুধী-সমাবেশে একথা বলেন তিনি।

 

এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, আরও তিনটি মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নাধীন আছে। মেট্রোরেল লাইন-১ বাংলাদেশে প্রথম পাতাল মেট্রোরেল। এর কাজ ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন বলে প্রত্যাশা করছি। এমআরটি লাইন-৫ এর কাজ ২০২৩ সালের জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন বলে আশা করছি।

তিনি বলেন, মেট্রোরেলের মূল একটা অনুষঙ্গ হচ্ছে ট্রানজিট ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট (পিওডি)। প্রধানমন্ত্রী উত্তরা উত্তর সেন্ট্রাল মেট্রো স্টেশনের পাশে ২৮ দশমিক ৬১ একর জায়গায় সংস্থান করে দিয়েছেন। সেখানে পিওডি জোন নির্মাণের জন্য নকশার কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, প্রত্যেকটি এমআরটি লাইনে যেন আমরা স্টেশন প্লাজা করি। এমআরটি লাইন-৬ অধীনে চারটি স্টেশন প্লাজা নির্মাণ কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে বাস্তবায়নাধীন।

ডিএমটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ঢাকা হচ্ছে প্রাণকেন্দ্র। কিন্তু এখানে গাড়ি চলার যে ঘনত্ব, গাড়ি যেভাবে চলাচল করে তা ছয় কিমির বেশি চলতে পারে না। আরও কম চলতে পারে। এমআরটি চালুর পরে, এই যে পরিবেশ তার উন্নয়ন হবে।

বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে আসা তথ্যের বরাতে ডিএমটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, শুধু যানজটের কারণে ও তার ফলশ্রুতিতে ৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতি হচ্ছে। এমআরটি নেটওয়ার্ক পুরোপুরি চালু হলে প্রতি বছর ৪০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

এমআরটি লাইন-৬ চালু হয়ে গেলে, ট্রাভেল টাইম কস্ট বাবদ আট কোটি ৩৮ লাখ টাকা প্রতিদিন সাশ্রয় হবে। সঙ্গে সঙ্গে ভেহিকেল অপারেশনস কস্ট বাবদ প্রায় সোয়া কোটি টাকা প্রতিদিন সাশ্রয় হবে।