পুরো নাম খালেদ মাহমুদ খান যুবরাজ। তিনি ছিলেন এদেশের একজন অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা। ১৯৭৮ সালে নাগরিক নাট্যদলের ‘দেওয়ান গাজীর কিসসা’ নাটকে কাজ করার মাধ্যমে তাঁর অভিনয়ের শুরু। জন্ম ১৯৫৮ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নে মসদই গ্রামে।
ডাক নাম যুবরাজ। তিনি ১৯৮১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ থেকে এমকম ডিগ্রি লাভ করেন। ২০০৯ সালে তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউল্যাবের রেজিষ্টার পদে নিয়োগ পান। ২০০১ সালে তিনি একুশে টিভির জিএম হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৯৭ সালে বেক্সিমকো ফার্মার ইনচার্জ হিসেবেও কাজ করেন।
টিভি পর্দায় কাজ করেন সিঁড়ি ঘর, এইসব দিনরাত্রি, তুমি কোন কাননের ফুল, রূপনগর, ওথেলো, লোহার চুড়ি প্রভৃতি নাটকে। ‘রুপনগর’ নাটকের হেলাল চরিত্রের জন্য তিনি খ্যাত। জনপ্রিয় সংলাপ ‘ছিঃছিঃছিঃ তুমি এত খারাপ!’ খুবই জনপ্রিয় হয়েছিলো সেসময়।
তিনি ভালো রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে পারতেন। স্ত্রী মিতা হক এদেশের একজন বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী। জয়ীতা নামে এক কন্যা সন্তান আছে এই দম্পতির। খালেদ খানের ছোট ভাই শাহীন খান একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা। দেরিতে হলেও অভিনেতা খালেদ খানকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে তিনি প্রয়াত হন। শ্রদ্ধাঞ্জলি।আমরা মির্জাপুর বাসী আজও তাকে ভুলতে পারিনী।পরপারে ভালো থাকুক এমটাই কামনা করি।
সাইদ আল মামুন,স্টাফ রিপোর্টার 



















