ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়া পাঠাবে সরকার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর সীমান্তে বাংলাদেশির সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্র ফেলে পালাল বিএসএফ সদস্য স্ত্রীর পরকীয়ায় প্রতারিত হয়ে পটুয়াখালীতে স্বামীদের মানববন্ধন অপরাধী সিন্ডিকেটের গোপন আস্তানা উপড়ে ফেলতে হবে : রিজভী ভোলায় পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসুচির উদ্বোধন রাজবাড়ীতে ইয়াবাসহ দুই নারী ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার শ্রীপুর পৌরসভার উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন আবুল মনসুর মন্ডল যৌতুক মামলায় আদালতে বাদীপক্ষের হাতে মার খেলেন আইনজীবী ও আসামি বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস, নবীপ্রেমের সুমহান বার্তায় মুখরিত জনপদ

মিঠাপুকুরে টিসিবির কার্ড বিতরনে লাখ টাকা চাঁদা আদায়

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা চেংমারী ইউনিয়নে ট্রেডিং কর্পোরেনশন অফ বাংলাদেশ টিসিবির কার্ড বিতরনে ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক ও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, অফিস সহকারী কমম্পিটার অপারেটর রজ্জব আলীর বিরুদ্ধে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায, , উপজেলার চেংমারী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসকের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের অফিস সহকারী কমম্পিউটার অপারেটর রজ্জব আলী ,সরকারী ভাবে বিনা মুল্যে বিতরনের জন্য টিসিবির পন্য ন্যায্য মুল্যে ক্রয়ের কার্ড বিতরনে প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে ভুক্তভোগীদের নিকট ১৭৫ টাকা করে রশিদ মূল্য গ্রহন করেন। এতে প্রায় কয়েক লাখ রশিদের মাধ্যমে রশিদের মাধ্যমে ভুক্তভোগী দের নিকটে থেকে উৎকোচ আদায় করেন এতে করে প্রায় কয়েক লাখ লাখ টাকা আদায় করেন বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান। টিসিবির কার্ড ধারী ভুক্তভোগী, গিলাঝুকি গ্রামের সোহরাব হোসেনের পুত্র বুলু মিয়া রশিদ নং ৭৪২১, একই আরিফুর, কার্ড নং ৭৪২০ ধোপাকোল গ্রামের আজিজার রহমানের পুত্র মনোয়ার রশিদ নং ৭৪২০, রামনাথপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের কন্যা সালমা বেগম রশিদ নং ৭৪২৪, সহ আরো অনেক ভুক্ত ভোগী জানান, আমাদের প্রত্যেকের নিকট থেকে টিসিবির কার্ড দেয়ার নামে সরকারী ফির নামে ১৭৫ টাকা করে রশিদ মূল্য চাঁদা আদায় করেন। আমরা এর প্রতিবাদ করতে গেলে কার্ড না দেয়ার হুমকি দেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসক ও সহকারী হিসাব রক্ষক। ফলে আমরা নিরুপায় হয়ে প্রত্যেকে ১৭৫ চাঁদা দিয়ে কার্ডগুলি গ্রহন করি । এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ভারপ্রাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মমিনুল করিম জানান,  আমি প্রথমে রশিদ মূল্য  টাকা গ্রহন করতে বলি এবং পরবর্তীতে নিষেধ করি তাও তারা উঠিয়েছে। এ বিষয়ে ওই ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী হিসাব রক্ষক  কমম্পিউটার অপারেটর  রজ্জব আলী জানান আমি যা করেছি তা প্রশাসকের নির্দেশেই করেছি। তার বাইরে আমি কিছুই করিনি, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: পারভেজ মোবাইল ফোন রিসিভ করেন নি, রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান কে ফোনে পাওয়া যায়নি

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়া পাঠাবে সরকার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

মিঠাপুকুরে টিসিবির কার্ড বিতরনে লাখ টাকা চাঁদা আদায়

আপডেট সময় ০৪:৩৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা চেংমারী ইউনিয়নে ট্রেডিং কর্পোরেনশন অফ বাংলাদেশ টিসিবির কার্ড বিতরনে ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক ও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, অফিস সহকারী কমম্পিটার অপারেটর রজ্জব আলীর বিরুদ্ধে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায, , উপজেলার চেংমারী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসকের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের অফিস সহকারী কমম্পিউটার অপারেটর রজ্জব আলী ,সরকারী ভাবে বিনা মুল্যে বিতরনের জন্য টিসিবির পন্য ন্যায্য মুল্যে ক্রয়ের কার্ড বিতরনে প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে ভুক্তভোগীদের নিকট ১৭৫ টাকা করে রশিদ মূল্য গ্রহন করেন। এতে প্রায় কয়েক লাখ রশিদের মাধ্যমে রশিদের মাধ্যমে ভুক্তভোগী দের নিকটে থেকে উৎকোচ আদায় করেন এতে করে প্রায় কয়েক লাখ লাখ টাকা আদায় করেন বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান। টিসিবির কার্ড ধারী ভুক্তভোগী, গিলাঝুকি গ্রামের সোহরাব হোসেনের পুত্র বুলু মিয়া রশিদ নং ৭৪২১, একই আরিফুর, কার্ড নং ৭৪২০ ধোপাকোল গ্রামের আজিজার রহমানের পুত্র মনোয়ার রশিদ নং ৭৪২০, রামনাথপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের কন্যা সালমা বেগম রশিদ নং ৭৪২৪, সহ আরো অনেক ভুক্ত ভোগী জানান, আমাদের প্রত্যেকের নিকট থেকে টিসিবির কার্ড দেয়ার নামে সরকারী ফির নামে ১৭৫ টাকা করে রশিদ মূল্য চাঁদা আদায় করেন। আমরা এর প্রতিবাদ করতে গেলে কার্ড না দেয়ার হুমকি দেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসক ও সহকারী হিসাব রক্ষক। ফলে আমরা নিরুপায় হয়ে প্রত্যেকে ১৭৫ চাঁদা দিয়ে কার্ডগুলি গ্রহন করি । এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ভারপ্রাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মমিনুল করিম জানান,  আমি প্রথমে রশিদ মূল্য  টাকা গ্রহন করতে বলি এবং পরবর্তীতে নিষেধ করি তাও তারা উঠিয়েছে। এ বিষয়ে ওই ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী হিসাব রক্ষক  কমম্পিউটার অপারেটর  রজ্জব আলী জানান আমি যা করেছি তা প্রশাসকের নির্দেশেই করেছি। তার বাইরে আমি কিছুই করিনি, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: পারভেজ মোবাইল ফোন রিসিভ করেন নি, রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান কে ফোনে পাওয়া যায়নি