ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়া পাঠাবে সরকার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর সীমান্তে বাংলাদেশির সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্র ফেলে পালাল বিএসএফ সদস্য স্ত্রীর পরকীয়ায় প্রতারিত হয়ে পটুয়াখালীতে স্বামীদের মানববন্ধন অপরাধী সিন্ডিকেটের গোপন আস্তানা উপড়ে ফেলতে হবে : রিজভী ভোলায় পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসুচির উদ্বোধন রাজবাড়ীতে ইয়াবাসহ দুই নারী ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার শ্রীপুর পৌরসভার উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন আবুল মনসুর মন্ডল যৌতুক মামলায় আদালতে বাদীপক্ষের হাতে মার খেলেন আইনজীবী ও আসামি বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস, নবীপ্রেমের সুমহান বার্তায় মুখরিত জনপদ
মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল

তত্ত্বাধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের নিয়োগকৃত বহিরাগত স্বেচ্ছাসেবকদের দখলে

বাংলাদেশের কোন সরকারী প্রতিষ্ঠান বহিরাগত জনবল দ্বারা পরিচালিত না হলেও মাগুরা ২৫০ বেড হাসপাতালটি চলছে স্বেচ্ছাসেবক নামক বহিরাগত জনবল দ্বারা। বেআইনিভাবে এই সব স্বেচ্ছাসেবকদের আইডি কার্ড ( পরিচয়পত্র) প্রদান করেছেন এই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির। আইডি কার্ডে তার স্বাক্ষর রয়েছে।
আর এই বেআইনি আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে কমপক্ষে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নার্স,আয়া বা ওয়ার্ব বয়দের মত ডিউটি করছে। রোগিদের ওষুধ চুরি করছে। বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী পাচার করছে। ভর্তি থাকা রোগীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন কি তারা অপারেশন থিয়েটারেও ডিউটি করছে। অপারেশন করে দেবার চুক্তিতে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । সরকারি ফাইলপত্র নাড়াচাড়া করছে। এক কথায় এই স্বেচ্ছাসেবকরা হাসপাতালটিতে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।
আরো শোনা যায়, এই ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ দানের শর্তে তাদের কাছ থেকে ওয়ার্ড মাষ্টার নুর আলম ও সদ্য বদলী হওয়া কর্মচারি আফজালের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই টাকার অংক জনপ্রতি ৫ থেকে ১০ লাখ বলে হাসপাতালে গুঞ্জন চলছে।
একাধিক সুত্র জানায়, এইসব স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেদের হাসপাতালের স্টাফ হিসাবে দাবী করছে। দিন ও রাতে দুই শিফটে তারা ডিউটি রোস্টার করে দায়িত্ব পালন করছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এলাধিক উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তারা জানান যে, সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক নামের জনবল ব্যবহারের সুযোগ নেই। সরকারি বিধান না থাকলেও মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কিভাবে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার কোন জবাব মিলছে না। বিষয়টিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর পদক্ষেপ কামনা করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়া পাঠাবে সরকার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল

তত্ত্বাধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের নিয়োগকৃত বহিরাগত স্বেচ্ছাসেবকদের দখলে

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের কোন সরকারী প্রতিষ্ঠান বহিরাগত জনবল দ্বারা পরিচালিত না হলেও মাগুরা ২৫০ বেড হাসপাতালটি চলছে স্বেচ্ছাসেবক নামক বহিরাগত জনবল দ্বারা। বেআইনিভাবে এই সব স্বেচ্ছাসেবকদের আইডি কার্ড ( পরিচয়পত্র) প্রদান করেছেন এই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির। আইডি কার্ডে তার স্বাক্ষর রয়েছে।
আর এই বেআইনি আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে কমপক্ষে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নার্স,আয়া বা ওয়ার্ব বয়দের মত ডিউটি করছে। রোগিদের ওষুধ চুরি করছে। বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী পাচার করছে। ভর্তি থাকা রোগীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন কি তারা অপারেশন থিয়েটারেও ডিউটি করছে। অপারেশন করে দেবার চুক্তিতে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । সরকারি ফাইলপত্র নাড়াচাড়া করছে। এক কথায় এই স্বেচ্ছাসেবকরা হাসপাতালটিতে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।
আরো শোনা যায়, এই ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ দানের শর্তে তাদের কাছ থেকে ওয়ার্ড মাষ্টার নুর আলম ও সদ্য বদলী হওয়া কর্মচারি আফজালের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই টাকার অংক জনপ্রতি ৫ থেকে ১০ লাখ বলে হাসপাতালে গুঞ্জন চলছে।
একাধিক সুত্র জানায়, এইসব স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেদের হাসপাতালের স্টাফ হিসাবে দাবী করছে। দিন ও রাতে দুই শিফটে তারা ডিউটি রোস্টার করে দায়িত্ব পালন করছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এলাধিক উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তারা জানান যে, সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক নামের জনবল ব্যবহারের সুযোগ নেই। সরকারি বিধান না থাকলেও মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কিভাবে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার কোন জবাব মিলছে না। বিষয়টিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর পদক্ষেপ কামনা করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা।