ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, সড়ক প্রশস্তকরণ, রেলপথ নির্মাণ, বিদ্যুৎ বা গ্যাস স্থাপনা, নদী খনন, উড়ালসড়ক নির্মাণ কিংবা সরকারি মালিকানা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ভূমি ব্যবস্থাপনার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন এই অফিসে শত শত মানুষ আসেন বিভিন্ন কাজ নিয়ে—কোনো জমির ক্ষতিপূরণ দাবি, প্রকল্প এলাকায় জমির মূল্যায়ন, নামজারির কাগজ যাচাই, তদন্ত রিপোর্ট সংগ্রহ, কিংবা কোনো নতুন প্রকল্পের জন্য জমি নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য জানতে। এই অফিসের মাধ্যমে সরকার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করে থাকে, ফলে প্রতিটি কাগজপত্র, প্রতিটি তদন্ত রিপোর্ট এবং জমি সংক্রান্ত যেকোনো নথি সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই দপ্তরকে ঘিরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় জনমনে প্রচণ্ড প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারীরা বলেন—এই অফিসের কিছু দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী ও তাদের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এক ধরনের অঘোষিত সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। সেবাপ্রার্থীরা অভিযোগ করেন, অফিসে প্রবেশ করা মাত্রই কেউ না কেউ এসে জিজ্ঞেস করে—“কোন কাজ করবেন?”, “কোন ফাইল?”, “কোন জরিপ?”। এদের অনেকে নিজেদেরকে কর্মচারীদের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দেয়, কিন্তু সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে না কে আসল কর্মকর্তা আর কে দালালচক্রের সদস্য। অভিযোগকারীদের অনেকেই বলেন, দালালরা প্রথমে কাজ সহজ করার আশ্বাস দেয়, পরে বলে যে “অফিসে কাজ এগিয়ে নিতে” বিভিন্ন খাতে টাকা লাগবে। সাধারণ মানুষের কাছে এসব দাবি করে কখনো কখনো হাজার টাকার জায়গায় লাখ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয়, এমন অভিযোগও এসেছে।
দালালচক্র সম্পর্কে সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ—যদি কেউ এই অতিরিক্ত টাকা দিতে না চায়, তাহলে তার ফাইল নানাভাবে জটিলতায় ফেলে দেওয়া হয়। কোনোকিছুতে সই দেয়া হয় না, জরিপ দলকে পাঠানো হয় না, মূল্যায়ন রিপোর্ট তৈরিতে গড়িমসি করা হয়, কিংবা কোনও অজুহাতে বলা হয় ফাইল পাওয়া যাচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অসহনীয় হয়ে ওঠে। অনেকেই বলেন—“আমরা এখানে আসি সরকারি সেবা নিতে, কিন্তু মনে হয় যেন কোনো ব্যক্তিগত দোকানে দর কষাকষি করতে এসেছি। সারাক্ষণ টাকার কথা শুনতে হয়। কাজ কখন হবে কেউ বলে না।” অভিযোগের এমন বর্ণনা দীর্ঘদিন ধরে পাওয়া গেলেও, আনুষ্ঠানিকভাবে এসব অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তবে সেবাপ্রার্থীদের ধারাবাহিক অভিযোগে ধারণা পাওয়া যায়, সমস্যাটি দীর্ঘস্থায়ী।
দপ্তরের কিছু কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ—তারা কাজ আটকে রেখে চাপ তৈরি করেন। একাধিক সেবাপ্রার্থী বলেন, কোনো জমির ক্ষতিপূরণের চেক পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু নানা অজুহাতে দেরি করা হয়। ক্ষতিপূরণের চেক সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেয়ার কথা। কিন্তু অভিযোগকারীরা বলছেন, যদি কেউ বাড়তি টাকা না দেয়, তাহলে ফাইল এগোয় না। এক ব্যক্তি বলেন, “জমির ক্ষতিপূরণের টাকা আমি পাওয়ার কথা ছিল তিন মাস আগে। কিন্তু পাঁচবার অফিসে এসেছি, কেউ জানায় না কোথায় সমস্যা। পরে এক দালাল এসে বলল—টাকা দিলে দ্রুত হবে।” এসব অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত নয়, তবে অভিযোগের সংখ্যা বাড়ায় সেবাগ্রহণকারী মানুষের ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জমির জরিপ ও পরিমাপ নিয়ে অভিযোগ আরো বেশি। অনেকেই জানান—জরিপকারী দল মাঠে যেতে চায় না, বা দেরি করে; কখনো কখনো ফোনে নানা অজুহাত দেখিয়ে সময় নেয়। সেবাপ্রার্থীরা বলেন, এই কাজে যাদের নাম উঠে এসেছে, তাদের কেউ কেউ খুব দীর্ঘসময় ধরে একই জায়গায় থেকে কাজ করেছেন। দীর্ঘদিন এক জায়গায় থাকার ফলে তাদের সঙ্গে স্থানীয় দালালদের যোগাযোগ ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলেও অভিযোগকারীরা দাবি করেন। কিছু মানুষ বলেন—“মাঠে গিয়ে পরিমাপ করতে তাদের এক ঘণ্টাও লাগে না। কিন্তু এটি করার জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ সময় নেওয়া হয়। কেন এত দেরি হয় জিজ্ঞেস করলে বলে—উপর থেকে চাপ আছে, লোকবল নেই। কিন্তু অন্যদিকে দেখি যারা টাকা দেয়, তাদের কাজ দুই দিনেই হয়ে যায়।”
বেলাল হোসেন নামে এক কর্মকর্তা এবং সমর চন্দ্র সূত্র ধর নামে আরেকজন সম্পর্কে বিভিন্ন অভিযোগ করা হলেও এগুলো এখনো প্রমাণিত নয়। অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে—এদের কেউ কেউ নথি যাচাই, জমির মূল্যায়ন এবং জরিপ সম্পন্ন করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে থাকা অবস্থায় নিয়মিতভাবে কাজ বিলম্বিত করা, পরামর্শের নামে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা এবং দালালদের সাথে সমন্বয় করে “প্যাকেজ সিস্টেমে” লেনদেনে জড়িত। আভ্যন্তরীণভাবে এই ধরনের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লেও এখনো পর্যন্ত কোনো অফিসিয়াল তদন্ত প্রতিবেদনে এসব অপরাধ প্রমাণিত হয়নি।
যারা অভিযোগ করছেন, তাদের বক্তব্য—দালালদের মাধ্যমে এই চক্র কাজের প্রতিটি ধাপে অনুচিত সুবিধা আদায় করে। কেউ জমির মালিকানা যাচাই করতে গেলে বলা হয় কাগজে সমস্যা আছে; আবার কেউ নামজারি করতে গেলে বলা হয় রিপোর্ট পরিষ্কার নয়। কিন্তু এই সমস্যাগুলো নিরসনের জন্য কী করতে হবে তা সরাসরি বলেন না। বরং কোনো দালাল এসে জানায়—“সমস্যা আছে, তবে ঠিক করা যাবে।” অনেকেই বলেন, দালালরা নিজেদেরকেই সমাধানের একমাত্র পথ হিসেবে তুলে ধরে। তারা বলে—“চাইলে আপনি নিজেও করতে পারেন, কিন্তু এতে অনেক সময় লাগবে, ভুল হলে ফাইল বাতিল হতে পারে।” সাধারণ মানুষ ভয় পেয়ে যায়, কারণ জমির কাগজে ভুল হলে পুরো সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলা হতে পারে।
যেসব বড় প্রকল্পে সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে, সেখানে জমির মূল্যায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সেবাপ্রার্থীদের দাবি—এই ধাপে সবচেয়ে অনিয়ম ঘটে। কেউ কেউ বলেন—জমির মূল্যায়ন রিপোর্ট তৈরি করার জন্য কর্মকর্তারা মাঠে না গিয়ে শুধু দালালদের কাছ থেকে তথ্য নেন। আবার অনেকে বলেন—প্রকৃত মূল্য ধরা হয় না, বরং যেসব জমির মালিক দালালদের খুশি করে তারা ভালো মূল্যায়ন পান, কিন্তু যারা তা করতে পারেন না তারা কম মূল্য পান। বিষয়টি গবেষণামূলকভাবে প্রমাণিত নয়, তবে অভিযোগগুলোর পুনরাবৃত্তি রয়েছে। অতিরিক্ত দামের ভাউচার বা কৃত্রিমভাবে খরচ বাড়ানোর অভিযোগও এসেছে, তবে এগুলোর কোনো সরকারি প্রমাণপত্র এখনো পাওয়া যায়নি।
একাধিক সেবাপ্রার্থী বলেন, একটি জরিপ বা মূল্যায়ন রিপোর্ট তৈরির সরকারি ফি খুবই কম, কিন্তু দালালরা কয়েক গুণ বেশি টাকা দাবি করে। কেউ কেউ বলেন—তারাও জানেন কাজের সরকারি খরচ কত, কিন্তু যখন অফিসের ভেতরে গিয়ে কাজ করতে পারেন না বা বিভিন্ন জটিলতার মুখে পড়েন, তখন তারা বাধ্য হন দালালদের কথামতো চলতে। সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, কাজের প্রকৃত অগ্রগতি ও সমস্যার কারণ সম্পর্কে সঠিক তথ্য খুব কমই দেওয়া হয়। অধিকাংশ সময় তাদেরকে শুধু ঘোরানো হয়।
এলএ শাখার এমন অবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ প্রবল। অনেকেই বলছেন—অফিসে ঢুকতে গেলে মনে হয় একটি অনানুষ্ঠানিক বাজারে প্রবেশ করেছি, যেখানে সেবা নয়, বরং দরদাম চলে। প্রশ্ন উঠছে—এই পরিস্থিতির অবসান হবে কীভাবে? সেবাপ্রাপ্তির প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে না পারলে সাধারণ মানুষ কেবল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে না, মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত হয়। আইনগত জটিলতায় পড়ে অনেক পরিবার তাদের জমি ফিরে পায় না কিংবা প্রকৃত ক্ষতিপূরণ পায় না।
যদিও এসব অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে এসেছে, কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। কেউ কেউ বলেন—কখনো কখনো স্থানীয় প্রশাসন অনিয়ম কমাতে পরিদর্শন করেন। কিন্তু এটি নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ তৈরি করতে পারেনি। অভিযোগকারীরা মনে করেন—যতদিন পর্যন্ত সিন্ডিকেট-ধাঁচের দালালচক্রকে অফিস থেকে সম্পূর্ণভাবে সরানো না হবে, ততদিন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা কার্যকর হবে না। তবে এই কথা অবশ্যই বলা প্রয়োজন যে—দালালরা নিজেদের পরিচয় দিয়ে দাবি করলেও, অফিসের প্রকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরাসরি তাদের সঙ্গে যুক্ত কিনা তা প্রমাণ করা কঠিন।
অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে অনেকেই জানান—এই অফিসের কিছু কর্মচারী কাজের চাপ, লোকবল সংকট বা নথির জটিলতার অজুহাত দেখান। তারা বলেন—“আমরা নিয়ম মেনে কাজ করি। মাঠে জরিপ করতে যাওয়া সহজ নয়। অনেক সময় নিরাপত্তা সমস্যা থাকে, আবহাওয়া ভালো থাকে না, মালিকরা উপস্থিত থাকেন না, কাগজ অসম্পূর্ণ থাকে।” এ ধরনের ব্যাখ্যা সত্যও হতে পারে; তবে যারা অভিযোগ করছেন তারা মনে করেন—সমস্যাগুলো অনেক সময় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বড় করা হয়।
সরকারি প্রশাসনিক কাঠামোতে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ডিজিটাল সেবা, অনলাইন আবেদন ব্যবস্থা, স্বচ্ছ তথ্য ব্যবস্থাপনা—এসব উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো অনেক জায়গায় দালালি, অতিরিক্ত টাকা দাবি ও কাগজপত্র আটকে রাখা নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। সেবা নিতে আসা নাগরিকদের দাবি—যখন প্রশাসনিক পদে থাকা কোনো কর্মকর্তা একই জায়গায় বছরের পর বছর থাকেন বা একই ধরনের দায়িত্ব পালন করেন, তখন সেখানে সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। এজন্য তাদের মতে নিয়মিত বদলি ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
অন্যদিকে কিছু স্থানীয় নেতা বা প্রভাবশালী ব্যক্তি এ ধরনের অফিসে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করে থাকে, এমন অভিযোগও শোনা যায়। কারো দাবি—দালালচক্র শুধু অফিসের কর্মচারীদের সঙ্গে নয়, এলাকার বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে। আবার কেউ কেউ বলেন—অফিসের কর্মচারীরা নিজেদের ওপর চাপ কমাতে অনেক সময় দালালদের ব্যবহার করেন। কোনটা সত্য, তা নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া জানা সম্ভব নয়।
সেবাপ্রার্থীদের অনেকে বলেন—তারা চান এই অফিসে ডিজিটালাইজেশন বাড়ানো হোক। জমির নথি স্ক্যান করে অনলাইনে দেখা, আবেদন অনলাইনে জমা দেওয়া, অগ্রগতি ট্র্যাক করা—এসব কার্যকর হলে দালালচক্রের প্রভাব স্বাভাবিকভাবেই কমে যাবে বলে তাদের ধারণা। কিছু সরকারি উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে, তবে সেগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
এই প্রতিবেদন তৈরির সময় বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও অনেকে কথা বলতে চাননি। কেউ কেউ বলেন—অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে হতে পারে। আবার কেউ বলেন—“কোনো প্রমাণ ছাড়া নাম প্রকাশ করে অভিযোগ আনা ঠিক নয়।” তাই প্রতিবেদনটি নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কেবল অভিযোগকারীদের বক্তব্য, দপ্তরের কাজের কাঠামো এবং সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা ভিত্তিক তথ্য উপস্থাপন করেছে।
সর্বোপরি বলা যায়—ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দপ্তর। এখানে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন হয়রানিতে না পড়ে, সেজন্য ন্যূনতম স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন স্বতন্ত্র তদন্ত, নিয়মিত নজরদারি এবং দালালচক্র নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীদের নিয়মিত বদলি, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, ফাইলে ধীরগতি বা বিলম্বের কারণ জনসমক্ষে প্রকাশ—এসব পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরাতে ভূমিকা রাখতে পারে। যেকোনো অভিযোগের সমাধান হতে পারে সুশাসন ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে; আর প্রশাসনের প্রতি মানুষের বিশ্বাস বাড়লে দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোও দ্রুত এগিয়ে যাবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























