ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভূমি কর্মকর্তার জহুরুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. জহুরুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, জহুরুল হক তার অফিস কক্ষে চেয়ারে বসে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৫০০ টাকার নোট গ্রহণ করছেন।
তিনি বলে যান, এটা সবার জন্য নির্ধারণ করা থাকে। যে পরিশ্রম করে না তাকেও ৫০০ টাকা দেওয়া লাগে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী জানান, জমি মিউটেশনের জন্য আবেদন করেছিলেন। অনলাইনে মিউটেশন ফি জমা দেওয়ার পর অফিসে ফাইল জমা দেওয়ার সময়, আবেদন অনুমোদনের জন্য ৫০০ টাকা দিতে বলা হয়। ভুক্তভোগী সেই টাকা জহুরুল হককে প্রদান করেন।

অভিযুক্ত সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. জহুরুল হক বলেন, হয়তো কোনো বিদ্যুৎ বিলের টাকা, যা আমরা ইউনিয়ন পরিষদে জমা দিই। অথবা কেউ খুচরা টাকা আমার কাছে রেখেছিল।

তাছাড়া, আমার অফিসে এমন কোনো লেনদেন করার সুযোগ নেই।
পাংশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদ আহম্মেদ বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি। বিষয়টি আমার জানা ছিল না। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। প্রমাণ পাওয়ার পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূমি কর্মকর্তার জহুরুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:০৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. জহুরুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, জহুরুল হক তার অফিস কক্ষে চেয়ারে বসে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৫০০ টাকার নোট গ্রহণ করছেন।
তিনি বলে যান, এটা সবার জন্য নির্ধারণ করা থাকে। যে পরিশ্রম করে না তাকেও ৫০০ টাকা দেওয়া লাগে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী জানান, জমি মিউটেশনের জন্য আবেদন করেছিলেন। অনলাইনে মিউটেশন ফি জমা দেওয়ার পর অফিসে ফাইল জমা দেওয়ার সময়, আবেদন অনুমোদনের জন্য ৫০০ টাকা দিতে বলা হয়। ভুক্তভোগী সেই টাকা জহুরুল হককে প্রদান করেন।

অভিযুক্ত সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. জহুরুল হক বলেন, হয়তো কোনো বিদ্যুৎ বিলের টাকা, যা আমরা ইউনিয়ন পরিষদে জমা দিই। অথবা কেউ খুচরা টাকা আমার কাছে রেখেছিল।

তাছাড়া, আমার অফিসে এমন কোনো লেনদেন করার সুযোগ নেই।
পাংশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদ আহম্মেদ বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি। বিষয়টি আমার জানা ছিল না। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। প্রমাণ পাওয়ার পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।