মাদারীপুর সদর উপজেলা শির খাড়া ইউনিয়নের রায়ের কান্দি গ্রামে জোরপূর্বক বিভিন্ন দেশীয় ফলজ ও বনজ গাছ কেটে জমি দখল করে নেয় ভুমি দস্যুরা। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ভূমিদস্যু বাবু বেপারী, মতি বেপারী, ওয়াজেদ বেপারী, ও দাদন বেপারীর বিরুদ্ধে মাদারীপুর বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান থাকা থাকা অবস্থায়। (৭ নভেম্বর ) সকালে শ্রী নদী রায়ের কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী বিবাদী সোবহান বেপারী সাংবাদিকদের সাথে ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে বলেন বাড়িতে সব মেয়েরা বসবাস করে আমরা সবাই প্রবাসে থাকি এই সুযোগে বাবু ব্যাপারী গং আমার জমির সমস্ত গাছ কেটে দখল করে নিচ্ছে বলে জানান । আমরা সরজমিনে গিয়ে ভিডিও ধারণ করি এবং মৌখিক জিজ্ঞাসাবাদ করি । এছাড়াও বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে ।
বাবু বেপারী ও তার সহযোগীরা পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া গ্রামের বাড়ির সাথে ভিটা এই ভিটায় ফলজ ও বনজ গাছ প্রতিবেশী ভূমিদস্যু বাবু বেপারী, দাদন বেপারী, মতি বেপারী,ওয়াজেদ বেপারী সহ, সকলে জমিতে থাকা কলাগাছ,মেহগনি,কাঁঠাল গাছ, আম গাছ,কেটে জমি দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
ভুক্তভোগী সোবহান বেপারী আরো বলেন, আমরা জমিতে গেলে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। সরজমিনে বিভিন্ন কাগজপত্র দেখে বোঝা যায় ১৯৫২ সন থেকে এই জমি নিয়ে মামলা হামলা বিরোধ লেগে রয়েছে, আমি প্রবাসে থাকার কারণে বিআরএস রেকর্ডের সময় উপস্থিত হতে না পারায় , তারা বেআইনি ভাবে বিআরএস রেকর্ড তৈরি করে । বিয়ারের রেকর্ড ভুলবশত হওয়া য় আমি আদালতে রেকর্ড সংশোধনী মামলা করি বর্তমানে মাদারীপুর বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান।
আমি একজন প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে মাদারীপুর প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বাবু বেপারী বলেন, জমি আমার তাই দখল করে গাছ কেটে নিয়েছি। সদর থানার ওসি বলেন, গাছ কাটার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। পুলিশ গিয়ে আদালতে মামলা থাকার কারণে গাছ কাটা বন্ধ করে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। পরবর্তীতে থানার আদেশ অমান্য করে পুনরায় গাছ কাটা ও জমি দখলে লিপ্ত হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য ও ভিডিও ধারণ করা রয়েছে।
ব্যুরো চীফ মাদারীপুর 



















