ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালুখালীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রয় শুরু নওগাঁ সীমান্ত থেকে ৯৪ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করেছে বিজিবি  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের অস্বাভাবিক সম্পদের পাহাড় মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট ও ভয়াবহ লোডশেডিং ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ নরসিংদী প্রেমিকাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ ৪ আগস্টের গোপন সভার দুই বছর ,এখনো বিচার হয়নি ববির আওয়ামী শিক্ষকদের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দুর্নীতি মরনঘাতি ভাইরাসে পরিণত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রহিমের দুর্নীতি পদ্মা লাইফে সিইওর অনিয়ম

রাজনীতিটা এখন ডাস্টবিনের মতো হয়ে গেছে : রুমিন ফারহানা

রাজনীতি এখন ডাস্টবিনের মতো হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, একজন নারী যিনি শিক্ষিতা, যার একটি ডিগনিফাইড প্রফেশন আছে, যে একটা ভালো ফ্যামিলিতে বিলং করে তিনি এই নোংরার মধ্যে নামবেন কেন? রাজনীতিটা তো এখন একটা ডাস্টবিনের মতো হয়ে গেছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া এসে এবং সবার হাতে সেলফোন চলে যাওয়ার পরে ‘বট আইডি’ ও ‘এআই’ আসার পরে ইটস এন এবসোলেটলি ডাস্টবিন। একটা ভদ্র ফ্যামিলির এডুকেটেড মেয়ে হু হ্যাজ অ্যা ভেরি ব্রাইট ফিউচারড এহেড।

উনি কেন পলিটিক্সে আসবেন? সবকিছু বিবেচনায় যদি কেউ চলেও আসে দলগুলো হয়তো অতো আস্থা রাখতে পারে না।
বিএনপি এবার যে ২৩৭ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে, তাদের মধ্যে ১০ জন নারী রয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলেছেন— রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব কমছে। সেই সঙ্গে বলা হচ্ছে, নারী নেতৃত্বের ৩৩ শতাংশও পূরণ করেনি কোনো কোনো দল। বেশ কিছু জরিপেও এই বিষয়টি উঠে এসেছে। আপনিও একজন নারী। নারী নেতৃত্বকে কি আরেকটু প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল কিনা? আসলে কমতি কোন জায়গায়? যোগ্যতার মাফকাঠিতে কমতি নাকি রাজনৈতিক যে পরিবেশ সেদিক থেকে কমতি— এমন প্রশ্নের জবাবে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বড় বড় পলিটিক্যাল পার্টি যেগুলো আছে, সেখানে কিন্তু যোগ্য নারী নেতৃত্বের খুব একটা অভাব আছে বলে মনে করি না। হয়তো পুরুষের তুলনায় তাদের সংখ্যা কম। কিন্তু সেটা এত কম নয় যে, মাত্র ৩ বা ৪ শতাংশ নমিনেশন তারা পাবে। ১০০ এর মধ্যে তিন বা চারজন, বাট দ্যাট ইজ টু লো একচুয়ালি। ‘বড় দলগুলো ছোট দলগুলোকে একীভূত করে রাজতন্ত্র কায়েম করতে চায় এবং এজন্যই জোটের বিরোধিতা, আরপিও সংশোধনের বিরোধিতার বিষয়টি উঠে এসেছে’ এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীর এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা এবার জোটের প্রার্থী হবেন, তাদের যদি দলের নিবন্ধন থাকে, তাদের নিজের দলের মার্কায় নির্বাচন করতে হবে। এ বিষয়টির পক্ষে-বিপক্ষে দুরকমই যুক্তি আছে।

তিনি বলেন, সরকারের তরফে যেটা বলা হয়েছে— ছোট দলগুলো কখনো বিকশিত হতে পারে না। তারা সবসময় দেখা যায় হয় নৌকার সমর্থন নিয়ে পার্লামেন্টে যাচ্ছে। কখনো ধানের শীষের সমর্থন নিয়ে পার্লামেন্টে যাচ্ছে। এতে বাংলাদেশে দ্বিদলীয় ব্যবস্থা আরো স্ট্রং হতে থাকে। ছোট ছোট দল অনেকগুলো আছে কিন্তু তারা সেভাবে ইন্ডিপেন্ডেন্টলি ফ্লারিশ করতে পারে না। যেন দলগুলো ফ্লারিশ করতে পারে, সে কারণেই বলা হয়েছে এবার যার মার্কা, সেই মার্কাতেই তাকে নির্বাচন করতে হবে।

বিএনপির এই নেত্রী আরো বলেন, যদি কোনো দলের নিবন্ধন ও প্রতীক থাকে, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, আপনি আপনার রাজনীতি কেন করছেন না? মানে আপনি একটা দলের মার্কা নিয়েছেন এবং সেই দলের রাজনীতি আপনি ধারণ করেন, না হলে তো আপনি ধানের শীষ বা নৌকার দলই করতে পারেন। তাহলে একটা ছোট দল রাখবার প্রয়োজনটা কি? এই কথাগুলো সরকারের তরফ থেকে এসছে। অন্যদিকে বিএনপির তরফ থেকে খুব ক্লিয়ারলি বলা হয়েছে— লাস্ট মোমেন্টে এসে যে আরপিওটা সংশোধন হলো, দীর্ঘদিন যারা এই বড় দলের সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছে, তাদের তো একটা এক্সপেক্টেশন আছে যে আমরা পার্লামেন্টে যেতে চাই। আমরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে চাই। সেই এক্সপেক্টেশন থেকে হয়তো তারা বড় দলগুলোর সঙ্গে জোট করেছে এবং বড় দলগুলোও একসময় দেখিয়েছে যে আমার সঙ্গে এতগুলো রাজনৈতিক দল আছে। এতগুলো দল মিলে একটা জোট তৈরি হয়েছে। এটার উভয়দিকেই তর্ক আছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালুখালীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রয় শুরু

রাজনীতিটা এখন ডাস্টবিনের মতো হয়ে গেছে : রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১২:০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

রাজনীতি এখন ডাস্টবিনের মতো হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, একজন নারী যিনি শিক্ষিতা, যার একটি ডিগনিফাইড প্রফেশন আছে, যে একটা ভালো ফ্যামিলিতে বিলং করে তিনি এই নোংরার মধ্যে নামবেন কেন? রাজনীতিটা তো এখন একটা ডাস্টবিনের মতো হয়ে গেছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া এসে এবং সবার হাতে সেলফোন চলে যাওয়ার পরে ‘বট আইডি’ ও ‘এআই’ আসার পরে ইটস এন এবসোলেটলি ডাস্টবিন। একটা ভদ্র ফ্যামিলির এডুকেটেড মেয়ে হু হ্যাজ অ্যা ভেরি ব্রাইট ফিউচারড এহেড।

উনি কেন পলিটিক্সে আসবেন? সবকিছু বিবেচনায় যদি কেউ চলেও আসে দলগুলো হয়তো অতো আস্থা রাখতে পারে না।
বিএনপি এবার যে ২৩৭ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে, তাদের মধ্যে ১০ জন নারী রয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলেছেন— রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব কমছে। সেই সঙ্গে বলা হচ্ছে, নারী নেতৃত্বের ৩৩ শতাংশও পূরণ করেনি কোনো কোনো দল। বেশ কিছু জরিপেও এই বিষয়টি উঠে এসেছে। আপনিও একজন নারী। নারী নেতৃত্বকে কি আরেকটু প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল কিনা? আসলে কমতি কোন জায়গায়? যোগ্যতার মাফকাঠিতে কমতি নাকি রাজনৈতিক যে পরিবেশ সেদিক থেকে কমতি— এমন প্রশ্নের জবাবে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বড় বড় পলিটিক্যাল পার্টি যেগুলো আছে, সেখানে কিন্তু যোগ্য নারী নেতৃত্বের খুব একটা অভাব আছে বলে মনে করি না। হয়তো পুরুষের তুলনায় তাদের সংখ্যা কম। কিন্তু সেটা এত কম নয় যে, মাত্র ৩ বা ৪ শতাংশ নমিনেশন তারা পাবে। ১০০ এর মধ্যে তিন বা চারজন, বাট দ্যাট ইজ টু লো একচুয়ালি। ‘বড় দলগুলো ছোট দলগুলোকে একীভূত করে রাজতন্ত্র কায়েম করতে চায় এবং এজন্যই জোটের বিরোধিতা, আরপিও সংশোধনের বিরোধিতার বিষয়টি উঠে এসেছে’ এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীর এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা এবার জোটের প্রার্থী হবেন, তাদের যদি দলের নিবন্ধন থাকে, তাদের নিজের দলের মার্কায় নির্বাচন করতে হবে। এ বিষয়টির পক্ষে-বিপক্ষে দুরকমই যুক্তি আছে।

তিনি বলেন, সরকারের তরফে যেটা বলা হয়েছে— ছোট দলগুলো কখনো বিকশিত হতে পারে না। তারা সবসময় দেখা যায় হয় নৌকার সমর্থন নিয়ে পার্লামেন্টে যাচ্ছে। কখনো ধানের শীষের সমর্থন নিয়ে পার্লামেন্টে যাচ্ছে। এতে বাংলাদেশে দ্বিদলীয় ব্যবস্থা আরো স্ট্রং হতে থাকে। ছোট ছোট দল অনেকগুলো আছে কিন্তু তারা সেভাবে ইন্ডিপেন্ডেন্টলি ফ্লারিশ করতে পারে না। যেন দলগুলো ফ্লারিশ করতে পারে, সে কারণেই বলা হয়েছে এবার যার মার্কা, সেই মার্কাতেই তাকে নির্বাচন করতে হবে।

বিএনপির এই নেত্রী আরো বলেন, যদি কোনো দলের নিবন্ধন ও প্রতীক থাকে, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, আপনি আপনার রাজনীতি কেন করছেন না? মানে আপনি একটা দলের মার্কা নিয়েছেন এবং সেই দলের রাজনীতি আপনি ধারণ করেন, না হলে তো আপনি ধানের শীষ বা নৌকার দলই করতে পারেন। তাহলে একটা ছোট দল রাখবার প্রয়োজনটা কি? এই কথাগুলো সরকারের তরফ থেকে এসছে। অন্যদিকে বিএনপির তরফ থেকে খুব ক্লিয়ারলি বলা হয়েছে— লাস্ট মোমেন্টে এসে যে আরপিওটা সংশোধন হলো, দীর্ঘদিন যারা এই বড় দলের সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছে, তাদের তো একটা এক্সপেক্টেশন আছে যে আমরা পার্লামেন্টে যেতে চাই। আমরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে চাই। সেই এক্সপেক্টেশন থেকে হয়তো তারা বড় দলগুলোর সঙ্গে জোট করেছে এবং বড় দলগুলোও একসময় দেখিয়েছে যে আমার সঙ্গে এতগুলো রাজনৈতিক দল আছে। এতগুলো দল মিলে একটা জোট তৈরি হয়েছে। এটার উভয়দিকেই তর্ক আছে।