ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

ধানের চেয়ে খড়ের ‘দাম বেশি’

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ধানের থেকে খড়ের দাম বেশি। স্থানীয় বাজারগুলোতে এ দৃশ্য চোখে পড়ে। কৃষিজমি দিন দিন কমে যাওয়া, বোরো মৌসুমে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা পর্যাপ্ত পরিমাণ খড় ঘরে তুলতে পারেননি। ফলে বাজারে খড়ের সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।

বর্তমানে গোপালপুরে এক মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়, অথচ সেই ধানের খড় বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা মণে। খড় বিক্রেতা মো. রফিকুল ইসলাম কুড়িগ্রাম থেকে এক ট্রাক খড় এনে প্রতিটি আটি ১১ থেকে ১২ টাকায় বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, সামান্য কিছু লাভ থাকে, কিন্তু চাহিদা এত বেশি যে- পাইকাররা আমার কাছ থেকে কিনে বিভিন্ন হাটবাজারে আরও বেশি দামে বিক্রি করছে। স্থানীয় কৃষক আব্দুল জলিল বলেন, আমরা ভেবেছিলাম ধান বিক্রি করে কিছু লাভ হবে। গবাদি পশুর খাওয়ানোর জন্য খড় কিনতে হয়। যে হারে দাম বাড়ছে তাতে কীভাবে এই খড় কিনব ভবিষ্যতে।

গরু খামারি আব্দুল মালেক জানান, সাতটি গরু রয়েছে। কিন্তু বোরো মৌসুমে খড় সংগ্রহ করতে না পারায় এখন বাজার থেকে বেশি দামে খড় কিনে খাওয়াতে হচ্ছে। এতে গরু লালন-পালনে খরচ বেড়ে গেছে বহুগুণে। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানান, গবাদি পশুর খাদ্যের ঘাটতি এবং খামারি সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে খড়ের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

ধানের চেয়ে খড়ের ‘দাম বেশি’

আপডেট সময় ০৩:০৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ধানের থেকে খড়ের দাম বেশি। স্থানীয় বাজারগুলোতে এ দৃশ্য চোখে পড়ে। কৃষিজমি দিন দিন কমে যাওয়া, বোরো মৌসুমে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা পর্যাপ্ত পরিমাণ খড় ঘরে তুলতে পারেননি। ফলে বাজারে খড়ের সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।

বর্তমানে গোপালপুরে এক মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়, অথচ সেই ধানের খড় বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা মণে। খড় বিক্রেতা মো. রফিকুল ইসলাম কুড়িগ্রাম থেকে এক ট্রাক খড় এনে প্রতিটি আটি ১১ থেকে ১২ টাকায় বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, সামান্য কিছু লাভ থাকে, কিন্তু চাহিদা এত বেশি যে- পাইকাররা আমার কাছ থেকে কিনে বিভিন্ন হাটবাজারে আরও বেশি দামে বিক্রি করছে। স্থানীয় কৃষক আব্দুল জলিল বলেন, আমরা ভেবেছিলাম ধান বিক্রি করে কিছু লাভ হবে। গবাদি পশুর খাওয়ানোর জন্য খড় কিনতে হয়। যে হারে দাম বাড়ছে তাতে কীভাবে এই খড় কিনব ভবিষ্যতে।

গরু খামারি আব্দুল মালেক জানান, সাতটি গরু রয়েছে। কিন্তু বোরো মৌসুমে খড় সংগ্রহ করতে না পারায় এখন বাজার থেকে বেশি দামে খড় কিনে খাওয়াতে হচ্ছে। এতে গরু লালন-পালনে খরচ বেড়ে গেছে বহুগুণে। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানান, গবাদি পশুর খাদ্যের ঘাটতি এবং খামারি সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে খড়ের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।