সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

আঘাত আসবে, মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আঘাত আসবে, ষড়যন্ত্র হবে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেগুলো মোকাবিলা করে এগিয়ে যাবে, এটাই আমার চাওয়া। বাংলাদেশ আর পিছিয়ে যাবে না, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। জাতির পিতার স্বপ্ন আমরা পূরণ করব ইনশাল্লাহ। 

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২২তম ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আরও এগিয়ে যেতে যার যতটুকু জমি আছে তাতে চাষাবাদ করুন, খাদ্য উৎপাদন করুন। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। আমাদের উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে, আমাদেরটা আমরাই খাব, অন্যদের ওপর যেন নির্ভর করতে না হয়। জাতির পিতা বলেছেন, ‘আমাদের মাটি আছে, মানুষ আছে, তা দিয়েই দেশ গড়বো’। আমরাও সেই নীতিতে বিশ্বাস করি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সব ধরনের দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ায়, এটাই আওয়ামী লীগ, এটাই আওয়ামী লীগের শিক্ষা।

করোনাকালের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিডকালীন সময়ে আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য এক লাখ ৮৭ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েছি। নগদ অর্থ সহযোগিতা দিয়েছি প্রায় ৫০ লাখ মানুষকে। রপ্তানি শিল্পকে বিশেষ প্রণোদনের আওতায় এনেছি। আমাদের ২৮টি প্রণোদনা প্যাকেজে সাত কোটি ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার ৭৯১ জন প্রণোদনা পেয়েছে। দুই লাখ ১৬ হাজার ৬৭টি প্রতিষ্ঠান এর সুবিধা পেয়েছে। ৩৩৩ নম্বরে কল করলে ঘরে খাবার পৌঁছে গেছে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ ২০২১ সালে করার কথা ছিল, আমরা সেটা করতে পেরেছি। প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার, ব্রডব্যান্ড স্থাপন করা হবে। এরইমধ্যে প্রায় ২৬০০ ইউনিয়নে, ১০০০ থানায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে পেরেছি। গ্রাম পর্যায়ে পর্যন্ত আমরা কানেকটিভিটি নিয়ে যাব। ১৮ কোটি ১৭ লাখ মোবাইল সিম আমাদের ব্যবহার হয়।  প্রায় ১২ কোটি ৬২ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। ৮ হাজার ডিজিটাল সেন্টার সেবা দিচ্ছে, ৫৫০০ ডাকঘরকে আমরা ডিজিটাল সেন্টারে রূপান্তর করেছি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যে আওয়াজ আমরা শুনতে পাচ্ছি তার উপযুক্ত দক্ষ জনশক্তি যেন আমাদের গড়ে ওঠে সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আমরা আয়োজন করছি।

তিনি বলেন, ২০৪১ সালে যে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে তার জন্য কী কী করণীয় সেগুলো আমরা করে যাচ্ছি। এমন একটি বাংলাদেশ হবে যেখানে সবাই স্মার্ট হবে। তারা সবকিছু অনলাইনে করতে শিখবে। অনলাইনের ব্যবহার করতে পারবে। আমাদের ইকোনোমি সেটাও হবে ই-ইকোনমি। স্মার্ট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ যেন ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে হয়। আমাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য সবকিছুই হবে স্মার্ট। এভাবে আমদের প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা হবে। আমরা আশা করি ২০৪১ সালের মধ্যে তা করতে সক্ষম হব। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের তরুণ প্রজন্ম যত বেশি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার শিখবে, তত দ্রুত আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

আঘাত আসবে, মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে

আপডেট সময় ০৪:০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আঘাত আসবে, ষড়যন্ত্র হবে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেগুলো মোকাবিলা করে এগিয়ে যাবে, এটাই আমার চাওয়া। বাংলাদেশ আর পিছিয়ে যাবে না, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। জাতির পিতার স্বপ্ন আমরা পূরণ করব ইনশাল্লাহ। 

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২২তম ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আরও এগিয়ে যেতে যার যতটুকু জমি আছে তাতে চাষাবাদ করুন, খাদ্য উৎপাদন করুন। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। আমাদের উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে, আমাদেরটা আমরাই খাব, অন্যদের ওপর যেন নির্ভর করতে না হয়। জাতির পিতা বলেছেন, ‘আমাদের মাটি আছে, মানুষ আছে, তা দিয়েই দেশ গড়বো’। আমরাও সেই নীতিতে বিশ্বাস করি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সব ধরনের দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ায়, এটাই আওয়ামী লীগ, এটাই আওয়ামী লীগের শিক্ষা।

করোনাকালের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিডকালীন সময়ে আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য এক লাখ ৮৭ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েছি। নগদ অর্থ সহযোগিতা দিয়েছি প্রায় ৫০ লাখ মানুষকে। রপ্তানি শিল্পকে বিশেষ প্রণোদনের আওতায় এনেছি। আমাদের ২৮টি প্রণোদনা প্যাকেজে সাত কোটি ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার ৭৯১ জন প্রণোদনা পেয়েছে। দুই লাখ ১৬ হাজার ৬৭টি প্রতিষ্ঠান এর সুবিধা পেয়েছে। ৩৩৩ নম্বরে কল করলে ঘরে খাবার পৌঁছে গেছে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ ২০২১ সালে করার কথা ছিল, আমরা সেটা করতে পেরেছি। প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার, ব্রডব্যান্ড স্থাপন করা হবে। এরইমধ্যে প্রায় ২৬০০ ইউনিয়নে, ১০০০ থানায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে পেরেছি। গ্রাম পর্যায়ে পর্যন্ত আমরা কানেকটিভিটি নিয়ে যাব। ১৮ কোটি ১৭ লাখ মোবাইল সিম আমাদের ব্যবহার হয়।  প্রায় ১২ কোটি ৬২ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। ৮ হাজার ডিজিটাল সেন্টার সেবা দিচ্ছে, ৫৫০০ ডাকঘরকে আমরা ডিজিটাল সেন্টারে রূপান্তর করেছি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যে আওয়াজ আমরা শুনতে পাচ্ছি তার উপযুক্ত দক্ষ জনশক্তি যেন আমাদের গড়ে ওঠে সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আমরা আয়োজন করছি।

তিনি বলেন, ২০৪১ সালে যে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে তার জন্য কী কী করণীয় সেগুলো আমরা করে যাচ্ছি। এমন একটি বাংলাদেশ হবে যেখানে সবাই স্মার্ট হবে। তারা সবকিছু অনলাইনে করতে শিখবে। অনলাইনের ব্যবহার করতে পারবে। আমাদের ইকোনোমি সেটাও হবে ই-ইকোনমি। স্মার্ট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ যেন ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে হয়। আমাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য সবকিছুই হবে স্মার্ট। এভাবে আমদের প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা হবে। আমরা আশা করি ২০৪১ সালের মধ্যে তা করতে সক্ষম হব। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের তরুণ প্রজন্ম যত বেশি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার শিখবে, তত দ্রুত আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো।