ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

ভোলায় নেশাদ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে সাংবাদিকের মা ও ভগ্নিপতি অচেতন-হাসপাতালে ভর্তি

  • রিয়াজ ফরাজী
  • আপডেট সময় ০৭:২৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৪৭ বার পড়া হয়েছে

ভোলায় খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে সাংবাদিক ইব্রাহিম আকতার আকাশের মা ফাতেমা বেগম (৪৫) ও ভগ্নিপতি মো: জহিরুল ইসলাম (৩৫)কে অচেতন করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অচেতন দুই জনকে শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে ভোলা সদরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঢাকা মেইলের ভোলা জেলা প্রতিনিধি ইব্রাহিম আকতার আকাশ জানান, তার মা ফাতেমা বেগম শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তিনি তখন বাসায় ছিলেন না। তবে, তার ছোট ভাই ওই সময়ে টিভি দেখতেছিল। কিছুক্ষণ পর ছোট ভাই মায়ের ঘরে প্রবেশ করে দেখে অনেক ডাকাডাকির পরও কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছিল না। মা অচেতন অবস্থায় আছেন। একইভাবে ভগ্নিপতি জহিরুল ইসলামও ঘরের মধ্যে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। এসময় তাদের রান্নাঘরের দরজা খোলা দেখতে পান।

সাংবাদিক ইব্রাহিম আকতার আকাশ আরও বলেন, ওই রাতে আমাদের বাড়ির পাশের একটি বাড়িতে তিনটি ঘরে ৯টি তালা বাহির থেকে ঝুলিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা চুরি করার উদ্দেশ্যে আমাদের বাসায় ঢুকে আমার মা ও ভগ্নিপতির খাবারে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়েছে। ওই খাবার খেয়ে তারা অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
শনিবার সকালে তাদেরকে উদ্ধার করে ভোলা সদরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বেলা সোয়া ১২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের জ্ঞান ফেরেনি বলে জানান সাংবাদিক ইব্রাহিম আকতার আকাশ।

ভোলা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ তৈয়বুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, অচেতন ফাতেমা বেগম ও জহিরুল ইসলামের চিকিৎসা চলছে। আশা করছি তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো: হাচনাইন পারভেজ দুপুরে আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তবে, অচেতন দুই জনের জ্ঞান এখনো ফেরেনি। জ্ঞান ফেরার পর তাদের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

ভোলায় নেশাদ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে সাংবাদিকের মা ও ভগ্নিপতি অচেতন-হাসপাতালে ভর্তি

আপডেট সময় ০৭:২৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

ভোলায় খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে সাংবাদিক ইব্রাহিম আকতার আকাশের মা ফাতেমা বেগম (৪৫) ও ভগ্নিপতি মো: জহিরুল ইসলাম (৩৫)কে অচেতন করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অচেতন দুই জনকে শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে ভোলা সদরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঢাকা মেইলের ভোলা জেলা প্রতিনিধি ইব্রাহিম আকতার আকাশ জানান, তার মা ফাতেমা বেগম শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তিনি তখন বাসায় ছিলেন না। তবে, তার ছোট ভাই ওই সময়ে টিভি দেখতেছিল। কিছুক্ষণ পর ছোট ভাই মায়ের ঘরে প্রবেশ করে দেখে অনেক ডাকাডাকির পরও কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছিল না। মা অচেতন অবস্থায় আছেন। একইভাবে ভগ্নিপতি জহিরুল ইসলামও ঘরের মধ্যে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। এসময় তাদের রান্নাঘরের দরজা খোলা দেখতে পান।

সাংবাদিক ইব্রাহিম আকতার আকাশ আরও বলেন, ওই রাতে আমাদের বাড়ির পাশের একটি বাড়িতে তিনটি ঘরে ৯টি তালা বাহির থেকে ঝুলিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা চুরি করার উদ্দেশ্যে আমাদের বাসায় ঢুকে আমার মা ও ভগ্নিপতির খাবারে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়েছে। ওই খাবার খেয়ে তারা অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
শনিবার সকালে তাদেরকে উদ্ধার করে ভোলা সদরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বেলা সোয়া ১২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের জ্ঞান ফেরেনি বলে জানান সাংবাদিক ইব্রাহিম আকতার আকাশ।

ভোলা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ তৈয়বুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, অচেতন ফাতেমা বেগম ও জহিরুল ইসলামের চিকিৎসা চলছে। আশা করছি তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো: হাচনাইন পারভেজ দুপুরে আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তবে, অচেতন দুই জনের জ্ঞান এখনো ফেরেনি। জ্ঞান ফেরার পর তাদের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’