ভোলায় খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে সাংবাদিক ইব্রাহিম আকতার আকাশের মা ফাতেমা বেগম (৪৫) ও ভগ্নিপতি মো: জহিরুল ইসলাম (৩৫)কে অচেতন করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অচেতন দুই জনকে শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে ভোলা সদরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢাকা মেইলের ভোলা জেলা প্রতিনিধি ইব্রাহিম আকতার আকাশ জানান, তার মা ফাতেমা বেগম শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তিনি তখন বাসায় ছিলেন না। তবে, তার ছোট ভাই ওই সময়ে টিভি দেখতেছিল। কিছুক্ষণ পর ছোট ভাই মায়ের ঘরে প্রবেশ করে দেখে অনেক ডাকাডাকির পরও কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছিল না। মা অচেতন অবস্থায় আছেন। একইভাবে ভগ্নিপতি জহিরুল ইসলামও ঘরের মধ্যে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। এসময় তাদের রান্নাঘরের দরজা খোলা দেখতে পান।
সাংবাদিক ইব্রাহিম আকতার আকাশ আরও বলেন, ওই রাতে আমাদের বাড়ির পাশের একটি বাড়িতে তিনটি ঘরে ৯টি তালা বাহির থেকে ঝুলিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা চুরি করার উদ্দেশ্যে আমাদের বাসায় ঢুকে আমার মা ও ভগ্নিপতির খাবারে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়েছে। ওই খাবার খেয়ে তারা অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
শনিবার সকালে তাদেরকে উদ্ধার করে ভোলা সদরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বেলা সোয়া ১২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের জ্ঞান ফেরেনি বলে জানান সাংবাদিক ইব্রাহিম আকতার আকাশ।
ভোলা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ তৈয়বুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, অচেতন ফাতেমা বেগম ও জহিরুল ইসলামের চিকিৎসা চলছে। আশা করছি তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো: হাচনাইন পারভেজ দুপুরে আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তবে, অচেতন দুই জনের জ্ঞান এখনো ফেরেনি। জ্ঞান ফেরার পর তাদের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
রিয়াজ ফরাজী 





















