ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বালাসী-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবিতে বাবা-ছেলের দীর্ঘ পদযাত্রা মিজানের বিরুদ্ধে ঘুষ-বদলি বাণিজ্যের বিস্ফোরক অভিযোগ ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযানে নামছে পুলিশের নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট নেপালে কাদার ভেতর উদ্ধারকারীদের মরিয়া অনুসন্ধান, নিখোঁজ ৩০০০ সবজির চড়া দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা রংপুরের চক্রবর্তী পরিবারের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত ইমরান হাশমি সরকার গুম, খুন ও নির্যাতনমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে : মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৩৭, আহত ৪২

নিরুদ্দেশ প্রধান শিক্ষক বেতন তুলেন নিয়মিত

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রায় দুই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানে না গিয়েও বেতন তোলার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে। তবে শোকজ করার পর মাঝে একবার বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর সম্পন্ন করে রেখেছেন তিনি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন অজ্ঞাত স্থান থেকে। এমন অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ময়নাল হক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক এটিএম আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে। যে প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১৮ পরিক্ষার্থীর সকলেই অকৃতকার্য হয়েছেন। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে রূপান্তিত হয় এবং এবারই প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৮জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. একতে-খারুজ্জামান বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসেন না। তার স্থলে কোনো ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে অজ্ঞাতস্থানে থাকা প্রধান শিক্ষক মতিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর থেকে তিনি বেশির ভাগ সময় তার মোবাইল ফোন বন্ধ রাখছেন। বিদ্যালয় পরিচালনার এডহক কমিটির সভাপতি এডভোকেট হাবিবুর রহমান বলেন, তাকে একবার নোটিশ করার পর বিদ্যালয়ে এসে হাজিরা খাতায় বকেয়া স্বাক্ষর করে গেছেন। তবে অনুপস্থিত থাকার যৌক্তিক কোনো কারণ জানাননি। এ ছাড়া একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার গ্রামনাহালী এএইচ দাখিল মাদ্রাসার কৃষিশিক্ষা বিষয়ক শিক্ষক সোজা উদ্দিনের বিরুদ্ধে। ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলেছেন তিনি। তবে এ বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তার বেতন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান আনিছুর রহমান। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার বলেন, বেতন বন্ধের বিষয়ে পদক্ষেপ এখতিয়ার আমাদের নেই, এটা স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের এখতিয়ার। তবে যে প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সমস্যা রয়েছে আমরা সে সকল প্রতিষ্ঠানকে তাদের দিক থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বালাসী-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবিতে বাবা-ছেলের দীর্ঘ পদযাত্রা

নিরুদ্দেশ প্রধান শিক্ষক বেতন তুলেন নিয়মিত

আপডেট সময় ১২:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রায় দুই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানে না গিয়েও বেতন তোলার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে। তবে শোকজ করার পর মাঝে একবার বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর সম্পন্ন করে রেখেছেন তিনি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন অজ্ঞাত স্থান থেকে। এমন অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ময়নাল হক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক এটিএম আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে। যে প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১৮ পরিক্ষার্থীর সকলেই অকৃতকার্য হয়েছেন। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে রূপান্তিত হয় এবং এবারই প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৮জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. একতে-খারুজ্জামান বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসেন না। তার স্থলে কোনো ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে অজ্ঞাতস্থানে থাকা প্রধান শিক্ষক মতিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর থেকে তিনি বেশির ভাগ সময় তার মোবাইল ফোন বন্ধ রাখছেন। বিদ্যালয় পরিচালনার এডহক কমিটির সভাপতি এডভোকেট হাবিবুর রহমান বলেন, তাকে একবার নোটিশ করার পর বিদ্যালয়ে এসে হাজিরা খাতায় বকেয়া স্বাক্ষর করে গেছেন। তবে অনুপস্থিত থাকার যৌক্তিক কোনো কারণ জানাননি। এ ছাড়া একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার গ্রামনাহালী এএইচ দাখিল মাদ্রাসার কৃষিশিক্ষা বিষয়ক শিক্ষক সোজা উদ্দিনের বিরুদ্ধে। ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলেছেন তিনি। তবে এ বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তার বেতন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান আনিছুর রহমান। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার বলেন, বেতন বন্ধের বিষয়ে পদক্ষেপ এখতিয়ার আমাদের নেই, এটা স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের এখতিয়ার। তবে যে প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সমস্যা রয়েছে আমরা সে সকল প্রতিষ্ঠানকে তাদের দিক থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছি।