ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

অভিবাসীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের নিয়ম কঠোর করছে ব্রিটেন

অভিবাসীদের জন্য স্থায়ীভাবে বসবাসের নিয়ম আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। এখন থেকে কোনো অভিবাসী যদি ব্রিটিশ সরকার বরাবর স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করেন, তাহলে কী কারণে তিনি ব্রিটেনের সমাজের জন্য মূল্যবান— তার ব্যাখ্যা আবেদনে থাকতে হবে।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। শিগগিরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবহিত করবেন বলেও জানা গেছে।

গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন সমস্যায় ভুগছে ব্রিটেন। ২০০৯ সালের নির্বাচনে এই সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল কনজারভেটিভ পার্টি। কিন্তু ১৫ বছরে এ ইস্যুতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতির ধারে-কাছেও যেতে না পারায় ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভরাডুবি ঘটে দলটির এবং ক্ষমতায় আসে লেবার পার্টি।

কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমারের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টির সরকার।

এদিকে অনিয়মিত ও অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন ইস্যুটিকে সামনে এনে বর্তমান ও অতীতের সরকারগুলোর সমালোচনা শুর ‍করেছে ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল রিফর্ম ইউকে পার্টি এবং দিন দিন তাদের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। মূলত রিফর্ম ইউকে পার্টির দাবির মুখেই এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার।

বর্তমানে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত যে কোনো অভিবাসী টানা ৫ বছর বসবাসের পর স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করতে পারেন।

ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন নিয়ম চালু হলে আবেদনকারীর ইংরেজিতে উচ্চতর দক্ষতা এবং যে কমিউনিটিতে আবেদনকারী থাকেন, সেখানে সমাজসেবা মূলক কোনো স্বেচ্ছাসেবী কাজের সঙ্গে তিনি জড়িত কি না— তা খতিয়ে দেখা হবে। যারা এই দুই ক্যাটাগরিতে পাস করবেন, তাদেরকেই দেওয়া হবে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমোদন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

অভিবাসীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের নিয়ম কঠোর করছে ব্রিটেন

আপডেট সময় ০২:৫৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অভিবাসীদের জন্য স্থায়ীভাবে বসবাসের নিয়ম আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। এখন থেকে কোনো অভিবাসী যদি ব্রিটিশ সরকার বরাবর স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করেন, তাহলে কী কারণে তিনি ব্রিটেনের সমাজের জন্য মূল্যবান— তার ব্যাখ্যা আবেদনে থাকতে হবে।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। শিগগিরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবহিত করবেন বলেও জানা গেছে।

গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন সমস্যায় ভুগছে ব্রিটেন। ২০০৯ সালের নির্বাচনে এই সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল কনজারভেটিভ পার্টি। কিন্তু ১৫ বছরে এ ইস্যুতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতির ধারে-কাছেও যেতে না পারায় ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভরাডুবি ঘটে দলটির এবং ক্ষমতায় আসে লেবার পার্টি।

কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমারের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টির সরকার।

এদিকে অনিয়মিত ও অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন ইস্যুটিকে সামনে এনে বর্তমান ও অতীতের সরকারগুলোর সমালোচনা শুর ‍করেছে ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল রিফর্ম ইউকে পার্টি এবং দিন দিন তাদের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। মূলত রিফর্ম ইউকে পার্টির দাবির মুখেই এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার।

বর্তমানে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত যে কোনো অভিবাসী টানা ৫ বছর বসবাসের পর স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করতে পারেন।

ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন নিয়ম চালু হলে আবেদনকারীর ইংরেজিতে উচ্চতর দক্ষতা এবং যে কমিউনিটিতে আবেদনকারী থাকেন, সেখানে সমাজসেবা মূলক কোনো স্বেচ্ছাসেবী কাজের সঙ্গে তিনি জড়িত কি না— তা খতিয়ে দেখা হবে। যারা এই দুই ক্যাটাগরিতে পাস করবেন, তাদেরকেই দেওয়া হবে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমোদন।