ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩১০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ, গ্রেপ্তার ১ খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত রবিবার কিশোরগঞ্জে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে চরিত্রহননের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে ব্যবসায়ী নিরবের সংবাদ সম্মেলন নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী আগামী ৫ বছর কুষ্টিয়া সদর আসনে আমিই প্রধানমন্ত্রী: আমির হামজা শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা জোয়ারের স্রোতে ভেসে গেছে যোগাযোগ, ব্রিজের অভাবে বিপাকে হাসাননগরের মানুষ কালিহাতীতে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ২৫ দেশে কাজী ফিরোজের সফর, সরকারি দায়িত্ব নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

ঢামেকে রোগী ভাগাভাগি নিয়ে দালালচক্রের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ০২:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬১৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আইসিইউ রোগী ভাগাভাগি ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দালালচক্রের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রথমে জরুরি বিভাগের সামনে, পরে হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষ হয়।

এই সংঘর্ষে আহতরা হলেন শাহাদাত গ্রুপের নওশাদ, আনিসুর রহমান, রিপু ও রিয়াজ এবং বিল্লাল গ্রুপের ইমন, বাঁধন ও সুমন। এদের মধ্যে ইমন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম হয়েছেন এবং বাঁধনের হাত ভেঙে গেছে।

হাসপাতালের কর্মচারীদের বরাতে জানা গেছে, আইসিইউ রোগী ভাগাভাগি ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রথমে নওশাদকে মারধর করা হলে পরে শাহাদাত গ্রুপের সদস্যরা পাল্টা আক্রমণ চালায়। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইমন গুরুতরভাবে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং বাঁধনের হাত ভেঙে যায়।

ঢামেকের ওয়ার্ড মাস্টার মো. শিপন জানান, শাহাদাত গ্রুপ ঢাকা মেডিকেল থেকে রোগী সরিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে ইমনসহ কয়েকজন বাধা দেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে শাহাদাত গ্রুপ সমিতি ঘরের সামনে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

এ বিষয়ে দালালচক্রের শাহাদাত বলেন, রাতে জরুরি বিভাগের সামনে বিল্লাল, সুমন, নাসির, ইমন, দুলাল ও শাফিনসহ কয়েকজন মিলে নওশাদকে বেধড়ক মারধর করেন। খবর পেয়ে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের মালিক আনিসুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয় এবং একপর্যায়ে মারামারিতে রূপ নেয়।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, জরুরি বিভাগের সামনে ও হাসপাতালের বাইরে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩১০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ, গ্রেপ্তার ১

ঢামেকে রোগী ভাগাভাগি নিয়ে দালালচক্রের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

আপডেট সময় ০২:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আইসিইউ রোগী ভাগাভাগি ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দালালচক্রের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রথমে জরুরি বিভাগের সামনে, পরে হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষ হয়।

এই সংঘর্ষে আহতরা হলেন শাহাদাত গ্রুপের নওশাদ, আনিসুর রহমান, রিপু ও রিয়াজ এবং বিল্লাল গ্রুপের ইমন, বাঁধন ও সুমন। এদের মধ্যে ইমন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম হয়েছেন এবং বাঁধনের হাত ভেঙে গেছে।

হাসপাতালের কর্মচারীদের বরাতে জানা গেছে, আইসিইউ রোগী ভাগাভাগি ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রথমে নওশাদকে মারধর করা হলে পরে শাহাদাত গ্রুপের সদস্যরা পাল্টা আক্রমণ চালায়। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইমন গুরুতরভাবে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং বাঁধনের হাত ভেঙে যায়।

ঢামেকের ওয়ার্ড মাস্টার মো. শিপন জানান, শাহাদাত গ্রুপ ঢাকা মেডিকেল থেকে রোগী সরিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে ইমনসহ কয়েকজন বাধা দেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে শাহাদাত গ্রুপ সমিতি ঘরের সামনে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

এ বিষয়ে দালালচক্রের শাহাদাত বলেন, রাতে জরুরি বিভাগের সামনে বিল্লাল, সুমন, নাসির, ইমন, দুলাল ও শাফিনসহ কয়েকজন মিলে নওশাদকে বেধড়ক মারধর করেন। খবর পেয়ে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের মালিক আনিসুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয় এবং একপর্যায়ে মারামারিতে রূপ নেয়।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, জরুরি বিভাগের সামনে ও হাসপাতালের বাইরে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।